1. [email protected] : admin : admin
  2. [email protected] : Rumana Jaman : Rumana Jaman
  3. [email protected] : Saidul Islam : Saidul Islam
  4. [email protected] : admin : jashim sarkar
  5. [email protected] : admin_naim :
  6. [email protected] : admin_pial :

‘মাত্র রিহাসেল, ফাইলান খেলায় এখনো নামিনি ‘

ভিন্নবার্তা প্রতিবেদক
  • প্রকাশের সময় : বুধবার, ২১ সেপ্টেম্বর, ২০২২ ৫:৫৫ pm

ভিন্নবার্তা প্রতিবেদক: বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায় হুশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, আন্দোলনে জোয়ার শুরু হয়েছে, জনগনের ভোটের অধিকার ফিরিয়ে না দিয়ে ঘরে ফিরে যাবো না। মাত্র রিহাসেল, ফাইলান খেলায় এখনো নামিনি। আন্দোলন যারা রক্ত দিয়েছেন তা বৃথা যাবে না। রক্ত দিয়েই গনতন্ত্র উদ্ধার করবো।

আজ বুধবার বিকেলে পূর্ব ঘোষণা অনুযায়ী মিরপুর ৬ নং কাঁচাবাজার সংলগ্ন সড়কে দলীয় সমাবেশে এসব কথা বলেন বিএনপির এই সিনিয়র নেতা। দুপুর ২টার কিছু সময় পর থেকে বিএনপি নেতাকর্মীরা ব্যানার, ফেস্টুন এবং লাঠি ও স্ট্যাম্পে জাতীয় পতাকা এবং দলীয় পতাকা টানিয়ে মিছিল নিয়ে সমাবেশ স্থলে আসতে শুরু করেন। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে সমাবেশ স্থলে নেতাকর্মীদের উপস্থিতি বেড়ে যায়। এদিকে সমাবেশস্থলের আশপাশে পুলিশ র্যাব সহ ব্যাপক আইনশৃঙ্খলা বাহিনী উপস্থিতি লক্ষ্য করা গেছে।

বিএনপির সূত্র জানায়, রাজধানীর উত্তরা ও মিরপুর এবং বনানীতে সমাবেশে ও মোমবাতি প্রজ্বলন কর্মসূচিতে হামলার পর থেকে বিএনপি সর্তকতা অবলম্বন করে আসছে। সেই কারণে গত দুই সমাবেশে (১৮ সেপ্টেম্বর, পল্টন ও ১৯ সেপ্টেম্বর, মহাখালী) লাঠিতে করে পতাকা টানিয়ে সমাবেশে এসেছে নেতাকর্মীরা। তারই ধারাবাহিকতা এই সমাবেশেও নেতাকর্মীরা একই পন্থা অবলম্বন করেছে। তবে কেউ হামলা না করলে নেতাকর্মীদের আগ বাড়িয়ে বা কোনো উসকানিতে না পড়ার নির্দেশনা দেয়া আছে বিএনপির পক্ষ থেকে। আর কেউ হামলা করতে এলে পাল্টা প্রতিরোধ গড়ে তোলারও নির্দেশনা দেয়া আছে।

নেতাকমীরা খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে স্লোগান দিতে থাকেন। রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে বিএনপির কর্মসূচিতে হামলার প্রতিবাদে ও খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে ঢাকা মহানগরের ১৬টি স্থানে সমাবেশ করার ঘোষণা দিয়েছে বিএনপি।

