1. [email protected] : admin : jashim sarkar
  2. [email protected] : admin_naim :
  3. [email protected] : admin_pial :
  4. [email protected] : admin : admin
  5. [email protected] : Rumana Jaman : Rumana Jaman
  6. [email protected] : Saidul Islam : Saidul Islam
৩০০ কারখানার বোনাস ও মজুরি নিয়ে আশঙ্কায় বিজিএমইএ |ভিন্নবার্তা

৩০০ কারখানার বোনাস ও মজুরি নিয়ে আশঙ্কায় বিজিএমইএ

vinnabarta.com
  • প্রকাশ : মঙ্গলবার, ৪ মে, ২০২১, ০৫:০০ পূর্বাহ্ন

ঈদের আগে তিন শতাধিক পোশাক কারখানায় মজুরি ও উৎসব ভাতা নিয়ে সংকট তৈরি হওয়ার আশঙ্কা করছে বিজিএমইএ, বিকেএমইএ ও শিল্প পুলিশ। অন্যদিকে দেড় শতাধিক কারখানা এখনো গত মার্চ মাসের মজুরি দিতে পারেনি বলে জানা গেছে।

অবশ্য কারখানার মালিকরা আশা করছেন, করোনার কারণে সরকার গত বছরের মতো এবারও তাঁদের প্রণোদনা দিয়ে সহযোগিতা করবে। গত সপ্তাহে বিজিএমইএ, বিকেএমইএ এবং বিটিএমএ মিলে সাড়ে ১০ হাজার কোটি টাকার প্রণোদনার জন্য অর্থমন্ত্রীর কাছে চিঠি দিয়েছে।

শ্রমিক সংগঠনের নেতারা মনে করছেন, পোশাক খাতের প্রবৃদ্ধি ভালো, কারখানায় এখন পর্যাপ্ত কাজ। শ্রমিকরা কারখানায় অতিরিক্ত কাজও করছেন। এ অবস্থায় শ্রমিকদের জিম্মি করে প্রণোদনার আশায় মজুরি দিতে বিলম্ব করলে বড় ধরনের শ্রমিক অসন্তোষ দেখা দিতে পারে।

শিল্প পুলিশের উপমহাপরিদর্শক মাহবুবুর রহমান বলেন, এখনো মার্চ মাসের বকেয়া মজুরি পরিশোধ করেনি দেড় শতাধিক কারখানা। আর সরকারের ঠিক করে দেওয়া নির্দিষ্ট সময়ে ঈদ বোনাস ও মজুরি নিয়ে বেশ কিছু কারখানায় সংকট রয়েছে। এসব নিয়ে এরই মধ্যে খাতসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সঙ্গে মতবিনিময় হয়েছে কিভাবে সংকটের সমাধান করা যায়। বিশেষ করে আশুলিয়া ও গাজীপুরে ছোট ও মাঝারি কারখানাগুলোয় এমন সংকট রয়েছে।

বিজিএমইএ সহসভাপতি শহীদুল্লাহ আজিম বলেন, করোনার প্রভাবে রপ্তানি আয় কমেছে। তাই প্রণোদনার কথা জানিয়ে অর্থমন্ত্রীর কাছে চিঠি দিয়েছি। অর্থায়নের ব্যবস্থা না হলে ছোট ও মাঝারি শিল্প-কারখানাগুলোয় বেতন-ভাতা নিয়ে বিশৃঙ্খলা তৈরি হতে পারে। এ জন্য এপ্রিল, মে ও জুন মাসের জন্য আমরা ২ শতাংশ হারে সরকারের কাছে ছয় হাজার কোটি টাকা ঋণ চেয়েছি। প্রণোদনা না পেলে প্রায় ৩০০ কারখানার পক্ষে শ্রমিকদের বেতন-বোনাস দেওয়া কঠিন হয়ে পড়বে।

আন্তর্জাতিক শ্রমিক সংগঠন ইন্ডাস্ট্রিয়াল বাংলাদেশের সাবেক মহাসচিব তৌহিদুর রহমান বলেন, ‘সরকার লকডাউন দেওয়ার পরও মালিকরা জোর করে কারখানা খোলা রেখেছেন। কারণ তাঁদের কাছে পর্যাপ্ত কাজ আছে। গত শুক্রবারও অতিরিক্ত কাজ করেছেন শ্রমিকরা। আর শ্রমিকদের মজুরি ও বোনাস দেওয়ার নামে মালিকরা যে প্রণোদনা চান তা মোটেও সমর্থনযোগ্য নয়। মজুরি ও বোনাস না দিলে আমরা আশঙ্কা করছি, অন্তত ২০০টি কারখানায় শ্রমিক অসন্তোষ তৈরি হতে পারে। আগামী ২৫ রমজানের মধ্যে শ্রমিকদের মজুরি ও উৎসব ভাতা দেওয়ার দাবি জানাই।’

সিপিডির গবেষণা পরিচালক খন্দকার গোলাম মোয়াজ্জেম বলেন, তৈরি পোশাক খাতের প্রবৃদ্ধি ভালো এবং আয়ও ভালো।

ভিন্নবার্তা ডটকম/পিকেএইচ

আরো পড়ুন

মাসিক আর্কাইভ

© All rights reserved © 2021 vinnabarta.com
Customized By Design Host BD