1. [email protected] : admin : jashim sarkar
  2. [email protected] : admin_naim :
  3. [email protected] : admin_pial :
  4. [email protected] : admin : admin
  5. [email protected] : Rumana Jaman : Rumana Jaman
  6. [email protected] : Saidul Islam : Saidul Islam
কাউন্সিলরের নামে ব্যানার! - |ভিন্নবার্তা

কাউন্সিলরের নামে ব্যানার!

vinnabarta.com
  • প্রকাশ : রবিবার, ১৯ ডিসেম্বর, ২০২১, ০৭:৩০ pm

নীরা নুসরাত : ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে ভারতের কাছে পাকিস্তানী বাহিনী আত্মসমর্পণ করেছে বলে দাবি করে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) ৫৬ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর মোহাম্মদ হোসেনের নামে ব্যানার প্রকাশ করা হয়েছে। স্বাধীনতার সূবর্ণ জয়ন্তি ও মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে তার এই ব্যানার নগরীর বিভিন্ন সড়কে ঘুরেছে। এতে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন অনেকেই। বিষয়টি খতিয়ে দেখার দাবিও করেছেন কেউ কেউ। তবে কাউন্সিলরের দাবি, এ বিষয়ে তিনি কিছুই জানেন না। তিনি বিষয়টি উল্লেখ করে থানায় সাধারণ ডায়েরী করতে পারেন।

এমন একটি ছবি ভিন্নবাতার কাছে রয়েছে। ছবিতে দেখা যায় তিনটি ব্যান গাড়িতে করে তিনটি ব্যানার নগরীর একটি সড়ক দিয়ে যাচ্ছে। তাতে মহান মুক্তিযুদ্ধে পাকবাহনীর আত্মসমর্পনের ছবিটি ব্যবহার করা হয়েছে। পাশাপাশি ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন, স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তি ও মুজিব শতবর্ষের লোগো রয়েছে। বিষয়টি নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন অনেকেই।

ছাত্রলীগ কর্মী মো. রাহাত বলেছেন, এই কাজটি যদি তিনি জেনে শুনে করে থাকেন তাহলে অবশ্যই পদ থেকে অপসারণ করে তার বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহ মামলা করা উচিত। মহান বিজয় দিবসের এই দিনে কীভাবে এমন একটি কাণ্ড ঘটাতে পারেন? বিষয়টি খতিয়ে দেখা দরকার।

জানতে চাইলে কাউন্সিলর মোহাম্মদ হোসেন বলেন, আমি এ বিষয়ে কিছুই জানিনা। অনেকেই আমাকে ফোন করে বিষয়টি জানতে চাচ্ছে। আমরা তো রাজনীতি করি, পেছনে তো অনেক শত্রু আছে। এখন থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করতে পানি।

সিটি করপোরেশনের লোগো ব্যবহারসহ বিষয়টি খতিয়ে দেখা হবে কিনা সে বিষয়ে জানতে চাইলে দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ফরিদ আহাম্মদ গণমাধ্যমকে বলেন, এটি একটি সংবেদনশীল বিষয়।এটি আমাদের নলেজে নেই। কেউ আমাদের নলেজে দেয়নি। যদি কেউ নলেজে দেয় অবশ্যই বিষয়টি আমাদের মেয়র দেখবেন।

জানতে চাইলে মুক্তিযুদ্ধ গবেষক শাহরিয়ার কবির বলেন, এটা ব্যক্তিনিয়ে কথা বলা ঠিক হবে না। আমরা সব সময় যেটি বলে থাকি সেটি হচ্ছে-মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস বিকৃতি বিভিন্নভাবে হচ্ছে। এতে কিছু অজ্ঞতা কাজ করতে পারে। তবে বেশিরভাগই হচ্ছে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে। এখন দেখতে হবে কে করেছে? এটাকি অজ্ঞতা বসত করেছে নাকি রাজনৈতিক উদ্দেশ্য প্রণোধিত হয়ে করেছে। জামায়াত বিএনপি যেটা করে সেটি রাজনৈতিক উদ্দেশ্যেই করে। সেখানে কোনও অজ্ঞতা নেই।

তিনি আরও বলেন, কেউ যখন রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে এটা করে থাকে সেটি শাস্তিযোগ্য অপরাধ। এজন্য আমরা ২০১৬ সাল থেকেই আন্দোলন করে আসছি। আমরা একটি আইনের খসড়া আইন কমিশনে জমা দিয়েছি। এটি হচ্ছে মুক্তিযুদ্ধ স্বীকৃত ইতিহাস অপরাধ অস্বীকার আইন। সেখানে কিছু স্বীকৃত ইতিহাস রয়েছে। এগুলো অস্বীকার করা শাস্তিযোগ্য অপরাধ। সেখানে আমরা এজন্য যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়ার কথা বলেছি। এটি বিভিন্ন দেশে রয়েছে। আমরা মনে করি ৭৫ পর থেকে এই ইতিহাস বিকৃতি নিয়ে যথেষ্ট স্বেচ্ছাচারিতা চলছে। সচেতনভাবে ইতিহাস বিকৃত করা বহুভাবে হয়েছে। বয়ানে হয়েছে।পাঠ্যপুস্তকে হয়েছে। যারা সচেতনভাবে ইতিহাস বিকৃত করছে তাদের শাস্তির জন্য কোনও আইন নেই। আইনটি করতে হবে।
ভিন্নবার্তা ডটকম/এন

আরো পড়ুন

মাসিক আর্কাইভ

© All rights reserved © 2021 vinnabarta.com
Customized By Design Host BD