1. admin-1@vinnabarta.com : admin : admin
  2. admin-2@vinnabarta.com : Rumana Jaman : Rumana Jaman
  3. admin-3@vinnabarta.com : Saidul Islam : Saidul Islam
  4. bddesignhost@gmail.com : admin : jashim sarkar
  5. newspost2@vinnabarta.com : ebrahim-News :
  6. vinnabarta@gmail.com : admin_naim :
  7. admin_pial@vinnabarta.com : admin_pial :

লালমোহনে বিএনপি–জামায়াত সমর্থিত বিডিপির সংঘর্ষ, আহত ৩০

ভিন্নবার্তা প্রতিবেদক
  • প্রকাশের সময় : শনিবার, ১০ জানুয়ারী, ২০২৬ ১:৩৮ pm

লালমোহন (ভোলা) প্রতিনিধি : ভোলার লালমোহন উপজেলায় বিএনপি ও জামায়াত সমর্থিত বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট পার্টি (বিডিপি) নেতাকর্মীদের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এ সংঘর্ষে উভয় পক্ষের অন্তত ৩০ জন আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে।
জামায়াত সমর্থিত বিডিপির সংসদ সদস্য প্রার্থী নিজামুল হক নাঈম শুক্রবার রাতে সাংবাদিকদের ব্রিফিংয়ে জানান, শুক্রবার সকাল আনুমানিক ১১টায় রমাগঞ্জ ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডে ইউনুছ পাটওয়ারীর বাড়িতে জামায়াতের নারী কর্মীরা গণভোট ও সাংগঠনিক কাজে যান। এ সময় স্থানীয় নুরনবীর ছেলে রুবেল (২৮) তাদের সঙ্গে দুর্ব্যবহার ও গালাগালি করেন বলে অভিযোগ ওঠে।

তিনি আরও জানান, বিষয়টি এক নারী কর্মী তার স্বামী, রায়চাঁদ বাজারের ব্যবসায়ী মো. জসিম উদ্দিনকে অবহিত করলে জসিম উদ্দিন মোবাইল ফোনে রুবেলের সঙ্গে কথা বলতে যান। এ সময় রুবেল ফোনে অশালীন ভাষায় গালাগালি করেন এবং পরে জসিম উদ্দিনের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে এসে তার ওপর হামলা চালান।

ঘটনার খবর পেয়ে প্রশাসনকে জানানো হলেও এর মধ্যেই বিএনপির আরও নেতাকর্মীরা বাজার এলাকায় জড়ো হন। একপর্যায়ে লালমোহন উপজেলা বিএনপির সভাপতি মো. জাফর ইকবাল ও ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি হানিফ হাওলাদার ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন। পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠলে বিডিপি নেতাকর্মীদের বাজার ত্যাগের নির্দেশ দেওয়া হয়। তবে বাজার ছাড়ার সময় পেছন থেকে হামলার অভিযোগ উঠে, যা থেকে উভয় পক্ষের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া শুরু হয়।
নিজামুল হক নাঈমের দাবি, এ ঘটনায় তাদের অন্তত ১৫ জন নেতাকর্মী গুরুতর আহত হন এবং বর্তমানে তারা লালমোহন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। তিনি ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও দোষীদের বিরুদ্ধে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান।

অন্যদিকে লালমোহন উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শফিকুল ইসলাম বাবুল অভিযোগ করে বলেন, জামায়াতের সহায়তায় বিডিপি আওয়ামী লীগের চিহ্নিত সন্ত্রাসীদের ব্যবহার করে লালমোহনের স্বাভাবিক পরিস্থিতি অস্থিতিশীল করার চেষ্টা করছে। তার দাবি, সন্ধ্যার পর আওয়ামী লীগ ও জামায়াতের ক্যাডাররা একত্র হয়ে বিএনপির নেতাকর্মীদের ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। এতে যুবদল সভাপতি জসিম, তার ভাই আলমগীরসহ ১২ থেকে ১৫ জন আহত হন। গুরুতর আহত পাঁচজনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ভোলা ও ঢাকায় পাঠানো হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, পরিকল্পিতভাবে পরিস্থিতি অবনতি ঘটিয়ে নির্বাচন বানচালের চেষ্টা চলছে। ঘটনার জন্য দায়ীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান তিনি।

এ বিষয়ে লালমোহন থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. অলিউল ইসলাম বলেন, জুমার নামাজের আগে জামায়াতের নারী কর্মীদের দাওয়াতি কার্যক্রমকে কেন্দ্র করে প্রথমে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে উভয় পক্ষের সঙ্গে কথা বলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

তবে সন্ধ্যার পর রায়চাঁদ বাজার এলাকায় জামায়াতের নেতাকর্মীরা মোটরসাইকেল শোভাযাত্রা বের করলে পুনরায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। পরে রাস্তার কাজে ব্যবহৃত ইট-পাটকেল দিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। তার ভাষ্য অনুযায়ী, লালমোহন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ৯ জন আহত ভর্তি হন, যাদের মধ্যে ২ জনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য রেফার্ড করা হয়েছে।



আরো




আর্কাইভ ক্যালেন্ডার

শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
 
১০১১১২১৩১৪১৫১৬
১৭১৮১৯২০২১২২২৩
২৪২৫২৬২৭২৮২৯৩০
৩১  

মাসিক আর্কাইভ