
ঈদের বাকি আর মাত্র দুদিন। দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলগামী ঘরমুখো মানুষের চাপ বাড়ছে পাটুরিয়া ফেরিঘাট এলাকায়। সময়ের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে দীর্ঘ হচ্ছে অপেক্ষমাণ যানবাহনের সারি। নৌরুট পারের জন্য অপেক্ষা করতে হচ্ছে এক থেকে দেড় ঘণ্টা।
বুধবার (২৯ জুলাই) দুপুর ১২টার দিকে সরেজমিনে পাটুরিয়া ফেরিঘাট এলাকায় তিন শতাধিক ছোট গাড়ি ও শতাধিক বাসের অপেক্ষমাণ সারি দেখা যায়। নৌরুট পারাপারের জন্য কিছুটা সময় অপেক্ষা করলেও তা স্বস্তির মধ্যে রয়েছে বলে জানান যাত্রী ও যানবাহন চালকেরা।
পাটুরিয়া ফেরিঘাটের জিরো পয়েন্ট এলাকায় আফরোজা চৌধুরী লিমা নামে এক বাসযাত্রী বলেন, পরিবারের সাথে ঈদ করতে বাড়ি যাচ্ছেন তিনি। ঢাকা আরিচা মহাসড়ক ফাঁকা থাকায় দ্রুত সময়ে ঢাকা থেকে ঘাটে এসেছেন। ঘাট এলাকায় ফেরির জন্য অপেক্ষায় আছেন এক ঘণ্টা। কিছুক্ষণের মধ্যেই ফেরিতে উঠবে তাদের গাড়ি। ঘাট এলাকায় এক ঘণ্টার অপেক্ষা তেমন ভোগান্তি নয় বলে জানান তিনি।
আমিরুল ইসলাম নামে ব্যক্তিগত গাড়ির এক যাত্রী বলেন, ঈদে ঘরমুখো মানুষের চাপ একসাথে হয়ে যাওয়ায় কিছুটা সময় অপেক্ষা করতে হচ্ছে। তবে সব মিলিয়ে ঘাট এলাকায় এক থেকে দেড় ঘণ্টা সময় অপেক্ষা তেমন একটা ভোগান্তি নয়। প্রিয়জনের সাথে ঈদের আনন্দে এটুকু ভোগান্তি মেনে নেওয়া যায় বলেও জানান তিনি।
ফেরিঘাট এলাকায় ঘরমুখো যাত্রীদের স্বাস্থ্য সেবা দিতে একটি স্থায়ী মেডিকেল টিম ও ভ্রাম্যমাণ আদালত সার্বক্ষণিক কাজ করে যাচ্ছে বলে জানান শিবালয় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রুহুল আমিন।
ঢাকা আরিচা মহাসড়কের ৩৬ কিলোমিটার ও পাটুরিয়া ফেরিঘাট এলাকায় পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে জেলা পুলিশের ৫৭৪ জন সদস্য/কর্মকর্তা কাজ করে যাচ্ছেন বলে জানান জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার হাফিজুর রহমান।
বিআইডব্লিউটিসি আরিচা কার্যালয়ের ডিজিএম জিল্লুর রহমান বলেন, পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া নৌরুটে ঈদে ঘরমুখো যাত্রীদের নিরাপদ যাত্রা নিশ্চিত করতে পুরোপুরি প্রস্তুত রয়েছে কর্তৃপক্ষ। তবে নদীতে তীব্র স্রোত থাকায় ফেরি চলাচল কিছুটা ব্যাহত হচ্ছে। যে কারণে কিছুটা ভোগান্তি হচ্ছে বলে জানান তিনি।
লাইটনিউজ/এসআই