হিমালয়ের পাদদেশে অবস্থিত চীন-নেপাল সীমান্তে মঙ্গলবার ভয়াবহ বন্যা ও ভূমিধসে অন্তত ৮ জন নিহত এবং ৩১ জন নিখোঁজ হয়েছেন। টানা প্রবল বর্ষণের ফলে এ দুর্যোগ দেখা দেয় বলে জানিয়েছেন কর্মকর্তারা ও রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যমগুলো। খবর এএফপির।
বন্যার ঢেউ ভেঙে দিয়েছে চীন ও নেপালকে সংযুক্ত করা প্রধান একটি সেতু, যা ভোটেকোশি নদীর ওপর নির্মিত ছিল।
নেপালি পুলিশ জানায়, নিহত আটজনের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে এবং এখনো নিখোঁজ রয়েছেন ২০ জন — যাদের মধ্যে ১৪ জন নেপালি এবং ৬ জন চীনা নাগরিক।
নেপাল পুলিশ মুখপাত্র বিনোদ ঘিমিরে জানান, আমাদের মূল লক্ষ্য এখন উদ্ধারকাজ। আমরা এ পর্যন্ত ৫৭ জনকে উদ্ধার করেছি।
চীনের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন সিসিটিভি জানায়, মঙ্গলবার ভোরে চীন-নেপাল সীমান্ত এলাকায় একটি ভূমিধসের ঘটনা ঘটেছে এবং চীনের অংশে অন্তত ১১ জন নিখোঁজ রয়েছেন। এছাড়া নেপালের অংশে চীনের ছয়জন নির্মাণ শ্রমিক স্রোতে ভেসে গেছেন বলে জানানো হয়।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে দক্ষিণ এশিয়ায় জুন থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত বর্ষাকালে বন্যা ও ভূমিধস আরও ভয়াবহ আকার নিচ্ছে।
কাঠমান্ডু-ভিত্তিক আন্তর্জাতিক পর্বতমালা উন্নয়ন কেন্দ্র (আইসিআই এমওডি) সম্প্রতি সতর্ক করেছে যে এ বছর বর্ষা মৌসুমে বিপর্যয়ের ঝুঁকি বেড়েছে।
আইসিআই এমওডি জানায়, তাপমাত্রা বৃদ্ধির ফলে অতিবৃষ্টি ও চরম আবহাওয়ার ঘটনাগুলো বাড়ছে, যা বন্যা, ভূমিধস এবং প্রবল স্রোতের মতো দুর্যোগের ঝুঁকি বৃদ্ধি করছে।
জাতিসংঘের আবহাওয়া সংস্থা (ডব্লিইএমও) গত বছর এক প্রতিবেদনে বলেছিল, পানি-চক্রের অস্থিরতা এবং দুর্যোগের মাত্রা বৃদ্ধি জলবায়ু পরিবর্তনের এক স্পষ্ট ফলাফল।
Editor: Rumana Jaman Shachi
Raipura House (2nd Floor), 5/A, Outer Circular Road
West Malibag, Dhaka-1217
Communication
E-mail: vinnabarta@gmail.com
Phone:+8802222220051