1. admin-1@vinnabarta.com : admin : admin
  2. admin-2@vinnabarta.com : Rumana Jaman : Rumana Jaman
  3. admin-3@vinnabarta.com : Saidul Islam : Saidul Islam
  4. bddesignhost@gmail.com : admin : jashim sarkar
  5. newspost2@vinnabarta.com : ebrahim-News :
  6. vinnabarta@gmail.com : admin_naim :
  7. admin_pial@vinnabarta.com : admin_pial :
শিরোনাম :
রৌমারীতে মে দিবস পালিত, অধিকার ও নিরাপত্তার অঙ্গীকার স্বৈরাচাররা শ্রমিকদের ভাগ্য নিয়ে ছিনিমিনি খেলেছিল : তারেক রহমান হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৪ শিশুর মৃত্যু  শ্রমিকদের কল্যাণে বিএনপি সবচেয়ে বৃহৎ কর্মপরিকল্পনা দিয়েছে: নজরুল ইসলাম জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহীদদের অধিকাংশই শ্রমিক: জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী রেমিট্যান্সের ভিত্তি স্থাপন করেছিলেন জিয়াউর রহমান : রাষ্ট্রপতি প্রতিবেশী ১১ দেশের সঙ্গে সামরিক মহড়া করছে ভারত, নেই বাংলাদেশের নাম নয়াপল্টনে শ্রমিক সমাবেশে বক্তব্য রাখবেন প্রধানমন্ত্রী বৃষ্টি-ভাড়া অজুহাতে বাজারে আগুন, চাপে ক্রেতারা এবার পুরস্কার পাচ্ছেন ১০৭ পুলিশ সদস্য, তালিকা প্রকাশ

জলবায়ু ঝুঁকিতে উপকূলের জেলেরা: সুরক্ষা সামগ্রী সংকটে জীবন ঝুঁকিপূর্ণ

কামরুজ্জামান, ভোলা দক্ষিণ প্রতিনিধি
  • প্রকাশের সময় : বৃহস্পতিবার, ১১ ডিসেম্বর, ২০২৫ ৭:০৩ pm

চরফ্যাশন উপজেলা পরিষদ সম্মেলন কক্ষে কোস্ট ফাউন্ডেশনের আয়োজনে “জলবায়ু পরিবর্তন ও দুর্যোগ ঝুঁকিতে সমুদ্রগামী জেলেরা: নেই প্রয়োজনীয় সুরক্ষা সামগ্রী” শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১১ ডিসেম্বর) সকাল ১১টায় অনুষ্ঠিত সেমিনারে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ লোকমান হোসেন। কোস্ট ফাউন্ডেশনের এম.এ হাসানের সঞ্চালনায় সেমিনারে আরও উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা নাজমুল হুদা,প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা জিএম ওয়ালিউল ইসলাম, কোস্ট ফাউন্ডেশনের সহকারী পরিচালক রাশেদা বেগম, আমন্ত্রিত অতিথিবৃন্দ। এ ছাড়াও সমুদ্রগামী জেলে, ট্রলার মালিক, বিভিন্ন দপ্তরের প্রতিনিধি ও সাংবাদিকরা অংশগ্রহণ করেন।

মৎস্যঘাটের তথ্য বিশ্লেষণে ভয়াবহ চিত্র সেমিনারে এম.এ হাসান চরফ্যাশন উপজেলার মৎস্যঘাটের বাস্তব চিত্র তুলে ধরে বলেন—

গভীর সমুদ্রে যাওয়া ট্রলারগুলোর মাত্র ৬% ট্রলারে জিপিএস আছে,বড় ও মাঝারি ১৩৭৮টি ট্রলারের ৯০%-এরই কোনো নিবন্ধন নেই, বড় ট্রলারে ২০–২৫ জন জেলের বিপরীতে থাকে মাত্র ৩–৪টি লাইফ জ্যাকেট বেশিরভাগ ট্রলারেই লাইফ বয়া, ফ্লেয়ারসহ ১৭ ধরনের বাধ্যতামূলক সুরক্ষা সরঞ্জামের কোনোটিই নেই

জেলেরা অভিযোগ করেন, জরুরি যোগাযোগ ব্যবস্থা ভিএইচএফ, ওয়ারলেস বা জিপিএস না থাকায় গভীর সমুদ্রে তারা সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন হয়ে যান। ঝড়ের সময় সীমিত লাইফ জ্যাকেট নিয়ে জেলেদের মাঝে সংঘর্ষ পর্যন্ত হয়। সরকার বা ট্রলার মালিকরা এ বিষয়ে কোনো কার্যকর উদ্যোগ নিচ্ছে না। যান্ত্রিক ত্রুটিতে ট্রলার বিকল হলেও উদ্ধার ব্যবস্থা নেই।
স্রোতের টানে পাশ্ববর্তী দেশে চলে গেলে উদ্ধার ও যোগাযোগ তৎপরতা প্রায় শূন্য। সেমিনারে বক্তারা সমুদ্রগামী জেলেদের সুরক্ষায় একাধিক গুরুত্বপূর্ণ সুপারিশ তুলে ধরেন—

আবহাওয়া সতর্কীকরণ ব্যবস্থা আধুনিকায়ন এবং জেলেদের দ্রুত বার্তা পৌঁছানোর এসএমএস অ্যালার্ট ও ভিএইচএফ রেডিও চালু করা। সব ট্রলারে বাধ্যতামূলক লাইফ জ্যাকেট, লাইফ বয়া, ফ্লেয়ার, জিপিএস নিশ্চিত করা। নৌযানের কাঠামো শক্তিশালীকরণ ও নিয়মিত ফিটনেস পরীক্ষা। জেলেদের নিরাপত্তা প্রশিক্ষণ, আবহাওয়া সংকেত বোঝা, জিপিএস/ভিএইচএফ ব্যবহারের প্রশিক্ষণ। নিরাপদ ঘাট, আশ্রয়কেন্দ্র ও সেল্টার নির্মাণ। জেলেদের জন্য জীবন বীমা, দুর্ঘটনা বীমা এবং দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্তদের আর্থিক সহায়তা। ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় বিকল্প জীবিকার প্রশিক্ষণ ও আয় বৃদ্ধির উদ্যোগ। উপস্থিত বক্তারা বলেন, “জেলেদের জীবন বাঁচাতে হলে সুরক্ষা সামগ্রী সরবরাহ, প্রযুক্তিগত সহায়তা এবং সরকারি নজরদারি এখন সময়ের দাবি। নইলে সমুদ্রগামী জেলেদের প্রাণহানি থামানো কঠিন হবে।



আরো




আর্কাইভ ক্যালেন্ডার

শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
 
১০১১১২১৩১৪১৫
১৬১৭১৮১৯২০২১২২
২৩২৪২৫২৬২৭২৮২৯
৩০৩১  

মাসিক আর্কাইভ