1. admin-1@vinnabarta.com : admin : admin
  2. admin-2@vinnabarta.com : Rumana Jaman : Rumana Jaman
  3. admin-3@vinnabarta.com : Saidul Islam : Saidul Islam
  4. bddesignhost@gmail.com : admin : jashim sarkar
  5. newspost2@vinnabarta.com : ebrahim-News :
  6. vinnabarta@gmail.com : admin_naim :
  7. admin_pial@vinnabarta.com : admin_pial :
শিরোনাম :
জালিয়াতি করে সম্পত্তি দখলের অভিযোগ

সাংবাদিক নার্গিস জুইয়ের পরিবারকে ঘরবন্দি রাখছে ভাশুররা

ভিন্নবার্তা প্রতিবেদক
  • প্রকাশের সময় : বুধবার, ১৫ জুলাই, ২০২০ ৭:২৩ pm

বাংলাদেশ টেলিভিশনের সাংবাদিক নার্গিস জুই তার পরিবার নিয়ে কয়েকদিন ধরে ঘরবন্ধি রয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। সাংবাদিক জুইর স্বামী সৈয়দ শাহনেওয়াজ হোসেন এর বড় ভাই সৈয়দ দেলোয়ার হোসেন ও তার ছেলে সৈয়দ আরমান  হোসেন ও সেজো ভাই সৈয়দ মঞ্জুর হোসোনের সাথে র্দীঘদিন ধরে ৩/১৩/বি প্রতাপ দাশ লেন। শিংটোলা। থানা সূত্রাপুর ঢাকার বাড়িটি নিয়ে দ্ব›দ্ব থাকায় তাদের নানাভাবে হুমকি ধমকি দেয়ায় সাংবাদিক জুই ও তার পরিবার ভয়ে ঘরথেকে বের হতে পারছে না বলে অভিযোগ করেছেন তিনি। এ বিষয়ে সূত্রাপুর থানায় একটি জিডি করা হয়েছে। যার নাম্বার ৫৯৯।

সাংবাদি নার্গিস জুইর স্বামী  সৈয়দ শাহনেওয়াজ হোসেন অভিযোগ করেছেন, তার শশুরের টাকায় কেনা জায়গায় ও  শশুরের টাকায়,  তার দুই ভাই সৈয়দ দেলোয়ার হোসেন ও সৈয়দ মঞ্জুর হোসেন মিলে দুই বছর আগে সাত তলা ভবন নির্মাণ করেছেন। ভবন নির্মাণের আগে সবাই মিলে ঘরোয়া বণ্টনামা করা হয়েছে। তিনি বলেন, এতে সিদ্ধান্ত হয়, নীচ তলা তিন ভাইর জন্য এজমালী থাকবে। সেখানে দারোয়ান ও ড্রাইভার থাকবে। ২য় ও ৩য় তলায় আমি থাকবো। ৪র্থ ও ৬ তলা আমার বড় ভাই সৈয়দ দেলোয়ার হোসেন ও ৫ম  ও ৭ম তলা আমার সেজো ভাই সৈয়দ মঞ্জুর হোসেন প্রাপ্ত হবে। এছাড়া, ছাদ সবার জন্য উম্মুক্ত থাকবে। এসব বিষয়ে সিদ্ধান্ত হয়ে আমার কাছ থেকে আমার দুই ভাই চুক্তিনামা দলিলে সই নেয়। আমি বেশ কিছুদিন যাবত লিখিত ও স্বাক্ষরিত চুক্তিনামা দলিলের কপি চাইলে আমাকে দেই দিচ্ছি বলে শুধু শুধু হয়রানি করছে। এখন আমি আমার উত্ত চুক্তিনামা  কপি চাইলে আমাকে বাড়ির কোন ফ্ল্যাট দিবে না বলে তারা সাফ জানিয়ে দিয়েছে।

