
পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেওয়া গণমুখী উদ্যোগগুলো রাষ্ট্রীয় সেবায় জবাবদিহি নিশ্চিত করেছে এবং জনগণের প্রত্যাশার প্রতিফলন ঘটিয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ও প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখপাত্র মাহদী আমিন।
সোমবার (১ জুন) প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ কথা বলেন তিনি। মাহদী আমিন বলেন, জনগণের ভোটে নির্বাচিত তারেক রহমানের সরকারের তিন মাস পূর্ণ হয়েছে। সময়ের হিসেবে এটি দীর্ঘ না হলেও একটি গণতান্ত্রিক সরকারের জন্য প্রতিটি দিনই জনগণের প্রতি অঙ্গীকার বাস্তবায়নের দিন। প্রতিটি মুহূর্ত দায়িত্ব পালনের পরীক্ষা এবং প্রতিটি পদক্ষেপ জবাবদিহি ও জনসেবার প্রতিফলন।
মাহদী আমিন বলেন, এই স্বল্প সময়ের মধ্যেই সরকার রাষ্ট্র পরিচালনায় স্বচ্ছতা, সুশাসন, জনকল্যাণ এবং মানুষের প্রত্যাশা পূরণের লক্ষ্যে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। জনগণের আস্থা ও বিশ্বাসই সরকারের সবচেয়ে বড় শক্তি উল্লেখ করে তিনি বলেন, সরকারের প্রতিটি উদ্যোগ, অর্জন ও চ্যালেঞ্জ সম্পর্কে জনগণকে অবহিত করা নৈতিক দায়িত্ব। সরকার চায় জনগণই তাদের কাজের বিচারক হোক।
শহীদ জিয়ার শাহাদতবার্ষিকী ও ‘নতুন রাজনৈতিক সংস্কৃতি’
সংবাদ সম্মেলনে মাহ্দী আমিন বিশেষভাবে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা, মহান স্বাধীনতার ঘোষক, বহুদলীয় গণতন্ত্রের প্রবর্তক এবং সাবেক রাষ্ট্রপতি শহীদ জিয়াউর রহমান বীর উত্তমের ৪৫তম শাহাদতবার্ষিকী পালনের প্রসঙ্গ তুলে ধরেন।
তিনি বলেন, মাত্র দুদিন আগে সারাদেশে গভীর শ্রদ্ধা, ভালোবাসা ও আবেগের মধ্য দিয়ে শাহাদতবার্ষিকী পালিত হয়েছে। এ আয়োজনের সবচেয়ে তাৎপর্যপূর্ণ দিক ছিল ফ্যাসিবাদের দীর্ঘ সংস্কৃতি ভেঙে জনগণের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা।
তার ভাষ্য অনুযায়ী, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশনায় কোথাও কোনো সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীকে অনুষ্ঠানে উপস্থিত হতে বলা হয়নি, কোনো কোমলমতি শিক্ষার্থীকে রোদের মধ্যে ঘণ্টার পর ঘণ্টা দাঁড় করিয়ে রাখা হয়নি এবং জনগণের অর্থ ব্যয় করে রাষ্ট্রীয় আড়ম্বরেরও আয়োজন করা হয়নি।
বরং দলের নেতাকর্মী, সমর্থক এবং সাধারণ মানুষের আবেগ, ভালোবাসা ও শ্রদ্ধাই কর্মসূচিগুলোকে সফল করেছে বলে মন্তব্য করেন তিনি।
মাহদী আমিন বলেন, অনেকের কাছেই বিস্ময়কর মনে হতে পারে যে রাষ্ট্র পরিচালনাকারী দলের প্রতিষ্ঠাতার শাহাদতবার্ষিকী রাষ্ট্রযন্ত্র ব্যবহার না করেও এত ব্যাপকভাবে পালিত হতে পারে। কিন্তু এটিই গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক সংস্কৃতির পরিবর্তিত ধারা, যেখানে মানুষের হৃদয়ের টানই সবচেয়ে বড় শক্তি, প্রশাসনিক নির্দেশ নয়।
তিনি অভিযোগ করেন, অতীতে বিভিন্ন দিবস উদযাপনের নামে সরকারি দপ্তর, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও প্রশাসনিক কাঠামো অপ্রয়োজনীয়ভাবে ব্যস্ত রাখা হয়েছে, রাষ্ট্রীয় সম্পদের অপচয় হয়েছে এবং নানা মহল থেকে অর্থ সংগ্রহের অভিযোগও ছিল। কিন্তু একটি দায়িত্বশীল রাজনৈতিক সংস্কৃতির লক্ষ্য হওয়া উচিত জনগণের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা, রাষ্ট্রীয় ক্ষমতার প্রদর্শন নয়।
