1. [email protected] : admin : jashim sarkar
  2. [email protected] : admin_naim :
  3. [email protected] : admin_pial :
  4. [email protected] : admin : admin
  5. [email protected] : Rumana Jaman : Rumana Jaman
  6. [email protected] : Saidul Islam : Saidul Islam
২০৩৫ সালের মধ্যে শহরে বাস করবে দেশের মোট জনসংখ্যার অর্ধেক |ভিন্নবার্তা

২০৩৫ সালের মধ্যে শহরে বাস করবে দেশের মোট জনসংখ্যার অর্ধেক

vinnabarta.com
  • প্রকাশ : শনিবার, ২৯ আগস্ট, ২০২০

বাংলাদেশের দ্রুত নগরায়ণের ফলে বস্তির প্রসারও বেড়েছে। শহরের বস্তি এলাকায় বসবাসকারী মানুষের সংখ্যাও তুলনামূলক হারে অনেক বেশি।

২০৩৫ সালের মধ্যে বাংলাদেশের অর্ধেক মানুষ শহরে বাস করবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। ২০৩০ সাল নাগাদ লক্ষ্য হলো শহরে বস্তিবাসীর সংখ্যা ২০ শতাংশে রাখা। ইউএন-হ্যাবিট্যাট বা জাতিসংঘ আবাসনের তথ্য অনুসারে, ২০১৪ সালে শহরে জনসংখ্যার ৫৫ দশমিক ১ শতাংশ বস্তিতে বসবাস করত।

বর্তমানে শহরে বসবাসকারী মানুষের ৬০ শতাংশের বেশি ঢাকা, চট্টগ্রাম, খুলনা ও রাজশাহীতেই ঘনীভূত। ২০৩০ সাল নাগাদ গ্রাম থেকে শহরে আভিবাসনের এই ধারা আরও সুস্পষ্ট হবে। জেলা পর্যায়ে নগরায়ণের ধারা সাতক্ষীরায় ৭ দশমিক ২ শতাংশ থেকে শুরু করে ঢাকায় তা ৯০ শতাংশের উপরে রয়েছে।

ঢাকা ধূলিদূষণ, জলাবদ্ধতা, বর্জ্য নিঃসরণে দেরি ও যানজটের মত সমস্যায় জর্জরিত। সম্প্রতি পরিকল্পনা কমিশনের সাধারণ অর্থনীতি বিভাগ (জিইডি) ‘টেকসই উন্নয়ন অভীষ্ট: বাংলাদেশ অগ্রগতি প্রতিবেদন-২০২০’ শীর্ষক একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। জিইডির প্রকাশিত প্রতিবেদনে এসব তথ্য উঠে এসেছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নগরাঞ্চলে আবাসনের তুমুল চাহিদা থাকলেও যোগান খুবই সীমিত। ঢাকায় আবাসনের বৈশিষ্ট্যের মধ্যে রয়েছে মানুষের ভূমি উন্নয়ন, দুর্বল ব্যবস্থাপনা এবং দরিদ্রদের আবাসনের প্রাপ্যতা নিশ্চিতে নিয়ন্ত্রণের অভাব। জনসংখ্যার বেশিরভাগই ভাড়াটিয়া-বস্তিবাসী। বস্তির ৯৬ শতাংশ পরিবারই নিম্নমানের ঘরে (পাকা নয়) বাস করে। নাগরিকদের প্রায় ৪৪ শতাংশ কোনো একসময় একেবারেই অস্থায়ী কাঠামোয় বসবাস করতো। ২৯ শতাংশ বাস করতো আধাস্থায়ী কাটামোয়। এতে বোঝা যায়, সাম্প্রতিক বছরগুলোয় ঘরবাড়ির মানোন্নয়ন ঘটেছে।

এসডিজির ১১ নম্বর লক্ষ্য অর্জনে বৈশ্বিক প্রেক্ষিতে বলা হয়েছে, পৃথিবীতে জনসংখ্যার অর্ধেকের বেশি শহরে বাস করে। ২০৫০ সালের মধ্যে প্রায় সাড়ে ৬০০ কোটি মানুষ শহরে বাস করবে বলে প্রতিবেদনে উঠে এসেছে। এজন্য শহরের টেকসই উন্নয়নে নির্মাণশৈলী ও ব্যবস্থাপনার পরিবর্তন করতে হবে। বর্তমানে বর্ধনশীল জনসংখ্যা ও অভিবাসনের ফলে শহরগুলোতে দ্রুত বিস্তৃতি ঘটছে। শহরকে টেকসই করার অর্থ হচ্ছে ব্যবসা-বাণিজ্য ও কর্মসংস্থানের সুযোগ, নিরাপদ ও সাশ্রয়ী আবাসন সমাজ ও অর্থনীতি প্রতিষ্ঠা করতে হবে।

এছাড়াও প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ১৯৯০ ও ২০১৬ সালের মধ্যে বিশ্বব্যাপী শহরে বসবাসকারী মানুষের মধ্যে বস্তিবাসীর সংখ্যা ৪৬ থেকে ২৩ শতাংশে নেমেছে। মূলত শহরের নিজস্ব জনসংখ্যা বৃদ্ধি এবং গ্রাম থেকে বেশি মানুষ শহরে অভিবাসন করায় এই উন্নতি ম্লান হয়েছে। ২০১৬ সালে পৃথিবীতে প্রায় ১০০ কোটি মানুষ বস্তি কিংবা অনানুষ্ঠানিক আবাসস্থলে বাস করতো। এরমধ্যে ৫৮ কোটি ৯০ লাখ মানুষ বাস করতো পূর্ব, দক্ষিণ-পূর্ব, মধ্য ও দক্ষিণ এশিয়ায়। বিশ্বব্যাপী জনসংখ্যার তুলনায় নগর অঞ্চলের পরিধি আরও দ্রুত হারে বাড়ছে। ২০০০-২০১৪ সালের মধ্যে নগর এলাকা জনসংখ্যার তুলনায় ১ দশমিক ২৮ শতাংশ গুণ দ্রুত গতিতে বেড়েছে। এ ধারার সঙ্গে সম্পর্ক রেখে শহরগুলোর ঘনত্ব কমছে। নগর অঞ্চলের পরিধি বৃদ্ধির এই ধারা স্থানীয়, আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক পরিবেশগতভাবে গভীর প্রভাব পড়ার আশঙ্কা থাকছে।

টেইসই নগরায়ণ নিশ্চিত করার জন্য নগর প্রবৃদ্ধির সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনা গুরুত্বপূর্ণ বলে উল্লেখ করা হয়েছে প্রতিবেদনে।

ভিন্নবার্তা ডটকম/পিকেএইচ

আরো পড়ুন

© All rights reserved © 2021 vinnabarta.com
Customized By ProfessionalNews