বিভিন্ন  সময় জোর করে আমার  ভাইরা খালি স্ট্যাম্পে বাসায় আমার কাছ থেকে  স্বাক্ষর নেয় ।এতে আমি হতবাক হয়ে পরি। এখন আমার বড় ভাই সৈয়দ দেলোয়ার হোসেন বলছে আমি তাদের নাকি নাদাবী নামা দিয়েছি। আসলে আমি কখনও তাদের নাদাবী নামা দেইনি। তারা ক্ষমতা ও টাকার জোরে আমাকে  বঞ্চিত করার চেষ্টা চালাচ্ছে। এমতাবস্থায় আমার পাওনাকৃত ২য় ও ৩য় তলা ফ্ল্যাটের মধ্যে গত দুই মাস ধরে ৩য় তলায় আমার স্ত্রী ও আত্মীয় স্বজন নিয়ে বসবাস করিতেছি। কিন্তু এখন পর্যন্ত তারা ২য় তলা বুঝিয়ে দিচ্ছে না। এখন তারা আমাকে আমার ৩য় তলা থেকে তাড়িয়ে ফ্ল্যাট দখল করতে নানাভাবে হয়রানি ও হত্যার  হুমকি দিচ্ছ । আমাকেসহ আমার স্ত্রী সন্তানকে নানাভাবে হুমকি দিচ্ছে। এ বাড়ি থেকে চলে না গেলে বাড়িতে আগুন ধরিয়ে দিবে। এসব বিষয়ে আমার স্ত্রী সাংবাদিক নার্গিস জুই প্রতিবাদ করলে তারা আমাদের  মেরে ফেলাও হুমকি দিচ্ছে। বলছে সাংবাদিক মেরে ফেললে কিছু হয় না। এমতাবস্থায় আমি ও আমার পরিবারের সবাই  সব সময় আতঙ্কে রয়েছি। এদিকে, সাংবাদিক  নার্গিস জুই অভিযোগ করেছেন। আমার স্বামীর অন্য দুই ভাই ও তার সন্তানরা আমাদের দুইটি ফ্ল্যাট দখল করে দীর্ঘদিন ভাড়া দিয়ে খাচ্ছে। এখন আমরা ৩য় তলার একটি ফ্ল্যাট নিয়ন্ত্রণে নিয়ে বসবাস করতেছি। আমাদের ২ তলাও তারা বুঝিয়ে দিচ্ছে না। তারা এখন আমাদেরকে ৩ য় তলা থেকে সরে যাওয়ার জন্য নানাভাবে হুমকি দিচ্ছে। তিনি বলেন, আমাদের যে দুইটি ফ্ল্যাট রয়েছে তার দলিলসহ সব ধরনের কাগজপত্র আমাদের কাছে রয়েছে। এমনকি আগামী  এক বছরের খাজনাও আমরা পরিশোধ করেছি। তারা ভূয়া কাগজ দেখিয়ে এখন তারা বলছে এ সম্পত্তি নাকি সব তাদের। তিনি জানান, আমাদের দুই ফ্ল্যাটের কাগজপত্র স্থানীয় কাউন্সিলর ও পঞ্চায়েত কমিটিকেও দেখিয়েছি। তারাও আমাদের সম্পত্তির কাগজপত্র দেখে বলছে এ সম্পত্বির মালিক আমরা। তিনি বলেন, আমাদের কাজপত্র অনুযায়ী যদি আমরা এ সম্পদের মালিক হই তাহলে আমরা এ সম্পদ অবশ্যই পাবো। এখন আমার স্বামীর অন্য ভায়েরা কোন কাগজপত্র ছাড়া তা দাবি করলে তো হবে না। যদি তারা প্রমাণ করতে পারে পুরো ভবনটি তাদের তাহলে আমরা স্বেচ্চায়, বাড়ি ছেড়ে দেবো। তারা গত দুই বছর যাবত আমাদের দুইটি ফ্ল্যাট জোর করে দখল করে ভাড়া দিয়ে খেয়েছে।

