1. admin-1@vinnabarta.com : admin : admin
  2. admin-2@vinnabarta.com : Rumana Jaman : Rumana Jaman
  3. admin-3@vinnabarta.com : Saidul Islam : Saidul Islam
  4. bddesignhost@gmail.com : admin : jashim sarkar
  5. newspost2@vinnabarta.com : ebrahim-News :
  6. vinnabarta@gmail.com : admin_naim :
  7. admin_pial@vinnabarta.com : admin_pial :

রৌমারী ফৌজদারী শহর রক্ষাবাঁধ ব্রহ্মপুত্র নদের ভাঙ্গন ঝুঁকিতে

ভিন্নবার্তা প্রতিবেদক
  • প্রকাশের সময় : রবিবার, ৫ জুলাই, ২০২০ ৬:৫০ pm

রৌমারী শহর রক্ষা ফৌজদারী রেড়ীবাঁধটি ব্রহ্মপুত্র নদের ভাঙ্গন ঝুঁকিতে। শহর রক্ষা বাঁধটি ব্রহ্মপুত্র নদের কাছে হওয়ায় উপজেলাবাসী চরম দুশ্চিন্তায় দিনাতিপাত করছে। ঝগড়ারচর, ধনারচর ও ফৌজদারী বেড়ীবাঁধটি বন্যার কবল থেকে রক্ষা করছে উপজেলাবাসীকে। কিন্তু বাঁধগুলো সরকারিভাবে সঠিক তদারকির অভাবে খড়া, বৃষ্টি বর্ষায় প্রতি বছরই কোথাও না কোথাও ছিন্নভিন্ন হয়ে যায়। একেতো নদ-নদী খালবিল জলাশয়ে পরিপূর্ণ রৌমারী উপজেলা , তারপর ভারতীয় পাহাড়ী ঢলের তাণ্ডব, এতে যেন নাজেহাল রৌমারী উপজেলার ৩ লাখ মানুষ। রৌমারী গ্রামীণ যোগাযোগ সড়ক শহর রক্ষা বাঁধ সব কিছুই যেন অরক্ষিত। কোন উন্নয়নের ছোওয়াই যেন লাগেনি অঞ্চলটিতে। তবে ধনারচর ও ফৌজদারী বেড়ীবাঁধটি রৌমারী উপজেলার ৩ লাখ মানুষের সকল উন্নয়নের রক্ষা কবজ।

স্থানীয়রা বলছেন, রৌমারী আজ মানচিত্র থেকে বিলিনের পথে। আজ থেকে ১০ বছর আগে বেড়িবাঁধ থেকে ব্রহ্মপুত্র নদের দূরুত্ব ছিল ২০ কিলোমিটার দূরে। এক যুগ যেতে না যেতেই ব্রহ্মপুত্রের দূরুত্ব দাঁড়িয়েছে শুন্য থেকে ৫শ’ গজ দূরে । ফলে কপাল পুড়ছে এ অঞ্চলের মানুষের। গত বন্যায় ২০১৮/১৯ অর্থ বছরে বানের পানির তোড়ে ধনারচর বেড়িবাঁধটি কর্তিমারী ঘাটে ৩শ’ মিটার, চাক্তাবাড়িতে ৪০ মিটার ও ফৌজদারী বেড়িবাঁধটি আলী আকবরের বাড়ির নিকট ৪০ মিটার ভেঙ্গে গভীর খাদের সৃষ্টি হয়। করোনা ও নানা অজুহাতে বাঁধগুলো মেরামত না করায় অরক্ষিত থেকে যায়। ধনারচর ও ফৌজদারী বেড়িবাঁধ ভাঙ্গন অংশে ক্ষুদ্র-পানি সম্পদের অর্থায়নে মেরামত কাজ করার কথা থাকলেও বাজেট না থাকায় মুখ থুবরে পড়ে আছে। কিন্তু ক্ষুদ্র-পানি সম্পদ কোন কাজ না করলেও উপজেলা শহর রক্ষার তাগিদে কাবিখা প্রকল্পের আওতায় ৯ দশমিক ৮২৫ মেট্রিক টন খাদ্যে শস্যের বিনিময়ে ৪০ মিটার বাঁধটি মেরামত করা হয়।

বাঁধটি মেরামতের বিষয়ে নজরুল ইসলাম জানান, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী মোঃ জাকির হোসেন বাঁধটির ভাঙ্গা স্থান মেরামতের জন্য বলেন। কাবিখা প্রকল্পের অর্থায়নে তা নির্মাণ করা হয়।

বাঁধটি উপজেলা শহর রক্ষায় গুরুত্বপুর্ণ বাঁধ। তবে বাঁধটি এখনো সুরক্ষিত নয়। ফৌজদারী বাধটি এখনো বন্দবেড় জলিলের কুড়া ও মহিলা কলেজের দক্ষিণাংশে ঝুঁকিপুর্ণ রয়েছে। উক্ত স্থান দু’টি জিও ব্যাগ দিয়ে মোড়িয়ে দিলে উপজেলা শহরটি বানের পানি থেকে রক্ষা পাবে। এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী অফিসার আল ইমরান বলেন, বন্যার পানি যাতে বাঁধ ভেঙে শহরে প্রবেশ করতে না পারে সে বিষয়ে নজর রাখা হচ্ছে।
ভিন্নবার্তা ডটকম/প্রতিনিধি/এসএস



আরো




মাসিক আর্কাইভ