দিনাজপুরের ঘোড়াঘাটে চাঁদা না পেয়ে মসজিদের বারান্দা নির্মাণের কাজ বন্ধ করে দিয়েছে স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতাসহ ৬-৭ জনের একটি সংঘবদ্ধ দল।
অভিযোগ করা হয়েছে চাঁদা দাবি করা ২ লাখ টাকা না পেয়ে ওই মাদ্রাসার ম্যানেজিং কমিটির লোকজনকে মারপিট ও করা হয়েছে।
এ ঘটনায় থানায় মামলা দায়েরের পর গতকাল রবিবার রাতে সেই আলোচিত আওয়ামী লীগ নেতা ময়নুল মাস্টারকে গ্রেফতার করছে পুলিশ। প্রধান অভিযুক্ত ব্যক্তির নাম ময়নুল মাস্টার। তিনি উপজেলার ২নং পালশা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি। অভিযুক্ত অন্যরা হলেন, স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতা ফয়সাল হোসেনসহ ৬-৭ জন। এই চাঁদা দাবির মামলায় প্রথমে গ্রেফতারকৃত ব্যক্তির নাম ইরফানুল হক জুয়েল (৩৫)। তিনি দেওগ্রাম পশ্চিম পাড়ার সামছুল হকের ছেলে।
ঘোড়াঘাট থানায় মামলার এজাহারে উল্লেখ উপজেলার ডুগডুগীহাট বাজারে হাফিজিয়া মাদ্রাসা ও এতিমখানা সংলগ্ন মসজিদেরও বারান্দার নির্মাণ কাজ চলাকালীন ময়নুল মাস্টার ও ফয়সাল হোসেনের নেতৃত্বে ৬-৭ জনের একটি সংঘবদ্ধ দল মাদ্রাসার ম্যানেজিং কমিটির কাছে ২ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন। পরে গত ৩০ সেপ্টেম্বর বিকাল ৪টার দিকে আওয়ামী লীগ নেতা ফয়সাল ও জাহাঙ্গীর নামের দুইজন মসজিদের বারান্দার নির্মাণ কাজ বন্ধ করে দেয়। বিষয়টি নিয়ে মাদ্রাসা ও মসজিদের ম্যানেজিং কমিটির লোকজন এসে পুনরায় কাজ চালু করে দেন।
থানা সূত্র জানায়, ২০২০ সালেই আওয়ামী লীগ নেতা ময়নুল মাস্টারের বিরুদ্ধে ঢাকার সবুজবাগ থানায় ককেন পাচার (মাদক) ৫টি মামলা দায়ের হয়েছে। এ ঘটনায় তার সঙ্গীও অভিযুক্তদের বিরুদ্ধেও থানায় মামলা আছে।
ঘোড়াঘাট থানার ওসি আজিম উদ্দিন জানান, এ মামলায় প্রথমে ১ জনকে এবং গত রবিবার দিবাগত রাতে বহুল আলোচিত ৯ মামলার আসামি আওয়ামী লীগ নেতা ময়নুল মাস্টারকে হাকিমপুর (হিলি) থেকে গ্রেফতার করে জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়।
ভিন্নবার্তা/এসআর
Editor: Rumana Jaman Shachi
Raipura House (2nd Floor), 5/A, Outer Circular Road
West Malibag, Dhaka-1217
Communication
E-mail: vinnabarta@gmail.com
Phone:+8802222220051