শিরোনাম

ভাঙ্গল ফৌজদারী বেড়ীবাঁধ, কৃষকের মাথায় হাত

মোস্তাফিজুর রহমান তারা, (রৌমারী) কুড়িগ্রাম

রৌমারী উপজেলার ৩ লাখ মানুষের তথা কৃষকের সুখের স্বপ্ন ভেঙ্গে দিয়েছে ফৌজদারী বেড়ীবাঁধ। কালের আবর্তে যুগের পর যুগ ব্রহ্মপুত্রের কড়াল গ্রাসে নদের কুল চেপে বসেছে ফৌজদারী বেড়ীবাঁধ লাগোয়া। ফৌজদারী বেড়ীবাঁধ নির্মানের পর থেকেই কয়েক যুগ ভালই যাচ্ছিল কৃষকের ললাট। বিধি বাম, নদী শাসন, নিয়ন্ত্রণ না থাকায় নদ-নদীর খেয়াল খুশিমত ভাঙ্গনের ফলে , ব্রহ্মপুত্রের কিনার শহর গাঁও গ্রামে ঠেকেছে। যারফলে দুবছর ধরে উপজেলার ৩ লাখ মানুষের নিরাপত্তার স্বপ্নের বাঁধটি ভেঙ্গে হাজার হাজার একর জমির ফসল ও বাড়ি ঘরে পানি উঠে ব্যাপক ক্ষতি সাধন করছে।

এবারের বন্যায় ফৌজদারী বেড়ীবাঁধ ভাঙ্গনের ফলে কৃষকের প্রায় ৫ হাজার হেক্টর জমিতে রোপা আমন চাষ ব্যাহত হচ্ছে। বাঁধটি বানের পানির প্রচন্ড চাপে প্রায় ৩০ মিটার ভেঙ্গে গভীর খাদের সৃষ্টি হয়। যারফলে ব্রহ্মপুত্র নদের পানি বাঁধের পুর্ব পাশ্বে একাকার হয়ে যায়। নদ-নদীর পানির সাথে সংযোগ থাকায় জোওয়ার ভাটার ন্যায় ক্ষনে ক্ষনে পানি বাড়ছে কমছে। এমন পরিস্থিতিতে কৃষক চরম হতাশায় পড়েছে। এলাকা বাসীর অভিযোগ, সরকার তথা জনপ্রতিনিধিদের সুদৃষ্টি না থাকায় বারবার কৃষকের কপালে নেমে আসছে ঘন কাল আমানিশা। যে বাধটি ভাঙ্গনের ফলে লক্ষাধিক টন ফসলের উৎপাদন ব্যাহত হয়। সেখানে স্থানীয় প্রশাসন ও সরকারী তদারকী নেই।

রোপা আমন ধান রোপনের এখনই উপযুক্ত সময় । যে বাঁধটির ভাঙ্গা মেরামতে মাত্র ৩ থেকে সারে ৩ লাখ টাকা খরচ করলে কৃষকের উৎপাদিত হবে শত কোটি টাকার ফসল।সেখারে নেই কোন তৎপরতা।  ভাঙ্গাটি ৭ দিনের মধ্যে মেরামত না করলে রোপা আমন ধান রোপন অনিশ্চিত হয়ে পড়বে। একেত দীর্ঘ মেয়াদী করোনা কালে মানুষের নাভিস্বাস উঠেছে।এমন বেকারত্ব জীবনে মাটি চষে ফসল ফলাতেও যদি বিঘ্ন ঘটে তাহলে এ লের মানুষ চরম ভোগান্তিতে পড়বে। বাঁধটির ভাঙ্গা মেরামতের বিষয়ে রৌমারী উপজেলা নির্বাহী অফিসার অল ইমরান বলেন, বাধটি মেরামত অতিজরুরী। বাঁধটি মেরামত না করলে লক্ষাধিক টন ফসল উৎপাদন বাঁধা গ্রস্থ হবে। এব্যাপারে উপজেলা সমন্বয় সভা ও জেলা প্রশাসকের সাথে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।

ভিন্নবার্তা/এসআর

আরো পড়ুুন