1. [email protected] : admin : jashim sarkar
  2. [email protected] : admin_naim :
  3. [email protected] : admin_pial :
  4. [email protected] : admin : admin
  5. [email protected] : Rumana Jaman : Rumana Jaman
  6. [email protected] : Saidul Islam : Saidul Islam
পুরান ঢাকা আধুনিকায়নের উদ্যোগ ৭ বছরেও বাস্তবায়ন হয়নি |ভিন্নবার্তা
শিরোনাম:

পুরান ঢাকা আধুনিকায়নের উদ্যোগ ৭ বছরেও বাস্তবায়ন হয়নি

vinnabarta.com
  • প্রকাশ : বৃহস্পতিবার, ১১ ফেব্রুয়ারী, ২০২১

গত সাত বভচর আগে রাজধানীর পুরান ঢাকা আধুনিকায়নে উদ্যোগ নিয়েছিল রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ রাজউক। এ লক্ষ্যে একটি প্রকল্পও গ্রহণ করা হয়েছিল। কিন্ত এখন পর্যন্ত প্রকল্পটি আলোর মুখ দেখেনি। কবে নাগাদ প্রকল্পটি বাস্তবায়ন হবে তার সঠিক কোন উত্তরও নেই রাজউকের কাছে। তবে প্রকল্পটি বাস্তবায়ন হলে এ এলাকার সব ধরনের সমস্যা সমাধান হবে বলে রাজউক সূত্রে জানা গেছে।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, এ প্রকল্প বাস্তবায়নের লক্ষ্যে সাত বছর আগে পুরান ঢাকার ঘনবসতিপূর্ণ ও ঘিঞ্জি এলাকায় অধিক পুরান ও ঝুঁকিপূর্ণ ভবনের তালিকাও তৈরি করেছিল রাজউক। এছাড়া, এলাকার ঝুঁকি নিরসন ও আধুনিকায়নের জন্য নতুন পরিকল্পনা ও নকশা তৈরিও করা হয়েছিল। রাজউকের তত্ত্বাবধায়নে পুরো কাজটি বাস্তবায়ন করার কথা ছিল স্থানীয় বাসিন্দাদের। নগর কমিটি, পুরান ঢাকার পঞ্চায়েত কমিটি, নগর পরিকল্পনাবিদ ও পরিবেশবিদদের সমন্বয়ে গঠিত টিমের মতামতের ভিত্তিতে ভবন নির্মাণ ও আনুষঙ্গিক সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করার কথাও জানিয়েছিল রাজউক।

রাজউক জানায়, নানা জটিলতায় প্রকল্পটির কাজ শুরু করা সম্ভব হয়নি। তবে প্রকল্পটি বাস্তবায়নে কাজ চলছে। এ প্রকল্পের মাধ্যমে পুরান ঢাকার যেসব এলাকায় গাড়ি চলাচলের মতো রাস্তা নেই ওইসব এলাকার ভবন ভেঙ্গে রাস্তা প্রশস্তকরণ বা স্কুল-কলেজ না থাকলে তা স্থাপন করা হবে। তবে এক্ষেত্রে ঐতিহাসিক কোন স্থাপনা থাকলে তা রেখেই প্রকল্পের কাজ করা হবে। এ নিয়ে ইতোমধ্যে পুরান ঢাকার একাধিক বাসিন্দার সাথে রাজউকের একটি টিম প্রাথমিক আলোচনা করেছে। এতে তাদের সম্মতি পাওয়া গেছে। পর্যায়ক্রমে নগরীর অপরিকল্পিত আবাসিক এলাকাগুলোতে এ প্রকল্পের আওতায় আনা হবে।

রাজউক সূত্রে জানা গেছে, নগরীর অবসবাসযোগ্য এলাকা বাসযোগ্য করাই এ প্রকল্পটির মূল উদ্দেশ্য। এক্ষেত্রে পুরান ঢাকায় ঝুঁকিপূর্ণ ভবন বেশি থাকায় প্রাথমিকভাবে সে এলাকায় প্রকল্পটির প্রাথমিক কার্যক্রম শুরু হবে। এছাড়া, এ প্রকল্পের মধ্যে রয়েছে যেসব জায়গায় স্কুল-কলেজ নেই বা যাতায়াতের জন্য প্রয়োজনীয় রাস্তা নেই। সেসব এলাকায় নতুন নতুন রাস্তা সৃষ্টি করা স্কুল-কলেজ স্থাপন করা।

তাছাড়া দুর্যোগ থেকে উদ্ধার করার যথাযথ সুযোগ সৃষ্টি করাও প্রকল্পের উদ্দেশ্য। প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে এক’শ বছরের পুরাতন ভবনগুলোও রাজউকের আওতায় চলে আসবে। যা এর আগে কর্তৃপক্ষের আওতায় ছিল না। যখন এগুলো করা হয়েছিল তখন দীর্ঘমেয়াদি পারিকল্পনা না করেই করা হয়েছিল। কিন্তু এখন বাস্তবতার প্রেক্ষাপটে এটা এখন জরুরী হয়ে পড়েছে। এর মাধ্যমে নগর সেবার মান বাড়ানো হবে বলে জানায় রাজউক।

এবিষয়ে রাজউকের রাজউকের চেয়ারম্যান মো : সাঈদ নূর আলম বলেন, প্রকল্পটি বাস্তবায়নের জন্য রাজউক অনেক দিন আগেই প্ল্যান করে রেখেছিল। কিন্তু নানা জটিলতায় তা বাস্তবায়নের উদ্যোগ সম্ভব নেয়া হয়নি। তবে এটি বাস্তবায়নের জন্য আমরা কাজ করছি। আশা করি খুব তাড়াতাড়ি এ প্রকল্পের কাজ শুরু করা হবে। তিন বলেন, এ কাজে রাজউক তদারকি ও নির্দেশনা দেব। বাকি কাজ ওই জায়গার মালিক বা ভবন মালিককে করতে হবে।

এক্ষেত্রে জায়গার মালিক বা স্থানীয়দের জন্য রাজউকের জন্য বিশেষ ছাড় দেয়া হবে। যেমন কেউ যদি এর আওতায় আসে তাহলে তাকে ছয়তলা ভবনের জায়গায় দশতলা বা বেশি অনুমোদন দেয়া হবে। এতে করে ওই ব্যক্তি যে দুটি অতিরিক্ত ফ্ল্যাট পাবে তাতে তার অতিরিক্ত আয়ও হবে। এর ফলে অনেকেই এর আওতায় আসতে চাইবে বলে তিনি মনে করেন।

ভিন্নবার্তা/এমএসআই

আরো পড়ুন

© All rights reserved © 2021 vinnabarta.com
Customized By ProfessionalNews