তিনি বলেন, চার দশকেরও বেশি সময় পেরিয়ে গেলেও শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান কোটি মানুষের হৃদয়ে সমানভাবে প্রাসঙ্গিক। রাষ্ট্রযন্ত্র ব্যবহার করে সাময়িক জনপ্রিয়তা সৃষ্টি করা গেলেও জনগণের হৃদয়ে স্থায়ী আসন তৈরি করা যায় না। ইতিহাস সাক্ষী, ক্ষমতার বলয়ে নির্মিত জনপ্রিয়তা ক্ষণস্থায়ী; কিন্তু মানুষের ভালোবাসা ও আস্থার ভিত্তিতে গড়ে ওঠা নেতৃত্ব যুগের পর যুগ টিকে থাকে।
ঈদ ব্যবস্থাপনায় ১০ গণমুখী উদ্যোগ
মাহদী আমিন বলেন, টানা ১৬ বছরের ফ্যাসিবাদী দুঃশাসন ও জবাবদিহিহীনতার যে অচলাবস্থা তৈরি হয়েছিল, তা মুহূর্তেই বদলে ফেলা সম্ভব নয়। তবে এবারের ঈদুল আজহায় দেশের মানুষ রাষ্ট্রের আন্তরিক সদিচ্ছা ও জনকল্যাণমুখী প্রশাসনিক তৎপরতা প্রত্যক্ষ করেছে।
তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় এবারের ঈদকে কেন্দ্র করে ১০টি বিষয়ে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়। সেগুলো হলো— নির্বিঘ্ন ঈদযাত্রা নিশ্চিতকরণ, শ্রমিকদের বেতন-ভাতা পরিশোধ, দেশীয় পশুর বাজার সুরক্ষা, দ্রুত বর্জ্য অপসারণ, গণপরিবহনে শৃঙ্খলা, চাঁদাবাজি ও সিন্ডিকেট দমন, নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ, জননিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ, চামড়া খাতের সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনা এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের বাজার স্থিতিশীল রাখা।
ঈদযাত্রা ও সড়ক ব্যবস্থাপনা
তিনি বলেন, সাপ্তাহিক ছুটির সঙ্গে সমন্বয় করে সরকারি ছুটি এক সপ্তাহ পর্যন্ত বাড়ানো হয়। এর ফলে ঘরমুখো মানুষের চাপ একদিনে কেন্দ্রীভূত হয়নি এবং মহাসড়কে যানজট তুলনামূলকভাবে নিয়ন্ত্রণে ছিল। তবে সামগ্রিক ব্যবস্থাপনায় উন্নতি হলেও কিছু মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনা দেশের মানুষকে ব্যথিত করেছে বলে উল্লেখ করেন তিনি। বিশেষ করে টাঙ্গাইলের দুর্ঘটনা এবং ট্রেনের ধাক্কায় মা ও মেয়ের মৃত্যুর ঘটনা উল্লেখ করে তিনি গভীর শোক প্রকাশ করেন।
শ্রমিকদের বেতন-ভাতা পরিশোধ
পোশাক শিল্পসহ বিভিন্ন খাতের শ্রমিকদের ঈদের আগে বকেয়া বেতন ও বোনাস নিশ্চিত করতে সরকার, ব্যাংক, মালিকপক্ষ ও সংশ্লিষ্ট সংগঠনগুলোকে সম্পৃক্ত করে সমন্বিত উদ্যোগ নেওয়া হয় বলে জানান তিনি। তার দাবি, ফলে শিল্পাঞ্চলে বড় ধরনের অস্থিরতা বা মহাসড়ক অবরোধের ঘটনা ঘটেনি এবং শ্রমিকরা আর্থিক স্বস্তি নিয়ে ঈদ উদযাপন করতে পেরেছেন।
পশুর বাজারে স্বয়ংসম্পূর্ণতা
দেশীয় খামারিদের স্বার্থ রক্ষায় সীমান্ত দিয়ে অবৈধ গবাদিপশু প্রবেশ ঠেকাতে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছিল বলে জানান মাহদী আমিন। তিনি বলেন, প্রায় ১ কোটি ১ লাখ পশুর চাহিদার বিপরীতে দেশে কোরবানিযোগ্য পশু ছিল ১ কোটি ২৩ লাখ। এর ফলে প্রথমবারের মতো কোরবানির পশুতে স্বয়ংসম্পূর্ণতা নিশ্চিত হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, ভারতীয় গরুর অবৈধ প্রবেশ বন্ধ এবং সিন্ডিকেট নিয়ন্ত্রণে থাকায় দেশের ক্ষুদ্র ও মাঝারি ব্যবসায়ীরা উপকৃত হয়েছেন। রাস্তার বদলে খোলা জায়গায় পশুর হাট বসানোর কারণে যানজটও তুলনামূলকভাবে কম ছিল। তবে চাহিদার তুলনায় সরবরাহ বেশি থাকায় কিছু প্রান্তিক খামারি প্রত্যাশিত মূল্য পাননি বলেও তিনি স্বীকার করেন।
