1. naim@vinnabarta.com : admin_naim :
  2. admin_pial@vinnabarta.com : admin_pial :
  3. admin-1@vinnabarta.com : admin : admin
  4. admin-2@vinnabarta.com : Rumana Jaman : Rumana Jaman
  5. admin-3@vinnabarta.com : Saidul Islam : Saidul Islam
  6. jashimsarkar1980@gmail.com : admin : jashim sarkar
  7. admin@admin.com : happy :
বিমানের কাস্টমার সার্ভিস কাঙ্ক্ষিত মানের না: এমডি - |ভিন্নবার্তা




বিমানের কাস্টমার সার্ভিস কাঙ্ক্ষিত মানের না: এমডি

ভিন্নবার্তা প্রতিবেদক
  • প্রকাশের সময় : বৃহস্পতিবার, ৪ আগস্ট, ২০২২ ৮:৩৯ pm

বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের যাত্রীসেবা কাঙ্ক্ষিত মানের নয় বলে জানিয়েছেন সংস্থাটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিও মো. যাহিদ হোসেন।

তিনি জানান, কানাডার টরন্টো ফ্লাইটে আসা-যাওয়ার সময় জেট ফুয়েল খরচ হচ্ছে ১৯৫ টন। যার বর্তমান বাজার মূল্য এক কোটি ৬৫ লাখ ৭৫ হাজার টাকা। ঢাকা-টরন্টো ফ্লাইটে ব্যাপক সাড়া পড়ছে। যাত্রীর সংখ্যা বেড়েই চলছে। এই রুটের দ্বিতীয় ফ্লাইট রবিবার ঢাকা ছেড়েছেন ১৯৭ যাত্রী। তাদের মধ্যে ভারত ও নেপালের যাত্রী ছিলেন ৯০ জন। বাকিরা বাংলাদেশসহ আরো কয়েকটি দেশের যাত্রী। বুধবারের ফ্লাইটেও যাত্রীর পরিমাণ বেড়েছে।

তিনি বলেন, ধীরে ধীরে আমরা ভালো পজিশনে যেতে পারব। তবে বিমানের কাস্টমার সার্ভিস কাঙ্ক্ষিত মানের না। আমাদের এটাতে আরো উন্নতি করার সুযোগ আছে। আমাদের উচিত বিমানের যাত্রীদের স্যাটিসফেকশন নিশ্চিত করা। বিমানকে একটি লাভজনক বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানে রূপান্তরই আমাদের প্রধান লক্ষ্য।

দায়িত্ব নেয়ার পর বৃহস্পতিবার দুপুরে বলাকা ভবনে সংবাদ সম্মেলনে এসব বলেন বিমানের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিও মো. যাহিদ হোসেন। এই সময় বিমানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

যাহিদ হোসেন বলেন, বাংলাদেশ বিমানের ঢাকা-কানাডা ফ্লাইট দেশ থেকে যাত্রাপথে যাত্রাবিরতি নেয় ইস্তাম্বুল বিমানবন্দরে। সেখান থেকে সরাসরি কানাডার রাজধানী টরন্টো। ফিরতি পথে কোনো বিরতি ছাড়াই সরাসরি বিমান দেশে ফেরে। আসা-যাওয়ায় বিমানের খরচ হয় ১৯৫ টন জেট ফুয়েল। বাংলাদেশে বর্তমানে জেট ফুয়েলের প্রতি লিটারের দাম ৮০ টাকা। বাংলাদেশ থেকে টরন্টো যেতে বিমানের তেল খরচ হয় ১০৫ টন (১ লাখ ৫ হাজার লিটার)। যার বাজার মূল্য ৮৯ লাখ ২৫ হাজার টাকা। অন্যদিকে টরন্টো থেকে ফিরতে বিমান খরচ করে ৮৫ থেকে ৯০ টন ফুয়েল। সে হিসেবে এতে খরচ হয় ৭২ লাখ ২৫ হাজার থেকে ৭৬ লাখ ৫০ হাজার টাকা। ফলে আসা-যাওয়ায় বিমানের ১৯৫ টন জেট ফুয়েল খরচ হয়। এর বাজারমূল্য আনুমানিক ১ কোটি ৬৫ লাখ ৭৫ হাজার টাকা।

