
পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে স্বল্পপরিসরে, যথাসম্ভব লোকসমাগম কমিয়ে বসানো কোরবানির পশুর হাটে যথাযথ স্বাস্থ্যবিধি, সামাজিক দূরত্বসহ অন্যান্য সরকারি নির্দেশনা নিশ্চিত করতে স্থানীয় সরকার বিভাগের অধীন জনপ্রতিনিধি ও স্থানীয় প্রশাসনকে নির্দেশ দিয়েছেন স্থানীয় সরকার মন্ত্রী মো. তাজুল ইসলাম।
বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) মন্ত্রণালয়ের নিজ কক্ষে ঈদুল আজহা উপলক্ষে পশুর হাট ব্যবস্থাপনা, নির্দিষ্ট স্থানে পশু কোরবানি এবং দ্রুত বর্জ্য অপসারণ নিশ্চিতকল্পে অনলাইনে এক সভায় এ নির্দেশ দেন মন্ত্রী।
স্থানীয় সরকার মন্ত্রী বলেন, জেলা প্রশাসক, ইউএনও এবং জনপ্রতিনিধিরাসহ সংশ্লিষ্ট সবাই কীভাবে যথাযথ স্বাস্থ্যবিধিসহ অন্যান্য সরকারি নির্দেশনা মেনে পশুর হাট আয়োজন করা যায়, এ ব্যাপারে যৌথভাবে সিদ্ধান্ত নেবেন।
তিনি বলেন, করোনার বিস্তার রোধে পশুর হাটে লোকসমাগম কমাতে কোন বিস্তীর্ণ এলাকায় পশুর হাট বসালে ভালো হবে, নাকি ছোট ছোট করে বিভিন্ন জায়গায় বসালে ভালো হবে; সব দিক বিবেচনায় নিয়ে স্থানীয় সরকার বিভাগের অধীনস্থ প্রতিষ্ঠান এবং স্থানীয় প্রশাসনকে হাট আয়োজন করতে বলা হয়েছে।
অনলাইনে বা ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম থেকে কোরবারির পশু কেনাবেচার আহ্বান পুনর্ব্যক্ত করে স্থানীয় সরকার মন্ত্রী বলেন, ঈদ উপলক্ষে সীমিত পরিসরে যথাযথ স্বাস্থ্যবিধি মেনে কোরবানির পশুর হাট আয়োজনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
পশুরহাটে কীভাবে স্বাস্থ্যবিধি মানা হবে, স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে এ সংক্রান্ত একটি গাইডলাইন তৈরি করা হয়েছে। করোনার বিস্তাররোধে স্থানীয় সরকার বিভাগ, স্বাস্থ্য অধিদপ্তর এবং সরকারের নির্দেশনা মেনে পশুর হাটে পশু বেচাকেনা করার জন্য দেশবাসীর প্রতি আহ্বান জানান স্থানীয় সরকার মন্ত্রী।
পশুর হাটের স্বাস্থ্য বিধি মানা, ক্রেতা-বিক্রেতা কীভাবে পশুর হাটে আসবেন, হাট কীভাবে বসবে ইত্যাদি বিষয় নিয়ে একটি সচেতনতামূলক টেলিভিশন বিজ্ঞাপন-টিভিসি তৈরি করা হয়েছে, যা মানুষের মধ্যে সচেতনতা বাড়াতে সহায়ক ভূমিকা পালন করবে বলে আশা করেন তাজুল ইসলাম।
এছাড়া, নির্দিষ্ট স্থানে পশু কোরবানি দিয়ে দ্রুত সময়ের মধ্যে বর্জ্য অপসারণ করার জন্য স্থানীয় জনপ্রতিনিধিসহ সবার প্রতি আহ্বান জানান মন্ত্রী।
এ সময় পশুর হাটে যথাযথ স্বাস্থ্যবিধি, সামাজিক দূরত্ব ও সরকারি নির্দেশনা মেনে আয়োজন করা হবে বলে সকল সিটি কর্পোরেশনের মেয়র, বিভাগীয় কমিশনারসহ সংশ্লিষ্ট সবাই মন্ত্রীকে আশ্বস্ত করেন এবং তাদের প্রস্তুতি সম্পর্কে অবহিত করেন।
স্থানীয় সরকার বিভাগের সিনিয়র সচিব হেলালুদ্দীন আহমদের সঞ্চালনায় সভায় ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনসহ সকল সিটি কর্পোরেশনের মেয়র, বিভাগীয় কমিশনার এবং বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের সচিবরা অংশ নেন।