দ্রুত বর্জ্য অপসারণ ও প্রধানমন্ত্রীর সরেজমিন তদারকি
তিনি বলেন, ঢাকার দুই সিটি করপোরেশনসহ দেশের বিভিন্ন সিটি কর্পোরেশন ও পৌরসভায় ঈদের দিন থেকেই বিশেষ কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা হয়।ফলে অধিকাংশ এলাকায় ৮ থেকে ১২ ঘণ্টার মধ্যেই কোরবানির বর্জ্য অপসারণ সম্ভব হয়েছে। বিচ্ছিন্ন কিছু এলাকা ছাড়া প্রায় সর্বত্র ঈদের রাতের মধ্যেই পরিচ্ছন্নতা নিশ্চিত করা হয়।
পরিচ্ছন্নতাকর্মীদের প্রশংসা করে তিনি বলেন, পরিবারের সঙ্গে সময় না কাটিয়ে তারা শহর পরিচ্ছন্ন রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন। মাহদী আমিন জানান, ঈদের পরদিন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নিজে গাড়ি চালিয়ে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকা পরিদর্শন করেন এবং বর্জ্য অপসারণ কার্যক্রম সরেজমিনে পর্যবেক্ষণ করেন।
পরিদর্শনের সময় অবহেলার দায়ে ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের একাধিক আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তাকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়। এর মাধ্যমে সরকারের জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার অবস্থান স্পষ্ট হয়েছে বলে তিনি মন্তব্য করেন।
গণপরিবহনে শৃঙ্খলা
তিনি বলেন, অতিরিক্ত ভাড়া আদায় রোধে কঠোর নজরদারি ছিল। প্রথমবারের মতো রেল ও মেট্রোরেলে নারীদের জন্য সংরক্ষিত কোচ চালু করা হয় এবং প্রবীণ ও প্রতিবন্ধী যাত্রীদের জন্য বিশেষ ভাড়া ছাড় দেওয়া হয়।
এছাড়া লঞ্চে নির্ধারিত ভাড়ার ওপর ৫ থেকে ৮ শতাংশ ছাড়, হুইলচেয়ার ও ট্রলির ব্যবস্থা, কুলি ও হকারমুক্ত লঞ্চঘাট এবং দৃশ্যমান ভাড়ার তালিকা নিশ্চিত করা হয়। বছিলা ও কাঞ্চন ব্রিজ এলাকায় নতুন লঞ্চঘাট চালুর ফলে অনেক যাত্রীকে সদরঘাটে যেতে হয়নি বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
চাঁদাবাজি ও সিন্ডিকেটবিরোধী অভিযান
পশুবাহী ট্রাকে চাঁদাবাজি বন্ধ এবং হাটে ইজারাবহির্ভূত চাঁদা আদায় ঠেকাতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কার্যকর ভূমিকা পালন করেছে বলে দাবি করেন তিনি। এর ফলে বাজারে কৃত্রিম সংকট তৈরি হয়নি এবং পশুর দাম তুলনামূলক স্থিতিশীল ছিল বলে মন্তব্য করেন।
বিদ্যুৎ সরবরাহ
ঈদের ছুটিতে কলকারখানা বন্ধ থাকার সুযোগ কাজে লাগিয়ে বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে বিশেষ পরিকল্পনা নেওয়া হয় বলে জানান মাহ্দী আমিন। তিনি বলেন, তীব্র গরমের মধ্যেও দেশের অধিকাংশ এলাকায় লোডশেডিং সর্বনিম্ন পর্যায়ে রাখার চেষ্টা করা হয়েছে। একই সঙ্গে নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার বাড়াতে সরকার কাজ করছে।
সামাজিক সংবেদনশীলতা ও জননিরাপত্তা
