বিশ্বব্যাপী কমে এসেছে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত ও মৃতের সংখ্যা। একইসঙ্গে আক্রান্ত রোগীরা সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরছেন। সারাবিশ্বে ১৫ লাখ ২৭ হাজার ১০৬ জন সুস্থ হয়েছেন। এখন পর্যন্ত এ ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন ৪২ লাখ ৫৪ হাজার ১৯৩ জন এবং ২ লাখ ৮৭ হাজার ২৫৭ জন মানুষ সংক্রমিত হয়ে মারা গেছেন।
ইতালিতে সুস্থতার সংখ্যা ১ লাখ ছাড়াল
ইতালিতে করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা কমছে, একই সাথে বাড়ছে আক্রান্তদের সুস্থ হয়ে ওঠার হার। দেশটিতে এখন পর্যন্ত ১ লাখ ৬ হাজার ৫৮৭ জন করোনা আক্রান্ত রোগী সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন।
গত ২৪ ঘণ্টায় দেশটিতে আক্রান্ত হয়েছেন ৭৪৪ জন কোভিড-১৯ রোগী এবং মারা গেছেন ১৭৯ জন। দেশটিতে করোনায় মোট মৃতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৩০ হাজার ৭৩৯ জনে। আর আক্রান্ত দুই লাখ ১৯ হাজার ৮১৪ জন।
যুক্তরাষ্ট্রে আড়াই লাখ মানুষ সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন
করোনায় বিশ্বের মধ্যে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। যুক্তরাষ্ট্রে এ পর্যন্ত ৮১ হাজার ৭৯৫ জন করোনা আক্রান্ত রোগী মারা গেছেন এবং আক্রান্ত হয়েছেন ১৩ লাখ ৮৫ হাজার ৮৩৪ জন। আর সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ২ লাখ ৬২ হাজার ২২৫ জন। দেশটিতে গত ২৪ ঘণ্টায় ১ হাজার ৮ জনের মৃত্যু হয়েছে এবং ১৮ হাজার ১৯৬ জন আক্রান্ত হয়েছেন।
স্পেনে সুস্থ হলেন দেড় লাখ মানুষ
স্পেনে মোট আক্রান্তের সংখ্যা ২ লাখ ৬৮ হাজার ১৪৩ জন। দেশটিতে ২৬ হাজার ৭৪৪ জন করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন। আর ১ লাখ ৭৭ হাজার ৮৪৬ জন সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন। ইতোমধ্যে দেশটিতে মৃতের সংখ্যা কমে এসেছে। গত ২৪ ঘণ্টায় ১২৩ জন আক্রান্ত রোগী মারা গেছেন।
জার্মানিতে সুস্থ হয়েছেন ১ লাখেরও বেশি মানুষ
জার্মানিতে মোট আক্রান্ত হয়েছেন ১ লাখ ৭২ হাজার ৫৭৬ জন। এর মধ্যে ৭ হাজার ৬৬১ জনের মৃত্যু হয়েছে। দেশটিতে ১ লাখ ৪৫ হাজার ৬১৭ জন সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন। গত ২৪ ঘণ্টায় দেশটিতে নতুন করে ৬৯৭ জন আক্রান্ত হয়েছে। লকডাউন শিথিলের পর সংক্রমণ বেড়েছে জার্মানিতে। নতুন করে ৯২ জন মারা গেছেন।
চীনে সুস্থ হলেন ৭৮ হাজার মানুষ
চীনে এখন পর্যন্ত ৮২ হাজার ৯১৮ জন আক্রান্ত হয়েছেন। মৃত্যু হয়েছে ৪ হাজার ৬৩৩ জনের। দেশটিতে মোট ৭৮ হাজার ১৪৪ জন মানুষ সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন। সংক্রমণের কেন্দ্রস্থল চীন এখন করোনা বিস্তার পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে নিয়ে এসেছে। দেশটিতে গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে ১৭ জন আক্রান্ত হয়েছেন। তবে নতুন করে কেউ মারা যাননি।
এছাড়া ফ্রান্সে ৫৬ হাজার ৭২৪ জন, ইরানে ৮৭ হাজার ৪২২ জন, ব্রাজিলে ৬৭ হাজার ৩৮৪ জন, কানাডায় ৩২ হাজার ৯৯৪ জন, সুইজারল্যান্ডে ২৬ হাজার ৮০০ জন, রাশিয়ায় ১ লাখ ৬ হাজার ৫৮৭ জন মানুষ সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন।
চীনের উহান শহরে গত বছর ডিসেম্বর থেকে দেখা যাওয়া এই নতুন ভাইরাস মূলত ফুসফুসে বড় ধরনের সংক্রমণ ঘটায়। জ্বর, কাশি, শ্বাস প্রশ্বাসের সমস্যাই মূলত প্রধান লক্ষ্মণ। নতুন ভাইরাসটির জেনেটিক কোড বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে এটি অনেকটাই সার্স ভাইরাসের মতো। এখনও পর্যন্ত এ ভাইরাসের কোনো প্রতিষেধক আবিষ্কার হয়নি।
ভিন্নবার্তা/এমএসআই
Editor: Rumana Jaman Shachi
Raipura House (2nd Floor), 5/A, Outer Circular Road
West Malibag, Dhaka-1217
Communication
E-mail: vinnabarta@gmail.com
Phone:+8802222220051