
পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী ড. শামসুল আলম বলেছেন, গবেষণার মাধ্যমে টেকসই খাদ্য নিরাপত্তা অর্জন এবং সবার জন্য নিরাপদ ও পুষ্টিকর খাদ্য নিশ্চিত করতে হবে।
শনিবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর শের-ই-বাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে (শেকৃবি) বাংলাদেশ উদ্ভিদ প্রজনন ও কৌলিতত্ত্ব সমিতির দ্বিবার্ষিক সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
ড. শামসুল আলম বলেন, বর্তমান এবং ভবিষ্যতের জলবায়ু ও প্রাকৃতিক দুর্যোগের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সবাইকে একত্রে কাজ করতে হবে। জলবায়ু পরিবর্তনে প্রতিবছর ফসলের প্রচুর ক্ষতি হয়। এ ক্ষতি কমিয়ে আনতে বিজ্ঞানীরা ফসলের পীড়নসহিষ্ণু জাত উদ্ভাবনের জন্য মলিক্যুলার প্ল্যান্ট ব্রিডিং কৌশল আবিষ্কার করছেন। জেনেটিক্যালি মডিফাইড বিভিন্ন জাত উদ্ভাবনের মাধ্যমে সব সময়ে, সব মাটিতে আমরা ফসল পেতে পারি।
তিনি বলেন, আমাদের বেশিরভাগ কৃষিপণ্য আমদানির ওপর নির্ভরশীল। শুধু শাকসবজি ছাড়া চিনি, তেল, মশলা, পেঁয়াজের মতো বেশির ভাগ ভোগ্যপণ্য আমরা আমদানি করে থাকি। অন্যদিকে মাংস ও দুধ উৎপাদনেও আমাদের স্বল্পতা রয়েছে। আমাদের শিল্পায়নের জিনিসপত্রের ওপর ভর্তুকি রাখা দিন দিন কঠিন হচ্ছে। আমাদের জিডিপির প্রায় ৩৫ শতাংশ আসে শিল্পায়ন, প্রক্রিয়াজাতকরণ এবং শিল্প থেকে। জিডিপির ১১ দশমিক ৫ শতাংশ আসে কৃষি থেকে। তাই আয়ের অবদানের ক্ষেত্রে ব্যয়ের ভূমিকা প্রতি বছরই বাড়ছে।
অনুষ্ঠানে উদ্ভিদ প্রজনন এবং কৌলিতত্ত্বে অসামান্য অবদানের স্বীকৃত প্রজননবিদ ও প্রতিনিধিদের মাঝে ক্রেস্ট ও সনদ বিতরণ করা হয়।
দুই দিনব্যাপী আন্তর্জাতিক এ মিলনমেলায় পাঁচটি টেকনিক্যাল সেশনে দেশি-বিদেশি প্রজননবিদরা বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে ৩৩টি লাগসই গবেষণালব্ধ ফলাফল উপস্থাপন করবেন।
ভিন্নবার্তা ডটকম/এন