1. jashimsarkar1980@gmail.com : admin : jashim sarkar
  2. naim@vinnabarta.com : admin_naim :
  3. admin_pial@vinnabarta.com : admin_pial :
  4. admin-1@vinnabarta.com : admin : admin
  5. admin-2@vinnabarta.com : Rumana Jaman : Rumana Jaman
  6. admin-3@vinnabarta.com : Saidul Islam : Saidul Islam
দুই বছরে চাহিদাকে ছাড়িয়ে যাবে তামার বৈশ্বিক সরবরাহ - |ভিন্নবার্তা




আরবিসি ক্যাপিটাল মার্কেটসের পূর্বাভাস

দুই বছরে চাহিদাকে ছাড়িয়ে যাবে তামার বৈশ্বিক সরবরাহ

ভিন্নবার্তা প্রতিবেদক
  • প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, ২১ জুন, ২০২২ ১০:১৩ am

দুই বছরের মধ্যে চাহিদাকে ছাড়িয়ে যাবে তামার বৈশ্বিক সরবরাহ। এ সময়ের মধ্যে বেশ কয়েকটি বড় খনি প্রকল্প চালু হওয়ার কথা। এসব খনি থেকে বিপুল পরিমাণ তামা উত্তোলনের সম্ভাবনা রয়েছে, যা বৈশ্বিক সরবরাহ সংকট কাটাতে সহায়তা করবে। সম্প্রতি এক প্রতিবেদনে এমন পূর্বাভাস দিয়েছেন আন্তর্জাতিক বিনিয়োগ ব্যাংক আরবিসি ক্যাপিটাল মার্কেটসের বিশ্লেষকরা।

প্রতিষ্ঠানটি এক নোটে জানায়, চলতি বছর বিশ্ববাজারে শিল্প ধাতুটির গড় দাম পাউন্ডপ্রতি ৪ ডলার ৩২ সেন্টে অবস্থান করবে। ২০২৩ ও ২০২৪ সালে প্রতি পাউন্ডের দাম কমে ৩ ডলার ৭৫ সেন্টে নেমে আসবে। এ সময় বাজারে ঘাটতির পরিবর্তে উদ্বৃত্ত থাকবে। যদিও উদ্বৃত্তের আকার বেশি বড় হবে না।

চলতি বছরের মাঝামাঝি ও আগামী বছরের শুরুর দিকে শীর্ষ দেশগুলোয় বেশ কয়েকটি বড় তামা খনি প্রকল্প চালু হওয়ার কথা। এগুলোর মধ্যে অন্যতম পেরুর কোয়েলাভেকো, সার্বিয়ার তিমোক ও চিলির কোয়েব্রাডা ব্লাঙ্কা ফেইজ ২। এসব খনি উত্তোলন শুরু করলে চাহিদা প্রবৃদ্ধির হার স্বাভাবিক হয়ে উঠবে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা। অন্যদিকে চাহিদার চেয়েও বেশি সরবরাহ আসবে।

মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে আগ্রাসীভাবে মুনাফার হার বাড়াচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় ব্যাংক। অন্যদিকে চীনে করোনা ঠেকাতে কঠোর লকডাউন চলছে। এছাড়া বেশ কয়েকটি দেশের অর্থনীতিক অবস্থা মন্দার দিকে। এসব কারণে শিল্প ধাতুটি নিয়ে অনিশ্চয়তা খাতসংশ্লিষ্টদের জন্য দুশ্চিন্তা হয়ে দাঁড়িয়েছে।

আরবিসি বলছে, আগামী বছর চাহিদায় নিম্নমুখী প্রবণতার পাশাপাশি নতুন নতুন সরবরাহ বাজারে বেশ ভালো ভারসাম্য আনতে পারে। এ সময় মধ্যমেয়াদি পরিস্থিতি ইতিবাচক থাকবে।

তামাকে বিশ্ব অর্থনৈতিক পরিস্থিতির পরিমাপক হিসেবে বিবেচনা করা হয়। চলতি বছরের মার্চে ধাতুটির দাম ১০ হাজার ৮৪৫ ডলারে উঠে এসেছিল, যা রেকর্ড সর্বোচ্চ। এরপর ধাতুটির বাজারে স্থিতি ফিরতে শুরু করে। আরবিসির দেয়া তথ্য বলছে, মার্চের পর থেকে এখন পর্যন্ত তামার বৈশ্বিক দাম ১৩ শতাংশ কমেছে।

প্রতিষ্ঠানটি আরো জানায়, চীনে সরকারি প্রণোদনা ও ভর্তুকি তামা খাতকে ঘুরে দাঁড়াতে সহায়তা করছে। যদিও এসব প্রণোদনা ২০২০ সালের মতো প্রভাব তৈরি করতে পারবে না। কারণ দেশটির প্রপার্টি মার্কেট চ্যালেঞ্জের মধ্যে।

মহামারীতে বিপর্যস্ত অর্থনীতিকে পুনরুজ্জীবিত করতে সম্প্রতি চীনের মন্ত্রিপরিষদ ৩৩টি উদ্যোগসংবলিত একটি প্যাকেজ ঘোষণা করেছে। এতে অর্থনৈতিক, বিনিয়োগ ও শিল্পসংক্রান্ত বিভিন্ন নীতি অন্তর্ভুক্ত, যা তামা শিল্পের জন্য আশীর্বাদ।

আরবিসি বলছে, বর্তমানে ধাতুটির বৈশ্বিক মজুদ ইতিহাসের সর্বনিম্নে। এ পরিস্থিতিতে চাহিদা বৃদ্ধি কিংবা ঘাটতির আশঙ্কা তৈরি হলে তা বাজারকে আরো বেশি অস্থিতিশীল করে তুলতে পারে। এজন্য পর্যাপ্ত পদক্ষেপ ও ভর্তুকি প্রয়োজন। বর্তমানের চেয়ে বেশি সরবরাহ ও ঊর্ধ্বমুখী দাম নিয়ন্ত্রণে উৎপাদন বাড়াতে হবে।
ভিন্নবার্তা ডটকম/এসএস



আরো




মাসিক আর্কাইভ