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল বিভিন্ন বিষয় এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির ওপর বিশেষ নজরদারি রাখা হয়েছিল বলে জানান তিনি। আলোচিত ‘ডোনাল্ড ট্রাম্প’ নামের মহিষটিকে সংরক্ষণ করে চিড়িয়াখানায় পাঠানোর সিদ্ধান্তের ফলে সম্ভাব্য অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়ানো সম্ভব হয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
চামড়া শিল্প ও বাজার ব্যবস্থাপনা
কাঁচা চামড়ার ন্যূনতম মূল্য আগেভাগে নির্ধারণ, পর্যাপ্ত লবণ সরবরাহ এবং মাঠপর্যায়ে তদারকি জোরদারের কারণে অতীতের তুলনায় চামড়া অবিক্রীত থাকার ঘটনা কমেছে বলে দাবি করেন মাহ্দী আমিন। তিনি বলেন, কোথাও কোথাও সমস্যা হলেও সরকার ভবিষ্যতে চামড়ার ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করতে বহুমুখী উদ্যোগ নেবে।
বাজার স্থিতিশীলতা
চাল, ডাল, তেল, চিনি, মশলাসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের বাজারে বিশেষ টাস্কফোর্স নিয়মিত তদারকি চালিয়েছে বলে জানান তিনি। তার দাবি, আন্তর্জাতিক বাজারে চাপ থাকা সত্ত্বেও ঈদকে কেন্দ্র করে অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধি অনেকাংশে নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব হয়েছে।
সরকারের অঙ্গীকার
সংবাদ সম্মেলনের মাহ্দী আমিন বলেন, ১৬ বছরের প্রাতিষ্ঠানিক অবক্ষয় মাত্র তিন মাসে দূর করা সম্ভব নয়। তবে জনগণ এবার উপলব্ধি করেছে যে রাষ্ট্র তাদের প্রতি সংবেদনশীল এবং প্রশাসন কেবল ক্ষমতার কেন্দ্র নয়, বরং জনসেবার কার্যকর মাধ্যম।
তিনি বলেন, জনগণের ভোটে নির্বাচিত সরকারের প্রথম ঈদে মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী, উপদেষ্টা, সংসদ সদস্য এবং প্রশাসনের সর্বস্তরের কর্মকর্তাদের আন্তরিকতা ও দায়বদ্ধতা ছিল সর্বোচ্চ পর্যায়ে। কোথাও কোনো ঘাটতি থাকলে তা দ্রুত চিহ্নিত করে সমাধান করা হবে।
গণমানুষের নেতা তারেক রহমানের নেতৃত্বে আগামী দিনের সব চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা, আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা, গণতান্ত্রিক মূল্যবোধকে শক্তিশালী করা এবং সুশাসনের ধারাকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেওয়ার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করে তিনি বলেন, জনকল্যাণের এই অগ্রযাত্রায় সরকারের সাফল্য অনিবার্য।
সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন, স্পিচ রাইটার এস এ এম মাহফুজুর রহমান, ডেপুটি প্রেস সেক্রেটারি-১ জাহিদুল ইসলাম রনি, ডেপুটি প্রেস সেক্রেটারি মোস্তফা জুলফিকার হাসান, মো. সুজন মাহমুদ, শাহাদত হোসেন স্বাধীন, আশরোফা ইমদাদ, কে এম নাজমুল হক, আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ শাহরিয়ার পামির উপস্থিত ছিলেন। প্রেস সচিব সালেহ শিবলী ব্যক্তিগত কাজে লন্ডনে রয়েছেন বলে জানানো হয়।
Editor: Rumana Jaman Shachi
Raipura House (2nd Floor), 5/A, Outer Circular Road
West Malibag, Dhaka-1217
Communication
E-mail: vinnabarta@gmail.com
Phone:+8802222220051