1. [email protected] : admin : jashim sarkar
  2. [email protected] : admin_naim :
  3. [email protected] : admin_pial :
  4. [email protected] : admin : admin
  5. [email protected] : Rumana Jaman : Rumana Jaman
  6. [email protected] : Saidul Islam : Saidul Islam
জয়পুরহাটের চেয়ারম্যান হত্যা মামলায় আদালতে চার্জশিট দাখিল |ভিন্নবার্তা

জয়পুরহাটের চেয়ারম্যান হত্যা মামলায় আদালতে চার্জশিট দাখিল

vinnabarta.com
  • প্রকাশ : শনিবার, ৭ সেপ্টেম্বর, ২০১৯, ০৩:১৫ অপরাহ্ন

জেলা প্রতিনিধি: জয়পুরহাট ইউপি চেয়ারম্যান এ কে আজাদ হত্যা মামলায় তিন বছর পর আদালতে ১৪ জনের বিরুদ্ধে চার্জশিট দাখিল করেছে সিআইডি। বৃহস্পতিবার জয়পুরহাটের অতিরিক্ত চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ইকবাল বাহারের আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন সিআইডি’র পরিদর্শক জিয়াউর রহমান।

অভিযুক্ত আসামিরা হলো, নিহত চেয়ারম্যানের প্রতিদ্বন্দ্বী জেলা পরিষদের সদস্য ও ভাদসা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি হাতেম আলী, এজাহার ভুক্ত ১নং আসামি মুন্না পারভেজ, সৈকত হোসেন, আ. হাকিম, সাদ্দাম হোসেন, হাবিব মিয়া, রাজিব হোসেন, শাহিনুর ইসলাম, সাইফুল ইসলাম, আব্দুল আলীম, নাজিম, তৌহিদ হোসেন ও সোহাগ হোসেন।

মামলার অভিযোগ পত্র থেকে জানা যায়, ২০১৬ সালের ৪ জুন রাত পৌনে ১০টার দিকে চেয়ারম্যান এ কে আজাদ এক প্রতিবেশীকে নিয়ে মোটরসাইকেলে করে বাড়ি ফিরছিলেন। বাড়ির কাছে গোপালপুর বাজারে আগে থেকে ওঁৎ পেতে থাকা আসামি মুন্না পারভেজ ও তার দল আজাদের ওপর হামলা চালিয়ে উপর্যুপরি ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত ও গুলি করে পালিয়ে যায়। এসময় নয়ন মণ্ডল নামে আরও একজন গুলিবিদ্ধ হয়। মামলার সাক্ষীরা আহতকে উদ্ধার করে পুলিশ ভ্যানে করে জয়পুরহাট জেলা আধুনিক হাসপাতালে ভর্তি করে। সেখানে তার অবস্থার অবনতি হলে বগুড়ার শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিক্যাল কলেজে নিয়ে যায়। পরে তাকে ঢাকা মেডিক্যালে এবং পপুলার হাসপাতালে নেওয়া হয়। চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১২ জুন ভোরে তার মৃত্যু হয়।

অভিযোগ পত্রে আরও উল্লেখ করা হয়, ওই ঘটনায় নিহতের ভাই এনামুল হক কাস্মির বাদী হয়ে ৫ জুন জয়পুরহাট সদর থানায় ৬ জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাত ৬/৭ জনকে আসামি করে মামলা দায়ের করেন। প্রথমে মামলার তদন্ত করেন জয়পুরহাট সদর থানার পরিদর্শক ফরিদ হোসেন। পরবর্তীতে ২০১৭ সালের এপ্রিলে মাসে মামলাটি সিআইডতে হস্তান্তর করা হয়। সিআইডির বেশ কয়েকজন কর্মকর্তা মামলার তদন্ত করেন। সব শেষে ২০১৮ সালের নভেম্বরে মামলার তদন্তের দায়িত্ব পান সিআইডি’র পরিদর্শক জিয়াউর রহমান।
এ মামলার আসামি সোহেল রানা ও মনির হোসেন আগেই পুলিশের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে নিহত হয়েছে। এছাড়া আসামি মুন্না পারভেজ ও সৈকতসহ গ্রেফতারকৃতরা ১৬১ ও ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দেন।

নিহতের ছোট ভাই ভাদসা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান সরোয়ার হোসেন স্বাধীন জানান, তার ভাইকে হত্যার পরিকল্পনাকারী এখনো আওয়ামী লীগের ইউনিয়ন সভাপতি এবং জেলা পরিষদের সদস্য হিসাবে বহাল রয়েছেন।

তিনি আরও জানান, ‘অভিযোগপত্র নিয়ে তারা সন্তুষ্ট। আদালত দোষীদের শাস্তি নিশ্চিত করলে তার পরিবারসহ এলাকাবাসীর মনে স্বস্তি ফিরে আসবে।’

এনএম/শিরোনামবিডি

আরো পড়ুন

মাসিক আর্কাইভ

© All rights reserved © 2021 vinnabarta.com
Customized By Design Host BD