
ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে সৃষ্ট ভয়াবহ বন্যা ও ভূমিধসের ঘটনায় এশিয়ার চারটি দেশে মৃতের সংখ্যা এক হাজার ১৬০ জন ছাড়িয়ে গেছে। এই ভয়াবহ দুর্যোগে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে শ্রীলঙ্কা ও ইন্দোনেশিয়া। দুই দেশে জীবিতদের উদ্ধারে ও ত্রাণ বিতরণে সামরিক কর্মীদের মোতায়েন করা হয়েছে।
সোমবার (১ ডিসেম্বর) রাতে দেশগুলোর জরুরি পরিষেবা কেন্দ্রের বরাতে বার্তা সংস্থা এএফপি এ খবর জানায়।
গত সপ্তাহে তীব্র ও দীর্ঘস্থায়ী বর্ষণের ফলে দ্বীপরাষ্ট্র শ্রীলঙ্কা, ইন্দোনেশিয়ার সুমাত্রার বড় অংশ, দক্ষিণ থাইল্যান্ড এবং উত্তর মালয়েশিয়াজুড়ে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) এই অঞ্চলে দ্রুত সাড়াদানকারী দল ও জরুরি সরবরাহ পাঠাচ্ছে। সংস্থাটির প্রধান টেড্রোস আধানম ঘেব্রেইসাস এই পরিস্থিতিকে জলবায়ু পরিবর্তনের ফল বলে উল্লেখ করেছেন।
ইন্দোনেশিয়ার সুমাত্রায় বন্যা ও ভূমিধসে এখন পর্যন্ত অন্তত ৫৯৩ জন নিহত হয়েছেন এবং প্রায় ৪৭০ জন নিখোঁজ রয়েছেন। দেশটির প্রেসিডেন্ট প্রাবোও সুবিয়ান্তো পরিস্থিতি পরিদর্শনে গিয়েছেন। সরকার দ্রুত ত্রাণ পাঠানোর ওপর জোর দিয়েছে। এটি ২০১৮ সালের সুনামির পর ইন্দোনেশিয়ার সবচেয়ে মারাত্মক প্রাকৃতিক দুর্যোগ।
শ্রীলঙ্কায় ঘূর্ণিঝড় ‘ডিটওয়াহ’র প্রভাবে সৃষ্ট এই দুর্যোগে অন্তত ৩৯০ জন মারা গেছেন এবং ৩৫২ জন এখনো নিখোঁজ। দেশটির প্রেসিডেন্ট অনুরা কুমারা ডিসানায়েকা এই পরিস্থিতিকে ‘ইতিহাসের সবচেয়ে কঠিন প্রাকৃতিক দুর্যোগ’ আখ্যা দিয়েছেন। একইসঙ্গে দেশে জরুরি অবস্থা ঘোষণা করে আন্তর্জাতিক সহায়তা চেয়েছেন।
এ ছাড়া দক্ষিণ থাইল্যান্ডে বন্যায় কমপক্ষে ১৭৬ জন এবং উত্তর মালয়েশিয়ায় দুজন মারা গেছেন। টানা বৃষ্টির কারণে অনেক এলাকায় মানুষজন ছাদে আটকা পড়েছিলেন এবং বহু গ্রাম বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। এখন পরিস্থিতি মোকাবিলা ও পুনর্বাসনের কাজ জোরেশোরে চলছে
Editor: Rumana Jaman Shachi
Raipura House (2nd Floor), 5/A, Outer Circular Road
West Malibag, Dhaka-1217
Communication
E-mail: vinnabarta@gmail.com
Phone:+8802222220051