আগামী ২০২০-২১ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেট মহান সংসদে উত্থাপন করেছেন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল। চলমান করোনা সংকটের মধ্যেই আজ বৃহস্পতিবার (১১ জুন) এ বাজেট পেশ করা হলো। এবারের বাজেটের আকার ধরা হয়েছে ৫ লাখ ৬৮ হাজার কোটি টাকা।
প্রস্তাবিত বাজে জরিমানা ছাড়াই ঢালাওভাবে কালো টাকা সাদা করার সুযোগ দেওয়া হয়েছে।
স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উপস্থিতিতে বিকেল ৩টায় অধিবেশন শুরুর পর বাজেট উপস্থাপন করা হয়। ৫০ মিনিটে নিজের দ্বিতীয় বাজেট পেশ করেন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল।
বাজেট বক্তৃতায় বলা হয়েছে, দেশের প্রচলিত আইনে যা–ই থাকুক না কেন, ব্যক্তি শ্রেণির করদাতাদের চলতি অর্থবছরের ১ জুলাই থেকে ২০২১ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত আয়কর রিটার্নে অপ্রদর্শিত জমি, বিল্ডিং, ফ্ল্যাট ও অ্যাপার্টমেন্টের প্রতি বর্গমিটারের ওপর নির্দিষ্ট হারে এবং নগদ অর্থ, ব্যাংকে গচ্ছিত অর্থ, সঞ্চয়পত্র, শেয়ার, বন্ড বা যেকোনো সিকিউরিটিজের ওপর ১০ শতাংশ কর প্রদান করে আয়কর রিটার্নে প্রদর্শন করতে পারবেন। এতে আয়কর কর্তৃপক্ষসহ অন্য কোনো কর্তৃপক্ষ কোনো প্রশ্ন করতে পারবে না।
এ ছাড়া একই সময় ব্যক্তিশ্রেণির করদাতাগণ পুঁজিবাজারে অর্থ বিনিয়োগ করলে এবং ওই বিনিয়োগের ওপর ১০ শতাংশ কর প্রদান করলে আয়করসহ কোনো কর্তৃপক্ষ প্রশ্ন করবে না।
নতুন বাজেটে রাজস্ব আহরণকেই সরকারের আয়ের মূল উৎস্য ধরা হয়েছে। এ জন্য রাজস্ব আয়ের মোট লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ৩ লাখ ৭৮ হাজার কোটি টাকা। এর মধ্যে এনবিআরের (জাতীয় রাজস্ব বোর্ড) আয়ের লক্ষ্যমাত্রা হলো ৩ লাখ ৩০ হাজার কোটি টাকা। আর ৪৮ হাজার কোটি টাকা আসবে এনবিআর বহির্ভূত খাত থেকে।
বাজেটে মোট ঘাটতি ধরা হয়েছে ১ লাখ ৯০ হাজার কোটি টাকা। যা মোট জিডিপির ৬ শতাংশ। এছাড়া প্রস্তাবিত বাজেটে ২ লাখ ৫ হাজার ১৪৫ কোটি টাকার এডিপির প্রস্তাব করা হয়েছে। এটি স্বাধীন বাংলাদেশের ৪৯তম এবং ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন সরকারের টানা তৃতীয় মেয়াদের দ্বিতীয় বাজেট।
Editor: Rumana Jaman Shachi
Raipura House (2nd Floor), 5/A, Outer Circular Road
West Malibag, Dhaka-1217
Communication
E-mail: vinnabarta@gmail.com
Phone:+8802222220051