1. [email protected] : admin : jashim sarkar
  2. [email protected] : admin_naim :
  3. [email protected] : admin_pial :
  4. [email protected] : admin : admin
  5. [email protected] : Rumana Jaman : Rumana Jaman
  6. [email protected] : Saidul Islam : Saidul Islam
নীলফামারীতে আরো সক্রিয় মাদক ব্যবসায়ীরা - |ভিন্নবার্তা

নীলফামারীতে আরো সক্রিয় মাদক ব্যবসায়ীরা

vinnabarta.com
  • প্রকাশ : বুধবার, ১৯ আগস্ট, ২০২০, ০৬:৩৯ pm

নীলফামারীতে সক্রিয় হয়ে উঠেছে মাদক ব্যবসায়ীরা। করোনা ভাইরাসের কারনে মাদক বিরোধী অভিযানের গতি ও পুলিশের তেমন কোন তৎপরতা না থাকায় মাদক ব্যবসায়ীরা নির্বিঘ্নে কারবার চালিয়ে যাচ্ছে। ফলে জেলা জুড়ে মাদক ভয়াবহ রুপ ধারন করেছে।

বলা যায়, গত ৪ মাস ধরে সদর, সৈয়দপুর, ডোমার, ডিমলা, জলঢাকা ও কিশোরগঞ্জ উপজেলায় পুলিশের মাদকবিরোধী বড় ধরনের কোন অভিযান নেই। করোনায় পুলিশের সচেতনতা কাজে ব্যস্ত থাকার সুযোগ কাজে লাগিয়ে তারা মাদকের কারবার চালিয়ে যাচ্ছে। পুরাতন ব্যবসায়ীরা ভিন্ন কৌশলে শুরু করেছে তাদের মাদক ব্যবসা। পাশাপাশি যুক্ত হচ্ছে এখন নতুন ব্যবসায়ী। চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ীরা বিতাড়িত হলেও স্থান পরির্বতন করে নিজেরা মাঠে না থেকে শিশু-কিশোরদের দিয়ে মাদক বিক্রি ও সরবারাহের কাজ করাচ্ছে। এমনকি অনেক বাসা বাড়িতে বসছে মাদকের হাট। তবে পুলিশের পক্ষে বলা হচ্ছে মাদকের ক্ষেত্রে তাঁদের অবস্থান জিরো টলারেন্স।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, সৈয়দপুর উপজেলার পৌর এলাকার ইসলামবাগ, আদানি মোড়, গোলাহাট, হাতিখানা, সাহেবপাড়া, নুতন বাবুপাড়া, রসুলপুর, সৈয়দপুর আবাসনসহ ১৫টি ওয়ার্ডেই কমবেশি মাদকের ভয়াবহতা বৃদ্ধি পেয়েছে। মাদকের হটস্পট বলে পরিচিত এসব এলাকায় সকাল হতে গভীর রাত পর্যন্ত বসছে মাদকের হাট। এছাড়া কিছু এলাকায় মটরসাইকেল ম্যাকানিকের দোকান, সেলুন, ইলেক্ট্রনিক্স ও ছোট ছোট মুদি দোকানে অন্য ব্যবসার আড়ালে বিক্রি হচ্ছে হেরোইন, ফেন্সিডিল, ইয়াবা ও গাঁজা।

শহর ছেড়ে ইউনিয়ন পর্যায়েও ঘটেছে মাদকের বিস্তার। দু’বছর আগেই যে সকল মাদক ব্যবসায়ী বিতাড়িত হয়ে এবং প্রশাসনের কাছে প্রতিশ্রুতি দিয়ে ব্যবসা বন্ধ করেছিল কিংবা নিস্ক্রিয় ছিল তারাও এখন সক্রিয়ভাবে জড়িয়ে পড়েছে। চিহ্নিত এসব মাদক ব্যবসায়ী ভারত থেকে মাদকদ্রব্য এনে দেদারসে বিক্রি করছে। সূত্র অনুযায়ী এ বছর ভারত থেকে কোরবানীর পশু তেমন না এলেও এসেছে বিপুল পরিমানে মাদক দ্রব্য। কোরবানির সময় নীলফামারীতে এতটাই মাদকদ্রব্য এসেছে যা গত ৫ বছরেও আসেনি।

অনুসন্ধানে জানা গেছে, সৈয়দপুর উপজেলায় মাদক সম্রাট ও সম্রাজ্ঞী বলে পরিচিত সাহেবপাড়া এলাকা থেকে এলাকাবাসী কতৃক বিতাড়িত হয়ে দুই জন মাদক ব্যবসায়ী এখন আস্তানা গেড়েছে গোলাহাট নতুন বিহারী ক্যাম্পে। এছাড়া ইসলামবাগ, রসুলপুর, হাতিখানা, আদানিমোড়, সাহেবপাড়া এলাকার চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী যারা মাদকের কারবার ছেড়ে দিয়ে অন্যান্য পেশায় কাজ করতেন তারাও করোনা ভাইরাসের কারনে কর্মসংস্থান হারিয়ে পুরাতন পেশাতেই ফিরেছে। তাদের পাশাপাশি যুক্ত হয়েছে নতুন মুখ। নতুন যারা ব্যবসার সাথে জড়িয়ে পড়েছে তাদের নাম ও তালিকা থানা পুলিশের কাছে নেই।

যার কারনে তারা পুলিশের ধরাঁছোয়ার বাইরে থেকে যাচ্ছে। এমনকি পুলিশের সামনে দিয়েই তারা মাদক আনা নেয়া করলেও তাদের সন্দেহ করতে পারছে না। এমন চিত্র অন্যান্য উপজেলাতেও। জেলা পর্যায়ে মাদক নির্মুল কমিটি করা হলেও কার্যকারিতা নেই। এমনকি উপজেলা পর্যায়ে মাদক নির্মুল কমিটির অনেক সদস্যই প্রত্যক্ষ কিংবা পরোক্ষভাবে মাদক ব্যবসার সাথে জড়িত। এদিকে মাদক ব্যবসা বেড়ে যাওয়ায় বিভিন্ন এলাকায় বৃদ্ধি পেয়েছে চুরির ঘটনা। গত মাসে এক রাতেই সৈয়দপুর বিমানবন্দর এলাকার ৭টি দোকান চুরির ঘটনা ঘটে। এলাকাবাসী এ জন্য মাদকসেবীদেরই দায়ী করছে। এ ব্যাপারে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সৈয়দপুর সার্কেল) অশোক কুমার পাল বলেন, মাদক নির্মূলে ইতোমধ্যে পুরো জেলাতে বিট পুলিশিং কার্যক্রম শুরু হয়েছে। হয় মাদক ছাড় না হয় এলাকা ছাড় এই শ্লোগান কে সামনে রেখে জনগনকে সাথে নিয়ে মাদকসেবী ও বিক্রেতাদের প্রতিহত করার কথা জানান তিনি।

ভিন্নবার্তা/এসআর

আরো পড়ুন

মাসিক আর্কাইভ

© All rights reserved © 2021 vinnabarta.com
Customized By Design Host BD