1. jashimsarkar1980@gmail.com : admin : jashim sarkar
  2. naim@vinnabarta.com : admin_naim :
  3. admin_pial@vinnabarta.com : admin_pial :
  4. admin-1@vinnabarta.com : admin : admin
  5. admin-2@vinnabarta.com : Rumana Jaman : Rumana Jaman
  6. admin-3@vinnabarta.com : Saidul Islam : Saidul Islam
মামলা প্রত্যাহারে আসামীদের চাপে বিপাকে শহীদ মুক্তিযোদ্ধা পরিবার - |ভিন্নবার্তা




১৩ বছর পর শৈলকুপার ডাবল মাডারের সাক্ষি

মামলা প্রত্যাহারে আসামীদের চাপে বিপাকে শহীদ মুক্তিযোদ্ধা পরিবার

ভিন্নবার্তা প্রতিবেদক
  • প্রকাশের সময় : রবিবার, ২২ মে, ২০২২ ৫:৩১ pm

স্টাফ রিপোর্টার, ঝিনাইদহ : ঝিনাইদহ জেলার শৈলকুপা উপজেলার বৃত্তিদেবী রাজনগর গ্রামে আজিম মুন্সী ও কফিল উদ্দিন হত্যা মামলার সাক্ষি শুরু হওয়ার পর চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন শহীদ মুক্তিযোদ্ধা পরিবার। আসামীরা মামলার সাক্ষিদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে হুমকী দিচ্ছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। জানা গেছে, ২০০৯ সালের ১৫ এপ্রিল তুচ্ছ ঘটনার জের ধরে কফিল উদ্দীন ও আজিম মুন্সিকে হত্যা করা হয়। এরমধ্যে আজিম মুন্সি হচ্ছে শহীদ মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সদস্য। তার বড় ভাই মহাব্বত আলী (বেসামরিক গেজেট-১৮৭৩) শহীদ বীর মুক্তিযোদ্ধা ছিলেন। ডাবল মাডারের পর কফিল উদ্দিনের মেজ ভাই হবিবর রহমান বাদী হয়ে শৈলকুপা থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন যার নং-১২। মামলাটি ঝিনাইদহের বিজ্ঞ অতিরিক্ত জজ আদালত-১ আদালতে বিচারাধীন আছে। নিহত আজিম মুন্সির ছেলে রাজা মুন্সি অভিযোগ করেন, আদালতে সাক্ষি শুরু হওয়ার পর থেকে মামলার আসামী মওলা বক্স, আব্দুল কুদ্দুস, রইচ উদ্দীন ও বাচ্চুসহ অন্যান্যরা নানা ধরনের প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করছেন। প্রতিনিয়ত বাদী ও সাক্ষিদের বাড়ি গিয়ে মামলা প্রত্যাহারের জন্য হুমকি ও সাক্ষ্যদানে বাধা প্রদান করছেন। গত ৯ মে নিহত আজিম মুন্সীর ছোট ছেলে রাজিব হাসান প্রত্যক্ষদর্শী হিসেবে আদালতে সাক্ষ্য দিতে আসলে তার উপর চড়াও হয় এবং হত্যার হুমকি দেয়। এ বিষয়ে শৈলকুপা থানায় একটি জিডি করা হয়েছে যার নং-৬৩৮। শহীদ মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সদস্য হয়েও নিহত এলাকার প্রভাবশালীদের অত্যাচারে পরিবারটি চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। যে কোন সময় জোড়া হত্যার আসামীরা বাদী ও স্বাক্ষীদের নামে মিথ্যা মামলা বা খুন জখম করতে পারে বলেও তারা আশংকা করছেন। নিহত আজিম মুন্সীর বড় ছেলে রেজাউল বলেন, শৈলকুপা উপজেলায় প্রতি বছর ১৫/২০ জন মানুষ খুনের স্বীকার হয়। কিন্তু একটারও বিচার হয়না। এই বিচারহীনতার কারণে খুনিরা থেমে তাকে না। তিনি বলেন আমার পিতার খুনিদের বিচার হলে শৈলকুপায় খুনোখুনি অর্ধেক কমে যাবে। পুলিশ ও এলাকাবাসি সুত্রে জানা গেছে, আজিম মুন্সী ও কপিল উদ্দিনের খুনিরা এলাকায় দুধর্ষ সন্ত্রাসী হিসেবে পরিচিত। বর্তমানে আদালতে সাক্ষিরা যাকে সাক্ষ্য প্রদান না করেন সে জন্য দফায় দফায় মিটিং ও হুমকি ধামকি দিয়ে এলাকা আতংকিত করে রেখেছে। এ ব্যাপারে শৈলকুপা থানার ওসি আমিনুল ইসলাম বলেন, এ ঘটনা নিয়ে থানায় একটি সাধারণ ডায়েরী হয়েছে। আমরা তদন্ত করছি। তারপরও কোন স্বাক্ষীকে যেন হুমকি-ধামকি দেওয়া না হয় সে ব্যাপারে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
ভিন্নবার্তা ডটকম/এন



আরো




মাসিক আর্কাইভ