রমজানে ইফতারির অন্যতম অনুষঙ্গ ছিল ফল। পুরো রমজানজুড়ে চড়া ছিল ফলের দাম। ঈদের দ্বিতীয় দিন কিছুটা কমেছে তরমুজের দাম। তবে আগের মতো চড়া দামে বিক্রি হচ্ছে বিদেশি ফল।
ঈদের ছুটিতে আত্মীয়-স্বজনের বাসায় যাচ্ছেন শহরবাসী, সঙ্গে যাচ্ছে ফল। বাড়তি দামে অস্বস্তিতে পড়েছেন মধ্য ও নিম্নবিত্ত শ্রেণির ক্রেতারা। সোমবার (২৩ মার্চ) রাজধানীর কয়েকটি বাজার ঘুরে এ চিত্র দেখা গেছে।
রোজার শুরুতে ফলের বাজার বেশ চড়া ছিল। তখন প্রতিকেজি তরমুজ বিক্রি হয়েছে ৮০ থেকে ১০০ টাকায়। রোজার শেষ দিকে ৭০ থেকে ৮০ টাকায় তরমুজ বিক্রি হয়েছে। তবে আজ প্রতিকেজি তরমুজ বিক্রি হচ্ছে ৫০ থেকে ৬০ টাকায়।
বিক্রেতারা জানান, এখন তরমুজের মৌসুম চলছে। বাজারে সরবরাহ প্রচুর। রোজায় তরমুজের চাহিদা ছিল বেশি, দামও বেশি ছিল। এখন চাহিদা কমে যাওয়ায় দাম কিছুটা পড়েছে।
মিরপুর-১১ এর ফল ব্যবসায়ী তোফাজ্জেল আলম বলেন, তরমুজের সরবরাহ এখন বেশি। দাম এখন ক্রেতার নাগালে।
ওই বাজারে তরমুজ কিনছিলেন শিমু নামের একজন ক্রেতা। তিনি বলেন, এক আত্মীয়ের বাসায় যাবো। তরমুজসহ অন্যান্য ফল কিনলাম। তরমুজের দাম কিছুটা কম, অন্য ফল ৩০০ টাকার নিচে কেনা যাচ্ছে না।
এদিকে তালতলা ও শেওড়াপাড়া বাজার ঘুরে দেখা গেছে, প্রতিকেজি বেদানা ৫০০ থেকে ৫৩০ টাকা, মাল্টা ৩০০ থেকে ৩২০ টাকা, আপেল ৩৫০ থেকে ৩৮০ টাকা, সাদা আঙুর ৩৫০ থেকে ৩৬০ টাকা, কমলা ৩২০ থেকে ৩৫০ টাকা, নাশপাতি ৩৮০ থেকে ৪০০ টাকা, আর গালা স্ট্রবেরি ৩৬০ থেকে ৪০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
সাজীদ আহমেদ নামে একজন ক্রেতা বলেন, পুরা রমজানেই ফলের দাম অনেক বেশি ছিল। ফল এখন মধ্যবিত্তের নাগালের বাইরে চলে গেছে। পরিবারে বয়স্ক লোক আছে, তাদের জন্য অল্প কিছু আপেল কিনলাম।
Editor: Rumana Jaman Shachi
Raipura House (2nd Floor), 5/A, Outer Circular Road
West Malibag, Dhaka-1217
Communication
E-mail: vinnabarta@gmail.com
Phone:+8802222220051