1. [email protected] : admin : jashim sarkar
  2. [email protected] : admin_naim :
  3. [email protected] : admin_pial :
  4. [email protected] : admin : admin
  5. [email protected] : Rumana Jaman : Rumana Jaman
  6. [email protected] : Saidul Islam : Saidul Islam
সিনহা হত্যা মামলায় প্রভাবমুক্ত তদন্ত করা হবে: র‌্যাব |ভিন্নবার্তা

সিনহা হত্যা মামলায় প্রভাবমুক্ত তদন্ত করা হবে: র‌্যাব

vinnabarta.com
  • প্রকাশ : শনিবার, ৮ অগাস্ট, ২০২০, ১১:০৪ অপরাহ্ন

সেনাবাহিনীর মেজর (অব.) সিনহা মোহাম্মদ রাশেদ খান হত্যা মামলায় সম্পূর্ণ প্রভাবমুক্ত ও নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করা হবে বলে জানিয়েছেন র‌্যাবের আইন ও গণমাধ্যম শাখার পরিচালক লেফটেন্যান্ট কর্নেল আশিক বিল্লাহ।

তিনি জানান, প্রদীপ কুমার দাশসহ ৯ আসামির মধ্যে ৭ জন আদালতের নির্দেশে কারাগারে আছেন। তাদের সাতদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। তাদেরকে এরই মধ্যে পুলিশ থেকে বরখাস্ত করা হয়েছে। র‌্যাব এখনো তাদের হেফাজতে নেয়নি। আশা করা যাচ্ছে, আগামীকাল (রোববার) তাদের র‌্যাব হেফাজতে নেয়া হবে।

কারাগার থেকে পর্যায়ক্রমে র‌্যাব-১৫ (কক্সবাজার) অধীন রিমান্ডে এনে তাদের বিস্তারিত জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে বলে জানান আশিক বিল্লাহ।

তিনি জানান, র‌্যাব সম্পূর্ণ প্রভাবমুক্ত ও নিরপেক্ষভাবে তদন্তকাজ পরিচালনা করবে। এক প্রশ্নের জাবাবে তিনি জানান, মামলার অন্য দুই আসামির (টুটুল ও মোস্তফা) বিষয়ে আমরা খোঁজ-খবর নিচ্ছি।

সিনহা হত্যার ঘটনায় কক্সবাজারের এসপি এবিএম মাসুদ হোসেনকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে কিনা জানতে চাইলে র‌্যাব পরিচালক বলেন, টেকনাফ স্থানীয় পুলিশ সদস্যদের সঙ্গে কক্সবাজারের এসপির যে ফোনালাপটি ফাঁস হয়েছে সেটি র‌্যাবের নজরে এসেছে। এটি যাচাই করা হচ্ছে। এটি যাচাই এবং আনুষঙ্গিক বিষয় পর্যালোচনা শেষে এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।

তিনি জানান, মেজর (অব.) সিনহার বোন যে মামলা করেছেন এই মামলার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সাক্ষী সিফাত। অপরদিকে পুলিশ যে মামলা করেছে সে মামলায় সিফাত একজন আসামি। তাদের খোয়া যাওয়া ল্যাপটপ, হার্ডডিস্ক ইত্যাদি উদ্ধারে র‌্যাবের তদন্ত কর্মকর্তা প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবেন।

এক প্রশ্নের জবাবে র‌্যাব পরিচালক আশিক বিল্লাহ বলেন, হত্যাকাণ্ডের উদ্দেশ্য কী ছিল- সে বিষয়টিতে প্রাধান্য দিয়েই তদন্ত চলছে। কেবল হত্যাকাণ্ডের বিষয়টিকে ঘিরেই তদন্ত চলবে। যেসব পুলিশ সদস্যদের বিরুদ্ধে হত্যাকাণ্ডের অভিযোগ এসেছে তারা যদি অন্যান্য অপরাধের সঙ্গে জড়িত থাকে তাহলে সেটি এই মামলার তদন্তে প্রতিফলিত হবে না। তবে অন্যান্য অভিযোগের বিষয়ে যদি কোনো ভিকটিভ পৃথক মামলা করে, সেক্ষেত্রে আদালত র‌্যাবকে তদন্তের দায়িত্ব দিলে র‌্যাব সেটিরও তদন্ত করবে।

গত ৩১ জুলাই রাত সাড়ে ১০টার দিকে কক্সবাজার-টেকনাফ মেরিন ড্রাইভের বাহারছড়া ইউনিয়নের শামলাপুর চেকপোস্টে পুলিশের গুলিতে নিহত হন মেজর (অব.) সিনহা মোহাম্মদ রাশেদ খান। এ ঘটনায় ৫ আগস্ট তৎকালীন ওসি প্রদীপসহ ৯ জনকে আসামি করে কক্সবাজার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হত্যা মামলা করেন সিনহার বড় বোন শারমিন শাহরিয়া ফেরদৌস। প্রদীপ কুমার দাশ ছাড়াও অন্য যাদের আসামি করা হয়েছে তারা হলেন- গুলিবর্ষণকারী ইন্সপেক্টর লিয়াকত, এসআই নন্দ দুলাল রক্ষিত, কনস্টেবল সাফানুর করিম, কামাল হোসেন, আবদুল্লাহ আল মামুন ও এএসআই লিটন মিয়া।

এর আগে গত ২ আগস্ট বাহারছড়া পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ ইন্সপেক্টর লিয়াকত আলীসহ সবাইকে প্রত্যাহার করে জেলা পুলিশ লাইনসে নেয়া হয়। আর ওসি প্রদীপকে গত বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) চট্টগ্রাম থেকে নিজেদের হেফাজতে নেয় পুলিশ। ওইদিন বিকালেই ওসি প্রদীপ, ইন্সপেক্টর লিয়াকতসহ সাত পুলিশ সদস্যকে আদালতে তোলা হয়। আসামিপক্ষ ও বাদিপক্ষের আবেদনের ওপর শুনানি শেষে আদালত আসামিদের কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। এরপরই মামলার তদন্ত কর্মকর্তা কক্সবাজারস্থ র‌্যাব-১৫ ব্যাটালিয়নের কমান্ডার আজিম আহমেদ আসামিদের ১০ দিনের রিমান্ড চেয়ে আবেদন করলে ওসি প্রদীপ, ইন্সপেক্টর লিয়াকত ও এসআই নন্দ দুলালকে সাত দিনের রিমান্ডে নেয়ার আদেশ দেন। আর বাকি চারজনকে জেলগেটে জিজ্ঞাসাবাদের নির্দেশ দেন।

শনিবার বিকাল ৩টার পর থেকে কক্সবাজার জেলা কারাগারের ফটকে মামলার আসামি সাময়িক বরখাস্ত হওয়া চার পুলিশ সদস্যকে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করে র‍্যাবের তদন্ত দল।

ভিন্নবার্তা/এসআর

আরো পড়ুন

মাসিক আর্কাইভ

© All rights reserved © 2021 vinnabarta.com
Customized By Design Host BD