যুক্তরাষ্ট্রে পা রাখার পর থেকেই একের পর এক রেকর্ড নিজের দখলে নিচ্ছেন লিওনেল মেসি। ইন্টার মায়ামির এই মহাতারকা এবার আরেকটি ইতিহাস গড়েছেন। মেজর লিগ সকারের (এমএলএস) ইতিহাসে প্রথম কোনো ফুটবলার হিসেবে টানা চার ম্যাচে একাধিক গোল করলেন তিনি। আর্জেন্টাইন খুদে জাদুকরের ইতিহাস গড়ার দিনে টানা দ্বিতীয় জয় পেয়েছে ফ্লোরিডার ক্লাবটি।
বৃহস্পতিবার (১০ জুলাই) ফক্সবোরো ম্যাসাচুসেটসের জিলেট স্টেডিয়ামে জোড়া গোল করেছেন মেসি। আর্জেন্টাইন তারকার আলো ছড়ানোর দিনে নিউ ইংল্যান্ড রেভল্যুশনকে ২-১ ব্যবধানে হারিয়ে গুরুত্বপূর্ণ এক জয় তুলে নিয়েছে মায়ামি। এতে ইস্টার্ন কনফারেন্সের পয়েন্ট তালিকায় পঞ্চম স্থানে উঠে এসেছে মেসিরা। অন্যদিকে নিউ ইংল্যান্ড টানা দ্বিতীয় ম্যাচে হারের সঙ্গে সর্বশেষ পাঁচ ম্যাচে জয়ের মুখ দেখেনি।
ফিফা ক্লাব বিশ্বকাপের শেষ ষোলো থেকে বিদায়ের পর গত শনিবার মন্ট্রিয়ালের বিপক্ষে ৪-১ গোলের জয়ের ম্যাচে দুর্দান্ত পারফরম্যান্সে জোড়া গোল করেছিলেন মেসি। অর্থাৎ আটবারের ব্যালন ডি’অরজয়ী তারকা সর্বশেষ দুই ম্যাচে চার গোল ও একটি অ্যাসিস্ট করেছেন। মেসিই এমএলএস ইতিহাসে প্রথম খেলোয়াড়, যিনি চারটি টানা ম্যাচে একাধিক গোল করেছেন এবং প্রতিটিতেই তার দল জয় পেয়েছে।
এ নিয়ে চলতি মৌসুমে ১৪ গোল করলেন মেসি। সব প্রতিযোগিতা মিলিয়ে এই মৌসুমে আর্জেন্টাইন তারকার গোলের সংখ্যা ২০টি। অবশ্য নিউ ইংল্যান্ডের সঙ্গে ভালোই লড়াই করতে হয়েছে মায়ামিকে। বল দখলে মায়ামি এগিয়ে থাকলেও, আক্রমণে এগিয়ে ছিল নিউ ইংল্যান্ড। মায়ামি ৫৬ শতাংশ পজেশন নিয়ে ১৩টি শট নেয় (লক্ষ্যে ছিল ৩টি)। বিপরীতে ১৬ শটের মধ্যে ৬টি লক্ষ্যে রাখতে পারে নিউ ইংল্যান্ড রেভল্যুশন।
তবে প্রথমে এগিয়ে যায় মায়ামি-ই। মেসির প্রথম গোল আসে ২৭ মিনিটে। নিউ ইংল্যান্ডের ডিফেন্স বল ক্লিয়ার করতে ব্যর্থ হলে বক্সে ঢুকে দ্রুতগতির শটে দলকে ১-০ তে এগিয়ে নেন মেসি। আর্জেন্টাইন ফুটবল জাদুকর দ্বিতীয় গোল করেন ৩৮ মিনিটে। এবার তাকে অ্যাসিস্ট করেন সার্জিও বুসকেটস।
নিউ ইংল্যান্ড ম্যাচের ৭৯ মিনিটে ব্যবধান কমায়। কার্লেস গিল বক্সের বাইরে বল নিয়ন্ত্রণে নিয়ে দারুণ এক শটে মিয়ামির গোলরক্ষক অস্কার উস্তারিকে পরাস্ত করেন। ম্যাচের বাকি সময় এবং অতিরিক্ত ৫ মিনিটে উস্তারি ও মিয়ামির রক্ষণভাগ দৃঢ়ভাবে প্রতিরোধ গড়ে তোলে। যে কারণে আর গোল পায়নি নিউ ইংল্যান্ড।
এমএলএসের ইস্টার্ন কনফারেন্সে বর্তমানে মায়ামির অবস্থান পাঁচ নম্বরে। ১৮ ম্যাচে ১০ জয়ে তাদের পয়েন্ট ৩৫। সাত পয়েন্টের ব্যবধানে সবার শীর্ষ এফসি সিনসিনাতি। যদিও মায়ামি তাদের সামনে থাকা চার দলের চেয়ে তিন ম্যাচ কম খেলেছে। অপরদিকে, ২০ ম্যাচে ২৪ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের ১১তম স্থানে নিউ ইংল্যান্ড।
Editor: Rumana Jaman Shachi
Raipura House (2nd Floor), 5/A, Outer Circular Road
West Malibag, Dhaka-1217
Communication
E-mail: vinnabarta@gmail.com
Phone:+8802222220051