তিনি বলেন, কোভিডে সারা পৃথিবীর অ্যাভিয়েশন ইন্ডাস্ট্রি মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল। অনেক এয়ারলাইনস বন্ধ হয়ে যায়। আমরা সেই পরিস্থিতি কাটিয়ে উঠেছি। আমরা ২০২১-২২ এ ২২ লাখ যাত্রী পরিবহন করেছি। যেহেতু আমাদের প্রথম উদ্দেশ্য হলো বিমানকে বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান হিসেবে গড়ে তোলা, তাই আমরা সব সিদ্ধান্ত বাণিজ্যিকভাবেই নিব। তবে রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান হিসেবে জনগণের সঙ্গে রাষ্ট্রের কমিটমেন্টকেও রক্ষা করা হবে। তিনি আরো বলেন, বর্তমানে বিমানের বার্ষিক টার্নওভার ৭০০ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের বেশি। বিমানকে আমরা এমন একটি প্রতিষ্ঠানে রূপান্তর করতে চাই যার বার্ষিক টার্নওভার হবে এক বিলিয়ন মার্কিন ডলার। এটা করতে হলে আমাদের ব্যবসাকে বড় করতে হবে, ব্যবসায়িক চিন্তাভাবনা করে নিতে হবে। আমাদের প্রায় ৮০ লাখ প্রবাসী রয়েছে। তারা বিমানে চলাচল করতে চান। আমরা আমাদের ফ্লাইটগুলোর সর্বোচ্চ ব্যবহার করার চেষ্টা করব। এটাই আমার লক্ষ্য।

সম্প্রতি বিমান দুর্ঘটনায় সুইপারকে বলির পাঁঠা করে অন্যদের রক্ষা করা হয়েছে- এমন অভিযোগ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘না, সুইপারকে বলির পাঁঠা করা হয়নি। এ ঘটনায় সাত/আটজনকে বরখাস্ত করা হয়েছে। তারা কেউ সুইপার নন। যার যে কাজ করার কথা ছিল সে সেই কাজটি করেনি। সন্দেহ নেই, এটা আমাদের সুপারভাইজিং ফেইলিওর।’

চীনে ফ্লাইট পরিচালনা সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘চীন কর্তৃপক্ষ আমাদের যতটুকু ফ্লাইট অপারেশনের অনুমতি দেয় আমরা ততটুকু করব। তারা অফিশিয়ালি বিষয়টি আমাদের জানায়নি। ঢাকায় চীনা দূতাবাসের একটা পোস্ট থেকে বিষয়টি সম্পর্কে আমরা জানতে পারছি’।

বিমানে পাইলট নিয়োগের দুর্নীতির অভিযোগ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে যাহিদ হোসেন বলেন, ‘দুর্নীতি দমন কমিশন-দুদক বিভিন্ন বিষয়ে অনুসন্ধান করছে। ফৌজদারি তদন্তের ক্ষেত্রে যে কোনো সংস্থা স্বাধীন। তদন্তে আমরা সব সময় সহযোগিতা করব। ফৌজদারি তদন্তে যে ফল আসে সে অনুযায়ী আমরা ব্যবস্থা নেব’।

সরকারি কর্মকর্তাদের বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস ব্যবহার না করার বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করলে তিনি বলেন, বিমান ব্যবহারের যে নির্দেশনা দেওয়া আছে সেটা অব্যাহত রয়েছে। মুশকিল হলো তারা যখন কানেকটিং রুটে যান তখন তারা কানেকটিং পান না বলে ওখানে বিমানে চড়েন না।

অভ্যন্তরীণ রুটেও তারা (সরকারি কর্মকর্তারা) বিমানে যাতায়াত করেন না-এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আমরা তো ওনাদের বাধ্য করতে পারি না।

নিউইয়র্ক ফ্লাইটের বিষয়ে তিনি বলেন, এটি নিয়ে সিভিল অ্যাভিয়েশন কাজ করছে। আশা করি দ্রুত সময়ের মধ্যে সুখবর পাব।

অতিরিক্ত সচিব যাহিদ হোসেন ১৩ জুলাই বিমানের এমডি ও সিইও’র দায়িত্ব পান। এর আগে তিনি বিমানের পরিচালক (প্রশাসন ও মানবসম্পদ) হিসেবে দায়িত্বরত ছিলেন। একই সঙ্গে তিনি অতিরিক্ত দায়িত্ব হিসেবে বিমানের প্রকিউরমেন্ট ও লজিস্টিক সাপোর্ট বিভাগের পরিচালক এবং বিপণন ও বিক্রয় বিভাগের পরিচালক ছিলেন।



আরো




মাসিক আর্কাইভ