1. [email protected] : admin : admin
  2. [email protected] : Rumana Jaman : Rumana Jaman
  3. [email protected] : Saidul Islam : Saidul Islam
  4. [email protected] : admin : jashim sarkar
  5. [email protected] : admin_naim :
  6. [email protected] : admin_pial :

খোলাবাজারে ডলার ১১৫ টাকা

ভিন্নবার্তা প্রতিবেদক
  • প্রকাশের সময় : বুধবার, ২১ সেপ্টেম্বর, ২০২২ ২:০৬ pm

বাজারে ডলারের সংকট প্রকট। উদ্যোক্তারা চাহিদা অনুযায়ী আবশ্যকীয় পণ্যেরও এলসি খুলতে পারছেন না। এর মধ্যে ডলারের দাম নির্ধারণের নতুন পদ্ধতি প্রয়োগেও উত্তাপ কমাতে পারছে না।

বুধবার (২১ সেপ্টেম্বর) খোলাবাজারে ডলারের দাম ১১৫ টাকায় উঠেছে। সকালে রাজধানীর একাধিক মানি চেঞ্জার প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে কথা বলে এ তথ্য জানা গেছে। এছাড়া, এক ব্যাংক আরেক ব্যাংকের কাছে ডলার বিক্রি করে প্রতি ডলারের দাম নিচ্ছে ১০৯ টাকা পর্যন্ত।

এদিকে, বিদেশ ভ্রমণে বা স্টুডেন্ট ভিসায় বাইরে যারা যাচ্ছেন তারা বেশিরভাগই ব্যাংকগুলোর কার্ডের মাধ্যমে ডলার নিচ্ছেন। যদিও বিষয়টিকে বাংলাদেশ ব্যাংক থেকেই উৎসাহিত করা হচ্ছে বলে জানা গেছে। ডুয়েল কারেন্সি বা দ্বৈত মুদ্রার এসব কার্ড দিয়ে দেশে বসেই বিদেশের হোটেল বুকিং, নির্দিষ্ট পরিমাণে কেনাকাটাসহ নানা খরচ করা যাচ্ছে।

এছাড়া, চিকিৎসা, পড়াশোনা ও কেনাকাটাসহ নানা কারণে বিদেশে যাওয়ার সময় অনেকেই কার্ডে বৈদেশিক মুদ্রা এনডোর্সমেন্ট করে নিয়ে যাচ্ছেন। এতে ব্যাংকগুলোর ক্রেডিট কার্ডের মাধ্যমে ডলারের একটি বড় অংশ চলে যাচ্ছে বিদেশে। বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের মে থেকে জুলাই এই তিন মাসে ক্রেডিট কার্ডের মাধ্যমে বৈদেশিক মুদ্রা লেনদেন হয়েছে ১ হাজার ২০০ কোটি টাকারও বেশি। এটি গত অর্থবছরের একই সময়ের চেয়ে ২৪২ শতাংশ বেশি। এর মধ্যে গত জুলাই মাসেই লেনদেন হয়েছে প্রায় ৪৪২ কোটি টাকা, যা একক মাস হিসেবে এযাবৎকালের সর্বোচ্চ রেকর্ড। গত বছরের একই মাসের চেয়ে এটা প্রায় ২৭৫ শতাংশ বেশি।

ডলার-সংকট কাটাতে বাংলাদেশ ব্যাংকের পরামর্শে ব্যাংকের শীর্ষ নির্বাহীদের সংগঠন অ্যাসোসিয়েশন অব ব্যাংকার্স বাংলাদেশ (এবিবি) ও বাংলাদেশ ফরেন এক্সচেঞ্জ ডিলারস অ্যাসোসিয়েশনের (বাফেদা) শীর্ষস্থানীয় নেতারা ১১ সেপ্টেম্বর এক সভায় ডলারের সর্বোচ্চ দাম নির্ধারণ করে দেন। এতে রপ্তানি আয়ে প্রতি ডলারের সর্বোচ্চ দাম ৯৯ টাকা, প্রবাসী আয়ে ১০৮ টাকা দাম বেঁধে দেওয়া হয়। আর ডলারের পাঁচ দিনের গড় খরচের চেয়ে এক টাকা বেশি দামে আমদানি দায় শোধ করতে বলা হয় ব্যাংকগুলোকে। ব্যাংকিং লেনদেনের পাশাপাশি মানি চেঞ্জার প্রতিষ্ঠানগুলোর ডলার কেনাবেচার দামও কেন্দ্রীয় ব্যাংকের পক্ষ থেকে ঠিক করে দেয়া হয়। এতে বলা হয়, ব্যাংকগুলোর নগদ ডলার বিক্রির দরের চেয়ে সর্বোচ্চ দেড় টাকা মুনাফা করতে পারবে মানি চেঞ্জারগুলো।

এদিকে, সোমবার কেন্দ্রীয় ব্যাংক ও বিশ্বব্যাংকের সফররত প্রতিনিধিদলের মধ্যে এক বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে ডলারের বিপরীতে টাকার বিনিময় হার বাজারের ওপর ছেড়ে দেয়ার পরামর্শ দিয়েছে ঢাকা সফররত বিশ্বব্যাংকের প্রতিনিধিদল। তারা বলেছে, বিনিময় হার বাজারের ওপর ছেড়ে দিলে একটি পর্যায়ে মুদ্রাবাজারে স্থিতিশীলতা ফিরে আসবে। একই সঙ্গে ডলারের বিপরীতে টাকার মান একটি যৌক্তিক পর্যায়ে পৌঁছবে। এছাড়া প্রতিনিধিদলটি ব্যাংকিং খাত সংস্কারের পদক্ষেপ নেয়ার ওপর জোর দিয়েছে। এ খাতে প্রয়োজনে বিশ্বব্যাংক আর্থিক সহায়তা করতে আগ্রহ প্রকাশ করেছে।
ভিন্নবার্তা ডটকম/এন



আরো




মাসিক আর্কাইভ