1. admin-1@vinnabarta.com : admin : admin
  2. admin-2@vinnabarta.com : Rumana Jaman : Rumana Jaman
  3. admin-3@vinnabarta.com : Saidul Islam : Saidul Islam
  4. bddesignhost@gmail.com : admin : jashim sarkar
  5. newspost2@vinnabarta.com : ebrahim-News :
  6. vinnabarta@gmail.com : admin_naim :
  7. admin_pial@vinnabarta.com : admin_pial :
শিরোনাম :
নেত্রকোনায় নানা আয়োজনে পালিত হচ্ছে পহেলা বৈশাখ জুলাই সনদের প্রত্যেকটি শব্দ আমরা বাস্তবায়ন করবো : প্রধানমন্ত্রী আনন্দ শোভাযাত্রা,কাবাডি,নাচে,গানে সরকারি শিশু পরিবারে বর্ণাঢ্য আয়োজন কৃষক কার্ড বিতরণে রাজনৈতিক বিবেচনা বা অনিয়মের সুযোগ নেই: আইনমন্ত্রী কৃষি ও কৃষকই অর্থনীতির মূল চালিকাশক্তি: তথ্যমন্ত্রী মাদক নির্মূলে শিগগিরই বিশেষ অভিযান : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বিসিক উদ্যোক্তাদের জন্য ২০০০ কোটি টাকা ঋণের ব্যবস্থা করছি : শিল্পমন্ত্রী দেশের একমাত্র তেল শোধনাগার বন্ধ ঘোষণা হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৯ শিশুর মৃত্যু, নতুন শনাক্ত ১১০৫ ২ কোটি ৭৫ লাখ কৃষককে কার্ড দেওয়া হবে : প্রধানমন্ত্রী

দক্ষিণ এশিয়ায় ভয়াবহ বন্যা

ভিন্নবার্তা প্রতিবেদক
  • প্রকাশের সময় : সোমবার, ২০ জুলাই, ২০২০ ১০:২৩ am

করোনা ভাইরাস মহামারির মধ্যে দক্ষিণ এশিয়া ও চীনে আঘাত হেনেছে ভয়াবহ বন্যা। ভারি বৃষ্টিপাতে নদ-নদীর পানি বেড়ে যাওয়ায় নেপাল, ভারত ও বাংলাদেশের ১০ লাখ মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছে। হাজার হাজার মানুষ নিজেদের ঘরবাড়ি ছেড়ে উঁচু স্থানে আশ্রয় নিয়েছে।

ভারতে মারা গেছে অন্তত ১০১ জন। বাস্তুহারা হয়েছে ৩০ লাখ মানুষ। প্রায় সমান অবস্থা নেপালেও। গত এক মাসে দেশটিতে বাস্তুচ্যুত হয়েছেন ১০ লাখের বেশি মানুষ। বন্যা-ভূমিধসে দেশটিতে মারা গেছে অন্তত ১১৭ জন।

নেপালের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রাম বাহাদুর থাপার অভিযোগ, ভারতের হস্তক্ষেপের কারণে দক্ষিণাঞ্চলে বন্যা ছাড়াও অন্যান্য প্রাকৃতিক দুর্যোগের মতো পরিস্থিতির শিকার হচ্ছে নেপাল। সম্প্রতি দেশটির সংসদীয় কমিটির এক বৈঠকে তিনি বলেন, নেপালের সঙ্গে সীমান্ত এলাকায় ভারত অনেক অবকাঠামো নির্মাণ করেছে। এগুলোর কারণে বহু বছর ধরে নেপালকে ভুগতে হচ্ছে। ভারতের বন্যায় ডুবে যাচ্ছে নেপাল।

দক্ষিণ এশিয়ার এ তিন দেশে বন্যা ও ভূমিধসে গত এক মাসে অন্তত ২২১ জনের মৃত্যু হয়েছে বলে জানিয়েছে আলজাজিরা। ভারতের কর্মকর্তারা বলেছেন, দেশটির উত্তর-পূর্বাঞ্চলে বন্যা ও ভূমিধসে নতুন করে প্রাণ হারিয়েছে ১৬ জন। ভারতের ফায়ার সার্ভিস নিয়ন্ত্রণকক্ষ শুক্রবার জানায়, ভারি বর্ষণের কারণে বৃহস্পতিবার মুম্বাইয়ের দুই ভবনের আংশিক ধসে পড়ে। এতে এক ভবনের ছয়জন এবং অন্য ভবনের দু’জন প্রাণ হারান।

