1. [email protected] : admin : jashim sarkar
  2. [email protected] : admin_naim :
  3. [email protected] : admin_pial :
  4. [email protected] : admin : admin
  5. [email protected] : Rumana Jaman : Rumana Jaman
  6. [email protected] : Saidul Islam : Saidul Islam
রায় কার্যকর নিয়ে সংশয় পরিবারের |ভিন্নবার্তা

আলোচিত রুপা হত্যার ৩ বছর আজ
রায় কার্যকর নিয়ে সংশয় পরিবারের

vinnabarta.com
  • প্রকাশ : মঙ্গলবার, ২৫ আগস্ট, ২০২০

বহুল আলোচিত জাকিয়া সুলতানা রুপা হত্যার আজ তিন বছর। ২০১৭ সালের ২৫ আগস্ট চলন্ত বাসে গণধর্ষণের পর পৈশাচিক কায়দায় হত্যা করা হয় আইন বিভাগের ছাত্রী রুপাকে। ২৭ আগস্ট রাতেই ধর্ষণ ও হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত ছোঁয়া পরিবহনের বাসের চালক, সুপারভাইজার ও ৩ হেলপারকে গ্রেফতার করে মধুপুর থানা পুলিশ। ২০১৮ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি বিচারক আবুল মনসুর মিঞাসহ ৪ আসামিকে ফাঁসিতে ঝুলিয়ে মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দেন। তবে রায় কার্যকর নিয়ে সংশয় ও ব্যাপক হতাশা দেখা দিয়েছে নিহতের পরিবারে।

মামলার বাদী ও রুপার বড় ভাই হাফিজুর রহমান বলেন, রুপা হত্যার আসামিদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে দেশব্যাপি ছড়িয়ে পড়ে ক্ষোভ আর প্রতিবাদ। গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে চলতে থাকে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া ও তোলপাড়। দাবি ওঠে, দ্রুত বিচার আইনে রুপা হত্যা মামলাটি নিষ্পত্তি করা হোক। অবশেষে প্রচলিত আইনে মাত্র ১৪ কার্যদিবসের মধ্যেই শেষ করা হয় মামলার সকল কার্যক্রম। ২০১৮ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি বিচারক আবুল মনসুর মিঞাসহ ৪ আসামিকে ফাঁসিতে ঝুলিয়ে মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দেন। অপর আসামিকে সাত বছরের সশ্রম কারাদণ্ড এবং এক লাখ টাকা জরিমানা করেন। একই সঙ্গে ছোঁয়া পরিবহনের সেই বাসটি ‘নির্দায়’ অবস্থায় ক্ষতিপূরণ হিসেবে রুপার পরিবারকে দেওয়ার নির্দেশ দেয়া হয়।

হাফিজুর রহমান আরও বলেন, রুপা হত্যাকাণ্ডের রায় যুগান্তকারী। তবে রায়ের ৭ দিনের মধ্যে সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগে আপিল করে আসামি পক্ষ। যতই দিন যাচ্ছে রায় কার্যকর নিয়ে সংশয় আর হতশা ততই বাড়ছে। এ পর্যন্ত একবারও আপিল শুনানির তারিখ পড়েনি। আইনি জটিলতায় ছোঁয়া পরিবহনের বাসটিও মধুপুর থানা চত্বরেই পড়ে নষ্ট হচ্ছে।

রুপার মা হাচনাহেনা জানিয়েছেন, মেয়ের মৃত্যবার্ষিকী উপলক্ষে আজ মঙ্গলবার বাড়িতে দোয়া ও মিলাদের আয়োজন করা হয়েছে। একই সঙ্গে দ্রুত রায় কার্যকরের দাবিতে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করা হবে।

প্রসঙ্গত, ২৫ আগস্ট রাতে মধুপুর বনাঞ্চলের রাস্তার ধারে থেকে রুপার লাশ উদ্ধার করে মধুপুর থানা পুলিশ। পরিচয় না মেলায় ২৬ আগস্ট ময়নাতদন্ত শেষে বেওয়ারিশ হিসেবে টাঙ্গাইল কেন্দ্রীয় কবরস্থানে দাফন করা হয়। এরপর ২৭ আগস্ট নিহতের বড়ভাই হাফিজুর রহমান মধুপুর থানায় রক্তাক্ত লাশের ছবি শনাক্ত করেন যে অজ্ঞাত নারী তার ছোট বোন জাকিয়া সুলতানা রুপা। ৩১ আগস্ট রুপার মরদেহ কবর থেকে উত্তোলন করে তার পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়। ঐদিন রাতেই সিরাজগঞ্জের তাড়াশ উপজেলায় রুপার লাশ তার গ্রাম আসানবাড়ি কবরস্থানে দাফন করা হয়।

ভিন্নবার্তা ডটকম/পিকেএইচ

 

আরো পড়ুন

© All rights reserved © 2021 vinnabarta.com
Customized By ProfessionalNews