ভিয়েতনামে মানবপাচারের শিকার হয়ে দেশে ফেরার পর কারাগারে পাঠানো সেই ৮৩ বাংলাদেশি জামিনে মুক্ত হয়েছেন। বাংলাদেশ মানবাধিকার বাস্তবায়ন সংস্থার (বিএমবিএস) আইনি সহায়তার মাধ্যমে বিভিন্ন দফায় তারা মুক্ত হন। মঙ্গলবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে সংস্থাটি।
বিএমবিএস বলছে, চলতি বছরের বিভিন্ন সময়ে ১০৬ জন বাংলাদেশি ভিয়েতনামে মানবপাচারের শিকার হন। পাচারকারীদের কবল থেকে উদ্ধার হয়ে তারা দেশে ফেরার আগ্রহ দেখালেও ভিয়েতনামে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাস তাদেরকে দেশে ফিরিয়ে আনার ব্যাপারে কোন পদক্ষেপ নেয়নি। এমনকি সেদেশে কর্মসংস্থানের ব্যবস্থাও করেনি। এ পরিস্থিতিতে বাংলাদেশে মানবাধিকার বাস্তবায়ন সংস্থা তাদেরকে দেশে ফিরিয়ে আনতে সরকারের প্রতি বিশেষ অনুরোধ জানায়। অন্যদিকে, বিভিন্ন মিডিয়া এই সকল পাচারকৃত বাংলাদেশিদের দেশে ফিরিয়ে আনার বিষয়ে জনমত তৈরী করে।
অবশেষে বিশেষ ফ্লাইটে গত ১৮ই আগষ্ট ১১৩ জন বাংলাদেশী দেশে ফিরে আসেন।
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বিশ্বব্যাপি করোনা পরিস্থিতির কারণে সরকারি স্বাস্থ্য নীতিমালা অনুযায়ী ফিরে আসা এই কর্মীরা ১৪দিন নিয়মতান্ত্রিকভাবে প্রাতিষ্ঠানি কোয়ারেন্টিন শেষ করেন। কিন্তু ৮৩ জনকে বাড়িতে না পাঠিয়ে মিথ্যা মামলা দিয়ে কেরানীগঞ্জ জেল হাজতে পাঠিয়ে দেয়। এর একদিন পরই তাদের কাশিমপুর কারাগারে স্থানান্তর করা হয়।
ভিকটিমদের আইনগত সহায়তা দেয়া প্রতিষ্ঠান বিএমবিএস আরো জানায়, কাশিমপুর কারাগারে ৮৩ জন ভিকটিমের করোনা পরীক্ষার পর তিন দফায় তাদের আদালত থেকে জামিন মঞ্জুর করা হয়। বাংলাদেশ মানবাধিকার বাস্তবায়ন সংস্থা গভীরভাবে লক্ষ্য করছে এসকল ভিকটিমদের শুধুমাত্র হয়রানি করার উদ্দেশ্যে দু’বার কোয়ারেন্টিন শেষ করতে হয়েছে। সংস্থাটির নির্বাহী পরিচালক জালাল উদ্দিন বলেন, আশা করি, ভবিষ্যতে সরকারের শুভবুদ্ধি উদয় হবে এবং এ ধরণের নির্যাতিত অসহায় ভিকটিমদের হয়রানিমূলক মামলা প্রত্যাহার করে স্বাভাবিক জীবনযাপনে ফেরাতে আন্তরিক হবে।
ভিন্নবার্তা ডটকম/এসএস
Editor: Rumana Jaman Shachi
Raipura House (2nd Floor), 5/A, Outer Circular Road
West Malibag, Dhaka-1217
Communication
E-mail: vinnabarta@gmail.com
Phone:+8802222220051