
এডিস মশা নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে নগরবাসীকে ডেঙ্গু থেকে সুরক্ষা দিতে ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের (ডিএনসিসি) মেয়র মোঃ আতিকুল ইসলামের নির্দেশনায় বছরব্যাপী মশকনিধন কার্যক্রমের পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। এরই অংশ হিসাবে শনিবার চিরুনি অভিযান পরিচালনা করেছে ডিএনসিসিছ। এতে ৯১ টি স্থাপনায় এডিসের লার্ভা পাওয়া গেছে। ফলে এসব স্থাপনার মালিকদের ১লক্ষ ৫৫ হাজার টাকা জরিমানা করেছে ডিএনসিসি।
জানা গেছে, সকাল ১০টা থেকে ডিএনসিসির ৫৪টি ওয়ার্ডে একযোগে বিশেষ এই পরিচ্ছন্নতা অভিযান পরিচালিত হয়েছে। এতে মোট ১২ হাজার ৬১৯ টি বাড়ি, স্থাপনা, নির্মাণাধীন ভবন পরিদর্শন করে ৯১ টিতে এডিস মশার লার্ভা পাওয়া যায়। এছাড়া ৮ হাজার ৭৬৪ টি বাড়ি/স্থাপনায় এডিস মশা বংশবিস্তার উপযোগী পরিবেশ পাওয়া যায়। এসময়ে ১২ টি মামলায় মোট ১ লক্ষ ৫৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। এছাড়া, অন্যান্য বাড়ি ও স্থাপনার মালিককে সতর্ক করা হয়েছে।
এছাড়া, উত্তরা অঞ্চল-১ এর অধীনে মোট ৬৭২ টি বাড়ি ও স্থাপনা পরিদর্শন করে ৭ টিতে এডিস মশার লার্ভা লার্ভা পাওয়া গেলে ২টি মামলায় মোট ২০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। এছাড়া ৫২০ টি বাড়ি/ স্থাপনায় এডিস মশার প্রজনন উপযোগী পরিবেশ পাওয়া গেছে। সেখানে ১০টি বাড়িকে নোটিশ প্রদান করা হয়েছে। মিরপুর অঞ্চল-২ এর অধীনে মোট ২হাজার ৬১৮টি বাড়ি ও স্থাপনা পরিদর্শন করে ১টিতে এডিস মশার লার্ভা লার্ভা পাওয়া যায় এবং ১ হাজার ৩০৯ টি বাড়ি/ স্থাপনায় এডিস মশার প্রজনন উপযোগী পরিবেশ পাওয়া যায়। এছাড়া ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে ৭টি মামলায় মোট ১লক্ষ ২০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
মহাখালী, অঞ্চল-৩ এর অধীনে মোট ১ হাজার ৫৩০ টি বাড়ি/স্থাপনা পরিদর্শন করে ৩১ টিতে এডিস মশার লার্ভা পাওয়া যায় এবং ৯৫০ টি বাড়ি/ স্থাপনায় এডিস মশার প্রজনন উপযোগী পরিবেশ পাওয়া যায়। মিরপুর ১০, অঞ্চল-৪ এর অধীনে মোট ১হাজার ৬০৪টি বাড়ি ও স্থাপনা পরিদর্শন করে ৯টিতে এডিস মশার লার্ভা লার্ভা পাওয়া গেলে বাড়ির মালিকদেরকে সতর্ক করে লার্ভা ধ্বংস করা হয়। এছাড়া ১হাজার ১৭১টি বাড়ি/ স্থাপনায় এডিস মশার প্রজনন উপযোগী পরিবেশ পাওয়া যায়।
কারওয়ান বাজার এলাকায় ১২টিতে এডিস মশার লার্ভা পাওয়া যায়। এসময়ে ৩টি মামলায় মোট ১৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। আরেকটি খালি ব্যক্তিমালিকানাধীন জমিতে এবং পানি উন্নয়ন বোর্ডের কার্যালয়ের ভেতরে লার্ভা পাওয়া যাওয়ায় তাদের বিরুদ্ধে নিয়মিত মামলা করার পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে। এছাড়া ১ হাজার ৫৮২টি বাড়ি/ স্থাপনায় এডিস মশার প্রজনন উপযোগী পরিবেশ পাওয়া যায়। সেসব স্থানে কীটনাশক ছিটানো হয়েছে। হরিরামপুর, অঞ্চল-৬ এর অধীনে মোট ১হাজার ৪৩৪ টি বাড়ি ও স্থাপনা পরিদর্শন করে ১৭ টিতে এডিস মশার লার্ভা পাওয়া যায়।
এছাড়া ১হাজার ১৩১ টি বাড়ি/ স্থাপনায় এডিস মশার প্রজনন উপযোগী পরিবেশ পাওয়া যায়। এছাড়া, দক্ষিণখান ২ টিতে এডিস মশার লার্ভা পাওয়া গেছে। উত্তরখানে ২টি স্থাপনায় এডিস মশার লার্ভা পাওয়া গেছে। ভাটারায় ৫ টিতে এডিস মশার লার্ভা পাওয়া যায়। সাঁতারকুলে ৫টিতে এডিস মশার লার্ভা পাওয়া গেলে বাড়ির মালিকদেরকে সতর্ক করে লার্ভা ধ্বংস করা হয়।