1. [email protected] : admin : jashim sarkar
  2. [email protected] : admin_naim :
  3. [email protected] : admin_pial :
  4. [email protected] : admin : admin
  5. [email protected] : Rumana Jaman : Rumana Jaman
  6. [email protected] : Saidul Islam : Saidul Islam
ঝুঁকিপূর্ণ গাজীপুরে খুলল ৫২৭ কারখানা - |ভিন্নবার্তা
 বেতনের দাবিতে ভাঙচুর-অগ্নিসংযোগ

ঝুঁকিপূর্ণ গাজীপুরে খুলল ৫২৭ কারখানা

vinnabarta.com
  • প্রকাশ : সোমবার, ২৭ এপ্রিল, ২০২০, ০৭:২৮ pm

করোনা মধ্যেই সোমবার (২৭ এপ্রিল) দুপুর পর্যন্ত গাজীপুরে ৫২৭টি শিল্প কারখানা খুলেছে। এর মধ্যে বিজিএমইএ’র ২৯১টি, বিকেএমইএ’র ৩৫টি, বিটিএমইএ’র ২৯টি এবং অন্যান্য ১৭২টি কারখানা খোলা রয়েছে বলে নিশ্চিত করেছে শিল্প পুলিশ।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, সকালে বকেয়া বেতনের দাবিতে সিটি করপোরেশনের ভোগড়া এলাকার স্টাইলিস্ট নামে একটি পোশাক করাখানার শ্রমিকরা ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেন। এ সময় ওই সড়কে চলাচলকারী পণ্যবাহী গাড়ি আটকা পড়ে।

এক পর্যায়ে শ্রমিকরা টায়ার জ্বালিয়ে বিক্ষোভ করে এবং ৩টি মোটরসাইকেল পুড়িয়ে দেয়। ইটপাটকেল ছুড়ে পাশের কয়েকটি কারখানার কাঁচ ভাঙচুর করে। পরে পুলিশ টিয়ারশেল নিক্ষেপ করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এ ঘটনায় কয়েকজন শ্রমিক আহত অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি রয়েছে। এছাড়া টঙ্গীর ইউনাইটেক্স নামে একটি কারখানার সামনে শ্রমিকরা মার্চ মাসের বেতনের দাবিতে বিক্ষোভ করেছেন।

গাজীপুর শিল্প পুলিশের অতিরিকক্ত পুলিশ সুপার সুশান্ত সরকার বলেন, কারখানা লে-অফ ঘোষণা এবং কিছু শ্রমিকের পাওনা বকেয়া বেতনের দাবিতে শ্রমিকরা ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়ক অবরোধ করে টায়ার, মোটরসাইকেলে অগ্নিসংযোগ করে এবং পাশের কয়েকটি কারখানায় ঢিল ছুড়ে কাঁচ ভাঙচুর করতে থাকে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কয়েক রাউন্ড টিয়ারশেল নিক্ষেপ করে তাদের ছত্রভঙ্গ করে দেয়া হয়।

তিনি আরো বলেন, ইতোপূর্বে আমরা শ্রমিক নেতাদের সঙ্গে বসে আলোচনা করেছি। বেতন-ভাতা এগুলো যৌক্তিক দবি। আমরা বলেছি, কোনো কারখানায় সমস্যা থাকলে আমাদের জানান- আমরা কথা বলে সমাধান করে দেব।

জেলা শিল্প পুলিশের ওই কর্মকর্তা আরো জানান, গাজীপুরে মোট কারখানার সংখ্যা ২ হাজার ৭২টি। এর মধ্যে সোমবার দুপুর পর্যন্ত ৫২৭টি কারখানা খুলেছে।

তিনি বলেন, কারখানা কর্তৃপক্ষকে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার জন্য বলা হয়েছে। এর মধ্যে শ্রমিকদের হাত ধোয়া, মাস্ক পরে থাকা, নিরাপদ দূরত্বে থাকা, কারখানায় প্রবেশ এবং বের হওয়ার দূরত্ব বজায় রাখা- এগুলো প্রতিনয়ত তাদের সঙ্গে কথা বলে নিশ্চিত করার চেষ্টা করা হচ্ছে। কারখানায় এগুলো মানা হচ্ছে কিনা আমরা সরেজমিনে গিয়ে তদারকি করছি।
ভিন্নবার্তা ডটকম/এসএস

আরো পড়ুন

মাসিক আর্কাইভ

© All rights reserved © 2021 vinnabarta.com
Customized By Design Host BD