আমরা অসহায় বলে কিছু বলিনি। এখন আমরা ৩য় তলার একটি ফ্ল্যাট নিয়ন্ত্রণে নিয়ে গত দুই মাস যাবত বসবাস করতেছি। এখন পর্যন্ত ২য় তলার একটি ফ্ল্যাট বুঝে পাচ্ছি না। এমতাবস্থায় আমার স্বামীর অন্যভাই ও ভাতিজা ও তার সন্ত্রাসী দল বল  দিয়ে আমাদের এ ফ্ল্যাট ছেড়ে দেয়ার হুমকি দিচ্ছে। যদি ফ্ল্যাট না ছাড়ি তাহলে আমার স্বামী সহ পুরো পরিবারের সবাইকে হত্যা করবে। এমনি আমাদের রান্না করতে দিচ্ছে না। বাইরে থেকে নিত্যপ্রয়োজনীয় কোন কিছু আনতে গেলেও বাধা দিচ্ছে। এমতাবস্থায় আমরা পুরোপরিবার নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি। আমরা মানবেতর জীবন যাপন করছি।এ বিষয়ে সরকার ও স্থানীয় প্রশাসনের সহযোগিতা  চাচ্ছি।

এ বিষয়ে সাংবাদিক নার্গিস জুই আরো অভিযোগ করেছেন, আমার বিয়ের পর থেকেই ভাশুর ও ঝারা আমার উপর অমানিষিক নির্যাতন করে আসছে। ভাশুররা আমাকে প্রায় মারধর করে, কথায় কথায় নোংরা ও অশ্লীল ভাষায় বকাবকি করে, বাড়ির দারোয়ান, কাজের বুয়া,ড্রাইভার এমন কি ভাড়াটিয়াদের দিয়ে আমার উপর নানা ভাবে নির্যাতন চালায়। তাদের ইন্ধনে ভাড়াটিয়া আমাকে কয়েক বার খুন করার চেষ্টা করে, যা নিয়ে কোর্টে  মামলা হয়েছে। তারা পারেনা এহেন কাজ নাই, টাকা আর ক্ষমতার দাপটে তারা কাউকে খুন করতে পিচপা হয় না। যেটার প্রতিফলন গত ৫/৭/২০২০ তারিখে তারা ঘটিয়েছে। ওইদিন নানা তান্ডব চালিয়েছে আমার ও আমার পরিবারের উপর। আমার ফ্ল্যাট দখল করার জন্য,বাহির দিয়ে দরজায় তালা লাগিয়ে দেয় ও সাদা  পাউডার ছিটিয়ে দিয়ে চিৎকার করে বলে গান পাউডার ছিটিয়ে দিয়েছি এখন আগুন দিয়ে সাংবাদিক  ও তার পুরো পরিবারকে পুড়িয়ে দিলে কিছুই হবেনা। কতো সাংবাদিক পুড়ে মরছে, আমরা বলবো কারেন্টের আগুনে পুড়ে মরেছে। পুলিশ, থানা, প্রশাসন আমরা টাকা দিয়ে কিনে ফেলেছি সবাই আমাদের পক্ষে থাকবে।তখন ফ্ল্যাটে আমরা সাতজন নারী ও চারজন পুরুষ অবস্থান করছি। সবাই পুড়ে মরবো? ভয়ংকর এক দুঃস্বপ্ন।

তাৎক্ষণিক ভাবে সাংবাদিক গ্রুপে ষ্ট্যাট্যাস দেই ও আমার অফিস ও  সাংবাদিক ভাই বোনরা সবাই মিলে সেদিন ১২/১৩ জন মানুষের জিবন বাচায়,সবাই মিলে থানায় ফোন করলে পুলিশ এসে তালা খুলে দেয়/এ সময় র্্যাব, পুলিশ,৯৯৯ থেকে অনেক ফোন দিলে ও সাড়া মিলেনি। পুশিশ চলে যেতেই আবারও কারেন্টের লাইন কেটে দেয়। আবারও  সাংবাদিক ভাই,  বোন ও বিটিভি উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ফোন করলে পুলিশ এসে লাইন দিয়ে যায়।

