1. [email protected] : admin : jashim sarkar
  2. [email protected] : admin_naim :
  3. [email protected] : admin_pial :
  4. [email protected] : admin : admin
  5. [email protected] : Rumana Jaman : Rumana Jaman
  6. [email protected] : Saidul Islam : Saidul Islam
সৈয়দপুরে কৃষকের মাথায় হাত |ভিন্নবার্তা

সৈয়দপুরে কৃষকের মাথায় হাত

ভিন্নবার্তা প্রতিবেদক
  • প্রকাশ : শুক্রবার, ২৩ এপ্রিল, ২০২১, ১১:২১ অপরাহ্ন

প্রচন্ড তাপদাহে সৈয়দপুরে ব্রি-২৮ ধানের শিষে ব্লাষ্ট রোগের আক্রমন দেখা দিয়েছে। এতে ধানের শীষ শুকিয়ে চিটায় পরিণত হওয়ায় লোকসানের কবলে পথে বসেছেন কৃষকরা।

সৈয়দপুর উপজেলার ৫ ইউনিয়ন ও পৌর এলাকার ইরি-বোরো ক্ষেত ঘুরে দেখা যায়, সারি-সারি সবুজ ধানগাছ। সবগুলোতেই ধান ধরেছে। তবে ব্রি-২৮ ধানের ক্ষেতগুলো হলুদ বর্ণ ধারণ করেছে। অনেকে সেগুলো কাটা মাড়াই করছে। তবে ধান গাছগুলোর শিষের নিচের অংশে কালো দাগে পচন ধরে খাদ্য সরবরাহ বন্ধ হয়েছে। ফলে দানা না থাকায় চিটায় ভরে গেছে।

আর ব্রি-২৮ উপজাতের ধানে এই রোগের বেশি প্রকোপ দেখা গেছে। এতে এই ধান চাষাবাদে অনেক কৃষক তার লোকসানের কবলে স্বর্বস্ব হারিয়ে পথে বসেছে।

কৃষি অফিসের তৎপরতা ও পরামর্শ থাকলেও আগাম ইরি বা ব্রি-২৮ চাষিরা বর্তমানে তাদের ধান কাটা মাড়াই করছে। সৈয়দপুর শহর রক্ষা বাধের চাষি মুক্তা বলেন, এখানে প্রায় ৫০একরের মধ্যে ব্রি-২৮ ধান চাষাবাদ করা হয়েছে। বিশাল এ এলাকার প্রায় ৭৫ ভাগ ধানে কোন দানা পাওয়া যায়নি। চিটা ধান কাটা-মাড়াই করে,ঋন করে কৃষি মজুরি পরিশোধ করতে হচ্ছে। এ অবস্থা প্রায় উপজেলার সকল ব্রি-২৮ আগাম চাষিদের।
সৈয়দপুর উপজেলার কামারপুকুর ইউনিয়নের রফিকুল,মানিক,খলিল,আবু,ফজলু,সাইফুল ও
পৌর এলাকার বাঁশবাড়ি,কুন্দল, বাইপাস সড়ক ও মিস্ত্রিপাড়া এলাকার কৃষক মো: শরিফুল হক, মো: রফিকুল ইসলাম , মো: মজিবর রহমান, মো: আনিছুর রহমান, মো: আতিয়ার রহমান আমজাদ আলী নামের কৃষকরা জানান, এবার বেশির ভাগ জমিতে বোরো ধানের চাষ হয়েছে। এর মধ্যে ব্রি-২৮ জাত বেশি। এতে সমস্ত ব্রি-২৮ জাতের ধানক্ষেত নেক ব্লাস্ট রোগে আক্রান্ত হয়েছে। আক্রান্ত ক্ষেত থেকে তাঁর ধান পাওয়া যাচ্ছে না। তবে কাচা ব্রি-২৮ ধানের পরিচর্যা চলছে স্থানিয় কৃষি অফিসের পরামর্শে।

তাই আশা করছি নতুন আক্রান্ত বাড়বে না। সৈয়দপুর শহরের কৃষি ওষুধ বিক্রেতারা জানান, প্রতিদিন উপজেলার ৫ ইউনিয়নসহ পৌর এলাকার প্রায় শত-শত কৃষক ব্লাষ্ট রোগের ওষুধ কিনতে আসছে। তারা স্থানীয় কৃষি অফিসের ব্যবস্থাপত্র অনুযায়ি ওষুধ কিনছে। বাজারে ছত্রাকনাশকের কোন সংকট নেই। তাই সমস্যা হবে না।
সৈয়দপুর কৃষি অফিস জানায়, চলতি ইরি-বোরো মৌসুমে এ উপজেলায় প্রায় ৭ হাজার ৬ শত হেক্টর জমিতে ধান চাষাবাদ করা হয়েছে। এর মধ্যে ব্রি-২৯,ব্রি-২৮, ব্রি-১৬, ব্রি-৫০ ও হাইব্রিড উপজাত চাষাবাদ করা হয়েছে। এর মধ্যে ব্রি-২৮ উপজাতের ধান ৪৫ ভাগ চাষাবাদ করা হয়েছে। আর ব্রি-২৮ ধানে ধরেছে এ মহামারি ব্লাষ্ট রোগ।
ছত্রাকজনীত এ রোগের প্রার্দুভাব হচ্ছে তাপদাহের কারণে। দিনে গরম ও রাতে শীত। এতে লিফ ব্লাস্ট ও নেক ব্লাস্ট দেখা দিয়েছে।

লিফ ব্লাস্ট ধানের পাতা ও নেক ব্লাস্ট শিষের নিচের অংশে হয়েছে। প্রতিরোধে ছত্রাক নাশক ট্রাইসাই কোনাজল সাথে প্রপিকোনাজল জাতীয় ওষুধ স্প্রে করার পরামর্শ দেয়া হচ্ছে। এতে নতুন করে কোন শিষ আর এ রোগে আক্রান্ত হবে না বলে জানান সৈয়দপুর কৃষি অফিসার শাহিনা বেগম। তবে অতিরিক্ত তাপদাহে এ রোগ ছড়াচ্ছে। তাই ওষুধের পাশাপাশি বৃষ্টিপাত হলেই রোগের প্রকোপ কমবে বলে তিনি মতামত প্রকাশ করেন।

ভিন্নবার্তা/এমএসআই

আরো পড়ুন

মাসিক আর্কাইভ

© All rights reserved © 2021 vinnabarta.com
Customized By Design Host BD