1. admin-1@vinnabarta.com : admin : admin
  2. admin-2@vinnabarta.com : Rumana Jaman : Rumana Jaman
  3. admin-3@vinnabarta.com : Saidul Islam : Saidul Islam
  4. bddesignhost@gmail.com : admin : jashim sarkar
  5. newspost2@vinnabarta.com : ebrahim-News :
  6. vinnabarta@gmail.com : admin_naim :
  7. admin_pial@vinnabarta.com : admin_pial :

কোটি কোটি টাকা ব্যয়ে আধুনিকায়ন, আড়াই বছরেই পরিত্যক্ত

শফিকুল ইসলাম
  • প্রকাশের সময় : রবিবার, ১১ জুলাই, ২০২১ ৭:২১ pm

নগরবাসীর বিনোদন এবং খেলাধুলার জন্য ২৫ কাঠা আয়তনের শহীদ বুদ্ধিজীবী খালেক সরদার পার্কটি আড়াই বছর আগে আধুনিকায়ন করে জনসাধারণের জন্য খুলে দিয়েছিল ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন (ডিএসসিসি)। এতে ব্যয় হয়েছে প্রায় তিন কোটি টাকা। কিন্তু আড়াই বছরের মাথায়ই পার্কের সৌন্দর্যবর্ধনকারী ঘাস উঠে গেছে। নতুন লাগানো গাছগুলোও নেই। রাইডগুলো তছনছ হয়ে গেছে। যত্রতত্র ছড়িয়ে আছে ময়লা-আবর্জনা। ফলে পার্কটি এখন পরিত্যক্ত অবস্থায় রয়েছে।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ঢাকাকে পরিবেশবান্ধব ও সবুজ নগরী হিসেবে গড়ে তুলতে ২০১৬ সালে ‘জল সবুজে ঢাকা’ নামে একটি প্রকল্প গ্রহণ করেছিলো ডিএসসিসি। এর আওতায় ১৯টি পার্ক ও ১২টি মাঠ আধুনিকায়নের কাজ শুরু হয়। তারই অংশ হিসেবে ২০১৭ সালের জুনে খালেক সরদার পার্কের সংস্কারকাজ উদ্বোধন করেছিল ডিএসসিসি। কাজ শেষ করে ২০১৯ সালের ১৬ মে পার্কটির উদ্বোধন করেন তৎকালীন মেয়র মোহাম্মদ সাঈদ খোকন। কিন্তু উদ্বোধনের পর পার্কটিকে সুনির্দিষ্ট কাউকে দায়িত্ব দেয়া হয়নি। ফলে সঠিক তদারকি বা রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে পার্কটি এখন পরিত্যক্ত প্রায়।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, এ পার্ক সংস্কারে তিন কোটি টাকা ব্যায় করা হয়েছে। এ টাকা কোথায়, কীভাবে খরচ করা হলো, আমাদের তা বুঝে আসে না। এতো টাকা যদি খরচ করার পরও কেন পার্কটি রক্ষণাবেক্ষণ করা হলো না? পার্কটি উদ্বোধনের সময় পরিপাটি ছিল। এখন পার্কের ভেতর ঢুকাই যাচ্ছে না। এর দায় ডিএসসিসিকেই নিতে হবে।

সরেজমিনে দেখা গেছে, পুরান ঢাকার নাজিরাবাজার মাতৃসদন থেকে প্রায় ১০০ মিটার পশ্চিমে শহীদ বুদ্ধিজীবী খালেক সরদার পার্কটি রয়েছে। ত্রিভূজ আকৃতির পার্কটির চারপাশ উন্মুক্ত। ফলে সব দিক থেকেই পার্কে ঢোকা যায়। তবে পার্কের মধ্যে শিশুদের রাইডগুলোর চারপাশে লোহার জাল দিয়ে বেড়া দেয়া। এর ফটকে তালা লাগানো থাকলেও ভেতরের রাইডগুলো (দোলনা, স্লিপার) ভেঙেচুরে একাকার। এই বেড়ার বাইরের অংশে শিশুরা ঘোরাঘুরি করছে। বেঞ্চে বসে গল্প করছেন মহল্লার লোকজন। পার্কের উত্তর ও পশ্চিম পাশে ময়লা-আবর্জনা ছড়িয়ে রয়েছে। নালার ঢাকনাগুলো উল্টে আছে। এতে বাতাসে ছড়াচ্ছে দুর্গন্ধ। এছাড়া পার্কের উত্তর পাশে ফোয়ারার ভেতরও পলিথিন, প্লাস্টিকের বোতলসহ আবর্জনার স্তুপ। গণশৌচাগার তালাবদ্ধ করে রাখা হয়েছে। নতুন লাগানো গাছগুলো আর নেই। যারফলে পার্কটি আগের অবস্থায় ফিরে গেছে।

স্থানীয় ওয়ার্ডের কাউন্সিলর আউয়াল হোসেন বলেন, পার্কটি উদ্বোধনের পরপরই এটি রক্ষণাবেক্ষণের জন্য দুজন নিরাপত্তাকর্মী এবং দুজন পরিচ্ছন্নতাকর্মী নিয়োগ দিতে বলেছিলাম। কিন্তু সিটি করপোরেশনের কেউ গুরুত্ব দেননি। কেন দেননি তাও জানা নেই। যখনই লোকবল নিয়োগের কথা বলি, দেব-দিচ্ছি বলে শুধু ঘুরায়। তবে বিষয়টি নিয়ে শিগগিরই উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সাথে কথা বলবো। আশাকরি পার্কটি রক্ষণাবেক্ষণের মাধ্যেমে আগের রুপে ফিরে আসবে।

ভিন্নবার্তা/এমএসআই



আরো




আর্কাইভ ক্যালেন্ডার

শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
 
১০১১
১২১৩১৪১৫১৬১৭১৮
১৯২০২১২২২৩২৪২৫
২৬২৭২৮২৯৩০  

মাসিক আর্কাইভ