এভাবে তাদের হামলা ও হিংস্রতার পর সন্ধ্যায় আমার বাসায় আসেন  মহানগর দক্ষিণের ৪৩ নং ওয়ার্ড কমিশনার আরিফ হোসেন ছোটন, সাথে নিয়ে আসেন সূত্রাপুর থানার ওসিকে। তিনি সব কিছু সরেজমিনে দেখে বলে গেছেন যে সাংবাদিক তার ফ্ল্যাটে আছে তার ফ্ল্যাটেই থাকবে। কালকে দুই পক্ষের ফ্ল্যাটের কাগজপত্র যাচাই হবে। পরদিন জয়কালি মন্দির ভূমিকর অফিসে গিয়ে দুটি ফ্ল্যাটের আগামী এক বছরের অগ্রিম খাজনা দিয়ে, খাজনা রসিদ, নামজারির ও দলিল কমিশনারের সচিব, ফেরদৌস জাহানের হাতে তুলে দেয়া হয়।

আমাদের দুইটি ফ্ল্যাটের কাগজপত্র থাকলে ও  আমার ভাশুররা কোন কাগজপত্র দেখাতে পারেনি। তাই তারা বলছে দলিল নাই তাতে কি টাকা দিয়ে ক্ষমতা দিয়ে দখল করবো। তারা বিভিন্ন মানুষ দিয়ে ও নিজেরা আমার ও পরিবারের সবাইকে প্রান নাশের হুমকি দিচ্ছে। আমি ও আমার পরিবার মৃত্যুর পরোয়া মাথায় নিয়ে আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছি। যে কোন মূহুর্তে আমাদের খুন করে ফ্ল্যাট দখল করবে। প্রশাসনের কাছে আমরা  জিবনের নিরাপত্তা দাবি করছি ও হিংস্র মানুষ গুলির বিচার দাবি করছি। এদিকে, সৈয়দ দেলোয়ার হোসেন বলেছেন, তার ভাই সৈয়দ শাহনেওয়াজ হোসেন তাদের এ সম্পত্তি নিদাবী দিয়েছেন।

এ বিষয়ে ঘরোয়াভাবে বসে নিদাবী দলিলে তিনি সই দিয়েছেন। ফলে এ সম্পদের মালিক তিনি বলে দাবি করেন। তবে তিনি মূল দলিলের কাগপত্র দেখাতে পারেনি। এ বিষয়ে তিনি আরো বলেন, যদি আমরা সত্যিকারে এ সম্পদের মালিক না হই তাহলে আমার ভাইকে বলেন স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যাক্তিদের নিয়ে বসতে। বসে যে সিদ্ধান্ত হয় সেটাই আমি মেনে নিবো। সৈয়দ দেলোয়ার হোসেনের ছেলে সৈয়দ আরমান হোসেনও দাবি করেছেন, তার চাচা সৈয়দ শাহনেওয়াজ হোসেন এ সম্পদ তাদের কাছে বিক্রি করে দিয়েছে।  মুখে বলেন কিন্ত কোন দলিল পত্র পঞ্চায়েত  ও  কমিশনার কাউকে দেখাতে পারে না।এখন তাকে কাগপত্র নিয়ে স্থানীয় গন্যমান্যদের নিয়ে বসার আহবান জানালে তিনি বলেন কেউ তাদের কথা শুনছে না। তবে তিনি এর সমাধান চান বলে জানিয়েছেন।



আরো




আর্কাইভ ক্যালেন্ডার

শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
 
১০১১১২
১৩১৪১৫১৬১৭১৮১৯
২০২১২২২৩২৪২৫২৬
২৭২৮২৯৩০৩১  

মাসিক আর্কাইভ