1. [email protected] : admin : jashim sarkar
  2. [email protected] : admin_naim :
  3. [email protected] : admin_pial :
  4. [email protected] : admin : admin
  5. [email protected] : Rumana Jaman : Rumana Jaman
  6. [email protected] : Saidul Islam : Saidul Islam
জামালপুরে বউকে ‘বোন’ পরিচয় দিয়ে চাকরি |ভিন্নবার্তা

মুক্তিযোদ্ধা কোটা ব্যবহারে জালিয়াতি
জামালপুরে বউকে ‘বোন’ পরিচয় দিয়ে চাকরি

vinnabarta.com
  • প্রকাশ : শনিবার, ২৯ আগস্ট, ২০২০

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক পদে চাকরি পেতে জামালপুরের স্কুলশিক্ষক আশরাফুল আলম নিজের স্ত্রী ও খালাতো বোনকে জালিয়াতি করে বোন বানিয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। আশরাফুলের বাবা সহিদুর রহমান মুক্তিযোদ্ধা। মুক্তিযোদ্ধা কোটার সদ্ব্যবহার করে স্ত্রী ও খালাতো বোনকে চাকরি দিতে তিনি এ জালিয়াতি করেন।

আশরাফুল আলমের বাড়ি জামালপুরের বকশীগঞ্জ উপজেলার রবিয়ার চর গ্রামে। বর্তমানে তিনি মাদারের চর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করছেন। মুক্তিযোদ্ধা কোটায় চাকরি পেয়ে আশরাফুলের স্ত্রী নাসরিন আক্তার এখন খেয়ার চরে ও খালাতো বোন শাপলা আক্তার টুপকার চরে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করছেন।

নাসরিন আক্তার ও শাপলা আক্তারের বিরুদ্ধে গত সোমবার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন উপজেলার নয়াপাড়া গ্রামের বাসিন্দা সরন মিয়া। সরন মিয়া জানান, আশরাফুল আলম চাকরি দেওয়ার কথা বলে আরও অনেকের কাছ থেকে টাকা নিয়েছেন। এখন ঘটনাটি ফাঁস হওয়ায় তিনি এলাকা ছেড়েছেন।

জানতে চাইলে বকশীগঞ্জের ইউএনও আ স ম জামশেদ খোন্দকার জানান, ‘অভিযোগটি পেয়েছি। ঘটনাটি তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

শিক্ষা কার্যালয় থেকে পাওয়া কাগজপত্র ঘেঁটে দেখা যায়, আশরাফুল, নাসরিন ও শাপলা ২০১৬ সালে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক পদে যোগ দেন। তিনজনই জন্মসনদসহ বিভিন্ন কাগজপত্রে বাবা হিসেবে মুক্তিযোদ্ধা সহিদুর রহমানের নাম উল্লেখ করেন।

প্রত্যয়নপত্র ও জন্মসনদ নেওয়া হয়েছে মেরুর চর ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) থেকে। ওই ইউপির তৎকালীন চেয়ারম্যান গোলাম মওলা জানান, মুক্তিযোদ্ধা সহিদুর রহমানকে তিনি চিনেন। কিন্তু তাঁর কয় সন্তান, তা তাঁর (চেয়ারম্যান) জানা ছিল না। এ সুযোগে আশরাফুল স্ত্রী ও খালাতো বোনকে নিজের বোন বানিয়ে তাঁর (চেয়ারম্যান) সঙ্গে প্রতারণা করেছেন। এলাকার অনেক মানুষের কাছ থেকে টাকা নিয়ে আশরাফুল এখন পলাতক।

এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে আশরাফুলের মুঠোফোনে কয়েকবার ফোন দিলেও তা বন্ধ পাওয়া যায়। গত রোববার রবিয়ার চর গ্রামে আশরাফুলের বাড়িতে গিয়েও তাঁর পরিবারের কাউকে পাওয়া যায়নি। তবে বাড়িতে খালাতো বোন শাপলা ও তাঁর মা মনোয়ারা বেগমকে পাওয়া যায়। শাপলা আক্তার জানান, মুক্তিযোদ্ধা কোটায় তাঁর চাকরি হয়েছে কি না, তা তিনি জানেন না। আশরাফুলই তাঁর চাকরির ব্যবস্থা করেছেন। এ জন্য ১০ লাখ টাকা নিয়েছেন। আর নাসরিন আক্তারও তাঁর বোন নয়, স্ত্রী। তিনি বলেন, তাঁর বাবার নাম বেলাল মিয়া। মুক্তিযোদ্ধা সহিদুর রহমান আসলে তাঁর খালু।

গত বুধবার জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আবদুর রাজ্জাক জানান, ওই তিনজন মুক্তিযোদ্ধা কোটায় চাকরি নিয়েছেন। ঘটনাটি এর আগেও একবার তদন্ত হয়েছিল। কিন্তু তার ফলাফল কী হয়েছে, তা তিনি জানেন না।

ভিন্নবার্তা ডটকম/পিকেএইচ

আরো পড়ুন

© All rights reserved © 2021 vinnabarta.com
Customized By ProfessionalNews