গয়েশ্বর বলেন, জনগন ভোটের মাধ্যমে যাদের দায়িত্ব দেবে তারাই দেশ চালাবে, যারা জনগনের ভোটে নির্বাচিত নয় তাদের কাছে কোনো দাবি করে লাভ নেই। আজ জনগনের একটাই দাবি সরকারের পদত্যাগ। শান্তিপূর্ণ কমসূচি দিয়ে কিছু হবেনা। সবার হাতে মোটা লাঠি থাকতে হবে নিজেদের আত্নরক্ষায় জন্য। ওবায়দুল কাদেরের উদ্দেশ্য বলেন, নেতাকমীদের ওপর যারা হামলা করেছে সেসব অপরাধীদের জনসম্মুখে হাজির করেন তা না হলে জনগনের কাঠগড়ায় আপনাদের বিচার হবেই। পাল্টা আঘাত শুরু করলে পালানের জায়গা পাবেন না।

বিএনপির এই সিনিয়র নেতা বলেন, লড়াই করে দেশ স্বাধীন করেছি কাউকে আর স্বৈরাচারী কায়দায় শেষ শাসন করতে দেবো না। তিনি বলেন, আমাদের এই আন্দোলন ক্ষমতায় যাওয়ার জন্য না, এই আন্দোলন জনগনকে শৃঙ্খলমুক্ত করার আন্দোলন। প্রশাসনের উদ্দেশ্য তিনি বলেন, এখনো সময় আছে জনগনের কাতারে আসেন, সব অন্যায় মাফ হয়ে যাবে। বয় পাবেন না, বিএনপির ক্ষমতায় কারো চাকরি যাবে না। কোন পুলিশ সরকারকে টিকিয়ে রাখতে কাজ করে আর কারা বাধ্য হয়ে বিএনপির বিপক্ষে যায় তা আমাদের জানা আছে।

তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক বিশ্বকে আহ্বান জানাই গনতন্ত্র উদ্ধারে পাশে থাকুন। আমাদের ক্ষমতা এনে দিতে হবেনা। কে ক্ষমতায় আসবে তা জনগনই টিক করবে। হাসিনার সব খেলা শেষ। সাহায্য আনতে গিয়ে পায়নি। রাতে ভোট কাটারও তার লোক নাই। তাই নিবাচনের সুষ্ঠু পরিবেশ তৈরি করেই বিএনপি নির্বাচনে অংশ নেবে। নিশ্চিতে ভোট দেয়ার দেয়ার প্রস্তুতি নিন। চিকন লাঠিতে কাজ না হলে মোটা লাঠি নিয়ে রাজপথে নামুন। ওরা পরাজিত হবেই।

ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির আহ্বায়ক আমানউল্লাহ আমান বলেন, শান্তিপূর্ণ সমাবেশ বানচাল করার জন্য অনেক কারসাজি করা হয়েছে, আক্রমণ করা হয়েছে। কারন বিএনপি জনগনের কল্যাণে কথা বলে। আজকে মত প্রকাশপর স্বাধীনতা নেই। মিডিয়ার মুখে তালা মারতে চায়। এই স্বাধীন দেশটাকে অন্য জায়গায় বিক্রি করে দেয়ার ষড়যন্ত্র চলছে। এবার রাজপথে ফয়সালা হবে। আন্দোলনের মুখে সরকারের বিদায় নিতে হবে। বুক পেতে দেবো, রক্ত দেবো তবুও টই সরকারের অধীনে নির্বাচন হতে দিবো না। তাই প্রশাসনকে বলবো নিরপেক্ষ হয়ে যান। না পারলে সরে যান।

সমাবেশে যোগ দিতে মিরপুর দারুস সালাম থেকে আসা যুবদল কর্মী শামীম বলেন, গত ১৫ সেপ্টেম্বর মিরপুরে সমাবেশ হওয়ার কথা থাকলেও আওয়ামী নেতাকর্মীরা হমালা চালায়। আজকেও যদি হামলা চালানো হয় তাই প্রতিরোধ করতেই তারা প্রস্তুতি হিসেবে হাতে বাঁশ নিয়ে এসেছি। তিনি বলেন, মার খেয়ে এবার আর ঘরে ফিরবো না।
ভিন্নবার্তা ডটকম/আরজে/এন



আরো




মাসিক আর্কাইভ