1. [email protected] : admin : jashim sarkar
  2. [email protected] : admin_naim :
  3. [email protected] : admin_pial :
  4. [email protected] : admin : admin
  5. [email protected] : Rumana Jaman : Rumana Jaman
  6. [email protected] : Saidul Islam : Saidul Islam
খেয়া নৌকায় ভরসা যে গ্রামের |ভিন্নবার্তা

খেয়া নৌকায় ভরসা যে গ্রামের

vinnabarta.com
  • প্রকাশ : রবিবার, ১৫ সেপ্টেম্বর, ২০১৯, ১১:৩০ পূর্বাহ্ন

‌‌‘দুই দশক ধরে বলাবলি হচ্ছে ব্রিজ হবে, ব্রিজ হবে। কত সাংবাদিক, চেয়ারম্যান ও সংসদ সদস্যরাও এসেছিলেন 

তারা আসেন দেখেন চলে যান৷ আর কিছু দিনপর ক্ষমতা বদল হয়। ক্ষমতা পওয়ার পর প্রতিশ্রুতি দেয় অনেকেই। কিন্তু আমাদের ব্রিজ হয় না। অথচ এই ব্রিজটি আমাদের খুবই দরকার।’

কথাগুলো এই প্রতিবেদকের কাছে আক্ষেপ করেই বলে গেলেন আক্তার হোসেন নামের এক ব্যাবসায়ী।

সাভারের আশুলিয়ায় তুরাগ নদের পাশে রুস্তমপুর এলাকার বাসিন্দা আক্তার হোসেন৷ কথাগুলো রুস্তপুরসহ আশেপাশের দশ গ্রামের মানুষের মনের কথা। তাদের গ্রামে এই একটি ব্রিজের জন্য আটকে পরে আছে হাজারো মানুষের স্বপ্ন।

 

শহরের খুব কাছে হলেও এই একটি ব্রিজের কারণে পিছিয়ে আছে এই গ্রামটি। রুস্তমপুর গ্রামের হাজারও মানুষ তুরাগ নদের ওপাড়ে থাকা রাজধানীর উত্তরা বেশি ব্যবহার করেন৷ বিকল্প পথ না থাকায় এ গ্রামের মানুষ জীবনের ঝুকি নিয়ে নদী পথে যাতায়াত করছেন। এতে প্রায় ঘটছে নৌকা ডুবির মত নানা দুর্ঘটনা। দ্রুত সময়ের মধ্যে একটি ব্রিজ এখন আশপাশের লাখো মানুষের দাবী।

শনিবার (১৫ সেপ্টেম্বর) সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, নদী পার হয়ে ওপাড় যাওয়ার জন্য ঘাটে আছে মাত্র একটি ছোটো নৌকা। সকালে নৌকাই করে পাড়া পার হতে গেলে সিরিয়াল ধরে দারিয়ে থাকতে হয়৷ সেই ছোট্টো নৌকায় দিয়েই প্রতিনিয়ত হাজারও গ্রামবাসী, শিক্ষার্থী, পোশাককর্মী, ব্যবসায়ীরা যাতায়াত করেন। নদের দুই ঘটেই নৌকাই উঠতেও প্রতিনিয়ত আহত হচ্ছেন নারীসহ শিশু ও বৃদ্ধরা৷ আর নৌকা এক পাড় ছেড়ে অন্য পাড়ে গেলে তা ফিরে আসার অপেক্ষায় বসে থাকতে হয়।

স্থানীয়রা আক্ষেপ প্রকাশ করে জানায়, দেশের অনেক উন্নতি হয়েছে। তাদের গ্রামে কেউ অসুস্থ হলে রোগীকে হাসপাতালে নেওয়ার জন্য খেয়ানৌকার উপর ভরসা করতে হয়। বারবার ক্ষমতার পরির্বতন হয় কিন্তু তাদের ব্রিজ হয় না।

উত্তরা ইউনিভার্সিটির শিক্ষার্থী রেহেনা সপ্তাহে ছয়দিন ক্লাস করেন। তিনি প্রায় প্রতিদিনই এই খেয়া নৌকা দিয়েই পারপার হন। তিনি আক্ষেপ করে বলেন, আপনারা তো আসেন দেখেন ছবি তুলেন আর চলে যান। আপনাদের মত অনেকই এখানে আসে কিন্তু আমাদের ব্রিজ তো হয় না। ব্রিজটি হলে আমাদের যে কি উপকার হবে বলে বোঝাতে পরবো না। আবহাওয়া একটু খারাপ হলেই নৌকা আর চলে না। আর সেদিন কলেজে যাওয়া হয় না।

ব্যবসায়ী জসিম বলেন, হাজার হাজার মানুষ প্রতিদিন এই খেয়া নৌকা দিয়ে পাড় হয়। অনেক সময় অনেক দুর্ঘটনার সিকার হই আমরা৷ এই দশ এলাকার মানুষ সঠিক সময়ে তার গন্তব্য স্থলে পৌছাতে পারে না। তাছাড়া নদীর পানি যখন কমে যায় তখন পোশাক কারখানার বজ্র নদীতে পড়ে একটি বাজে গন্ধের সৃষ্টি হয়। তখন নৌকা করে পারপার হওয়া কষ্ট কর হয়ে পরে।

জাহার নামের এক স্থানীয় বাসিন্দা বলেন, শুধু এই ব্রিজটির জন্য আমাদের এই এলাকাটি অনেক পিছিয়ে আছে। রুস্তপুর গ্রামটি কৃষিপূর্ণ গ্রাম এখানের উৎপাদিত কৃষি পণ্য এই ব্রিজের জন্য বাজারে নিয়ে যেতে পারে না।

ব্রিজটি হওয়ার আশ্বাস দিয়ে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি আশুলিয়ায় ইউনিয়ের চেয়ারম্যান সাহব উদ্দিন মাদবর বলেন, ব্রিজটির মাপ-যোগসহ প্রাথমিক কাজ গুলো করা হয়েছে। এখন সয়েল টেস্ট হবে। আমরা আশা করি অচিরেই এই ব্রিজটির কাজ শুরু হবে।

এ বিষয়ে সাভার উপজেলা প্রকৌশলী সালহে হাসান প্রামানিক বলেন, যেহতু সেখানে সড়ক ও জনপথের সড়ক আছে সেহতু তাদের কাছ থেকে এনওসি নিয়ে এটার ডিজাইন এনে সেই ডিজাইনি নিয়ে তারপর ট্যান্ডারে জাবে। এটি যত্র দ্রুত সম্ভব ট্যান্ডারে জাওয়ার জন্য পক্রিয়াধীন আছে বলে জানান তিনি।

এসএফ /শিরোনামবিডি

 

 

আরো পড়ুন

মাসিক আর্কাইভ

© All rights reserved © 2021 vinnabarta.com
Customized By Design Host BD