ভারতীয় কর্মকর্তারা বলেছেন, চীনের তিব্বত, ভারত ও বাংলাদেশের ওপর দিয়ে বহমান ব্রহ্মপুত্র নদের পানি গত মাসে বৃষ্টির কারণে বেড়ে যায়। এতে নদের পানিতে প্লাবিত হয় আসাম রাজ্যের নিম্নাঞ্চল। সেখানে ভূমিধসে প্রায় ৩০ লাখ মানুষ ঘরহারা হয়েছে। আসাম রাজ্য সরকারের দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষের প্রধান এমএস মনিবানান বলেন, বিভিন্ন এলাকা থেকে প্রায় ৪ হাজার লোককে উদ্ধার করেছে কর্তৃপক্ষ। প্রায় ৩৬ হাজার মানুষ ৩০০ সরকারি আশ্রয় কেন্দ্রে আশ্রয় নিয়েছে। আসামে মানুষের পাশাপাশি প্রাণীরাও বন্যায় আক্রান্ত হয়েছে। আসামের ৪৩০ বর্গকিলোমিটার আয়তনের বিখ্যাত কাজীরাঙ্গা ন্যাশনাল পার্কের ৯০ শতাংশই পানিতে তলিয়ে গেছে। রাজ্যের বনমন্ত্রী পরিমল সুক্লবৈদ্য এএফপিকে বলেন, ‘আমি বলতে পারি, সাম্প্রতিকালে রাজ্যের ভয়াবহ বন্যার একটি এবারের বন্যা।’

ভারতের দরিদ্র রাজ্য বিহারের পূর্বাঞ্চলের অন্তত ৯টি নদীর পানি বিপৎসীমা ছাড়িয়ে যাওয়ায় অনেক গ্রাম ডুবে গেছে। গন্ডকি নদীর পানির তোড়ে বিলীন হয়ে গেছে বিহারের গোপালগঞ্জ জেলার কোটি কোটি ডলারের নবনির্মিত সেতুর সব সংযোগ সড়ক। ফলে সেখানকার সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে।

এর ওপর শুক্রবার থেকে আগামী ৪৮ ঘণ্টায় রাজ্যে ভারি বৃষ্টিপাতের পূর্বাভাস দিয়েছে রাজ্যের রাজধানী পাটনার আবহাওয়া অফিস। নেপালের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বলেছে, গত এক মাসে বর্ষাসংক্রান্ত দুর্ঘটনায় দেশটিতে অন্তত ১১৭ জন মারা গেছে। এর মধ্যে পার্বত্য এলাকায় ভূমিধস ও দক্ষিণের সমতল অঞ্চলে বন্যার কারণে এসব প্রাণহানির ঘটনা ঘটে। অন্তত ৪৭ জন নিখোঁজ রয়েছে। আহত হয়েছে ১২৬ জন। ভারতের সঙ্গে বন্যা নিয়ন্ত্রণ নিয়ে শিগগির বৈঠকে বসতে যাচ্ছে বলে জানিয়েছেন নেপালের পানিমন্ত্রী বর্ষাম্যান পুন।

রয়টার্স বলছে, এশিয়ার দেশ চীনের মধ্য ও পূর্বাঞ্চলজুড়ে প্রবল বৃষ্টিপাতে কয়েক দশকের মধ্যে ভয়াবহ বন্যা দেখা দিয়েছে। বৃষ্টিতে নদী ও হ্রদের পানি উপচে যাওয়ায় উহান শহরে, আনহুই, জিয়াংশি ও ঝেঝিয়াং প্রদেশে শুক্রবার ‘সর্বোচ্চ সতর্কতা’ জারি করেছে কর্তৃপক্ষ। উহানে বন্যার কারণে ব্যাহত হচ্ছে করোনা মোকাবেলায় কার্যক্রম।

বৃষ্টিতে উহানের ইয়াংজি নদীর পানি বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হওয়ার আশঙ্কা দেখা দেয়ায় সেখানকার বাসিন্দাদের পূর্বসতর্কতামূলক ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে। বিশালাকার তিনটি পাহাড়ি জলাধারে পানি বিপৎসীমার ১০ মিটারের বেশি বেড়ে গেছে। জিয়াংশি প্রদেশে পয়্যাং হ্রদের পানিও বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। সাংহাইয়ের একটি হ্রদের পানি বিপৎসীমার ওপর চলে যায়।



আরো




আর্কাইভ ক্যালেন্ডার

শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
 
১০
১১১২১৩১৪১৫১৬১৭
১৮১৯২০২১২২২৩২৪
২৫২৬২৭২৮২৯৩০  

মাসিক আর্কাইভ