1. naim@vinnabarta.com : admin_naim :
  2. admin_pial@vinnabarta.com : admin_pial :
  3. admin-1@vinnabarta.com : admin : admin
  4. admin-2@vinnabarta.com : Rumana Jaman : Rumana Jaman
  5. admin-3@vinnabarta.com : Saidul Islam : Saidul Islam
  6. jashimsarkar1980@gmail.com : admin : jashim sarkar
  7. admin@admin.com : happy :
বরগুনায় সাংবাদিকের বিরুদ্ধে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা - |ভিন্নবার্তা




বরগুনায় সাংবাদিকের বিরুদ্ধে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা

ভিন্নবার্তা প্রতিবেদক
  • প্রকাশের সময় : শনিবার, ২৩ জুলাই, ২০২২ ৩:০৪ pm

বরগুনার এক সাংবাদিকের বিরুদ্ধে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা হয়েছে। ইমরান হোসেন (টিটু) নামে ওই সাংবাদিক একাত্তর টিভি ও রাইজিংবিডি ডটকমের বরগুনা প্রতিনিধি হিসেবে কর্মরত আছেন।

জানা যায়, চলতি বছরের ১ মার্চ পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জের ঐতিহ্যবাহী ইয়ার উদ্দিন খলিফার মাজারের দুর্নীতি নিয়ে ইমরান হোসেন টিটুর অনুসন্ধানী প্রতিবেদন প্রচার হয় একাত্তর টিভিতে। মাজার পরিচালনা কমিটির সাধারণ সম্পাদক ও মির্জাগঞ্জ ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শহিদুল ইসলাম মল্লিকের ভাগ্নে বাদল (বাক্স বাদল) প্রতিবেদনটি না করার জন্য একাত্তর টেলিভিশনের বরগুনা অফিসে এসে ঘুষ দিতে চায় ইমরান হোসেনকে। পরে ঘুষ দিতে চাওয়ার ভিডিওসহ প্রতিবেদনটি একাত্তর টিভিতে প্রচার হলে বিভিন্ন মহলে নিন্দার ঝড় ওঠে।

এরপর এপ্রিল মাসের ৫ তারিখ বরিশাল সাইবার ট্রাইব্যুনালে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা করেন বাদল। বিষয়টি শুক্রবার (২২ জুলাই) রাতে জানাজানি হলে তীব্র নিন্দার ঝড় ওঠে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে। একইসঙ্গে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন বাতিলের দাবি জানানো হয়।

বরগুনা সাংবাদিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক আরিফ হোসেন ফসল বলেন, সাংবাদিক ইমরান হোসেন টিটুকে হয়রানি করতে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে মামলা করা হয়েছে। এর আগেও এই সাংবাদিক বিভিন্ন দুর্নীতিবাজদের মুখোশ উন্মোচন করেছেন। মামলা করে কখনোই সাংবাদিকদের লেখা বন্ধ করা যায়নি, যাবে না। সাংবাদিকরা অনিয়ম, দুর্নীতি ও অত্যাচারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদী ভূমিকা রেখে যাবেন। গণমাধ্যমের স্বাধীনতা প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন বাতিলের দাবি জানাচ্ছি। সরকার শিগগিরই এ আইন বাতিল করবেন বলে আশা করছি।

এ বিষয়ে একাত্তর টেলিভিশনের বরগুনা প্রতিনিধি ও বরগুনার সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি ইমরান হোসেন টিটু বলেন, প্রতিবেদন করার সময় বাদল নামে একজন গ্লোবাল টেলিভিশনের প্রতিনিধি পরিচয় দিয়ে আমার বরগুনা অফিসে দেখা করতে আসেন। এ সময় তিনি প্রতিবেদন বন্ধ করার জন্য ঘুষের প্রস্তাব দেন আমাকে।

আমি এসব কথোপকথন ভিডিও রেকর্ড করে প্রতিবেদনের সঙ্গে যুক্ত করে প্রচার করি। এর এক মাস পর বাদল বাদী হয়ে বরিশাল সাইবার ট্রাইব্যুনালে আমার বিরুদ্ধে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা করেন। বিষয়টি যেকোনো উপায়ে তারা ধামাচাপা দিয়ে রাখে এতদিন। গতকাল রাতে আমি একটি সূত্রের মাধ্যমে মামলার বিষয়ে জানতে পারি। এরপর আমি সাইবার ট্রাইব্যুনালে খোঁজ নিয়ে মামলার সত্যতা জানতে পারি।

তিনি আরও বলেন, এই বাদল আমাকে প্রতিবেদন বন্ধ করার জন্য ঘুষ দিতে চেয়েছে, আমি ঘুষ না নিয়ে প্রতিবেদন প্রচার করি। এটা কি আমার অন্যায়? তিনি ঘুষ দিতে চেয়েছেন এটা অন্যায় নয়? আমি তদন্তকারী পুলিশ, প্রশাসন, আদালতের প্রতি শ্রদ্ধা রাখি। আমি আশা করি, পুলিশ সঠিক তদন্ত করে প্রতিবেদন দেবে এবং এই মামলা থেকে আমি মুক্তি পাব।
ভিন্নবার্তা ডটকম/এন



আরো




মাসিক আর্কাইভ