1. [email protected] : admin : jashim sarkar
  2. [email protected] : admin_naim :
  3. [email protected] : admin_pial :
  4. [email protected] : admin : admin
  5. [email protected] : Rumana Jaman : Rumana Jaman
  6. [email protected] : Saidul Islam : Saidul Islam
করোনা মোকাবিলায় ১৫ সুপারিশ টিআইবির |ভিন্নবার্তা

করোনা মোকাবিলায় ১৫ সুপারিশ টিআইবির

vinnabarta.com
  • প্রকাশ : সোমবার, ১৫ জুন, ২০২০, ০২:২৩ অপরাহ্ন

করোনাভাইরাস মোকাবিলায় সমন্বিত কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ এবং তা বাস্তবায়নে সুশাসন নিশ্চিত করাসহ ১৫টি সুপারিশ করছে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি)। সোমবার (১৫ জুন) ‘করোনাভাইরাস সংকট মোকাবিলায় সুশাসনের চ্যালেঞ্জ’ শীর্ষক প্রতিবেদন প্রকাশ উপলক্ষে এক ভার্চুয়াল সংবাদ সম্মেলনে এই সুপারিশ করা হয়।

সুপারিশগুলো হলো—

১. সরকারি ও বেসরকারি পর্যায়ে বিদ্যমান যন্ত্রপাতি ও জনবলের সুষ্ঠু ব্যবহারের মাধ্যমে নমুনা পরীক্ষার সুবিধা জেলাপর্যায়ে আরও সম্প্রসারণ করতে হবে এবং বিদ্যমান সক্ষমতার সর্বোচ্চ ব্যবহারের মাধ্যমে পরীক্ষার সংখ্যা বাড়াতে হবে।

২. বর্তমানে করোনাভাইরাসের ক্রমবর্ধমান সংক্রমণ হার এবং মৃত্যুর সময়ে লকডাউন প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা করতে হবে। লকডাউন প্রত্যাহারের ক্ষেত্রে যৌক্তিক ও সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা প্রণয়ন এবং পরীক্ষার সম্প্রসারণের মাধ্যমে সংক্রমণের ব্যাপকতার নিরিখে এলাকাভিত্তিক ঝুঁকি বিবেচনা করতে হবে।

৩. করোনাভাইরাস মোকাবিলায় বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও সরকারি দফতরের মধ্যে সমন্বয় বৃদ্ধি করতে হবে।

৪. স্বাস্থ্য খাতে জেলাপর্যায়ে সার্বিক সক্ষমতা বৃদ্ধির জন্য জাতীয় বাজেটে বরাদ্দ বাড়াতে হবে (জিডিপির ৫ শতাংশ) এবং স্বাস্থ্য খাতের ব্যয়ের গুণগত মান নিশ্চিত করতে হবে।

৫. স্বাস্থ্য খাতে ক্রয়ে অনিয়ম-দুর্নীতি রোধে জবাবদিহিতা নিশ্চিত এবং দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা করতে হবে।

৬. সব পর্যায়ের হাসপাতালে স্ক্রিনিং ও ট্রায়াজ ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করতে হবে। সম্মুখ সারির সব স্তরের স্বাস্থ্য কর্মীদের জন্য পর্যাপ্ত পরিমাণে মানসম্মত সুরক্ষা সামগ্রী সরবরাহ নিশ্চিত করতে হবে।

৭. সমন্বিত চিকিৎসার প্রয়োজনে বেসরকারি হাসপাতালসমূহকে সরকারি বিধির অধীনে অন্তর্ভূক্ত করার মাধ্যমে সব বেসরকারি হাসপাতালে করোনাভাইরাসে আক্রান্তের চিকিৎসার ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে হবে।

৮. সব হাসপাতালে করোনাভাইরাসে আক্রান্তের চিকিৎসার পাশাপাশি অন্যান্য রোগের জন্য নিয়মিত চিকিৎসা সেবা নিশ্চিত করতে হবে। সংকটাপন্ন রোগীর চিকিৎসায় অস্বীকৃতির ক্ষেত্রে কঠোর শাস্তির ব্যবস্থা করতে হবে।

৯. ব্যবহৃত সুরক্ষা-সামগ্রীসহ চিকিৎসা বর্জ্যের সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করতে হবে।

১০. অতি দরিদ্র এবং অপ্রাতিষ্ঠানিক খাতের শ্রমিক, দিনমজুরদের জন্য আর্থিক সহায়তার ব্যবস্থা করতে হবে। চলতি কৃষি ঋণ মওকুফ করতে হবে।

১১. ত্রাণ ও সামাজিক সুরক্ষার উপকারভোগীদের তালিকা হালনাগাদ করতে হবে। ত্রাণ বা নগদ সহায়তাপ্রাপ্ত উপকারভোগীদের তালিকা ওয়েবসাইটে প্রকাশ করতে হবে।

১২. দেশজুড়ে প্রান্তিক ও পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীকে সহযোগিতার জন্য সরকারি বিভিন্ন কার্যক্রমের পাশাপাশি বেসরকারি উন্নয়ন প্রতিষ্ঠানের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে হবে।

১৩. স্বাস্থ্যবিধি বাস্তবায়নে নিম্ন আয়ের মানুষের মধ্যে বিনামূল্যে মাস্ক ও স্যানিটাইজার বিতরণের উদ্যোগ নিতে হবে।

১৪. তথ্য প্রকাশ এবং তথ্যে প্রবেশগম্যতার সুবিধার্থে এবং ম্যানেজমেন্টের স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিতের স্বার্থে গণমাধ্যমসহ বিভিন্নভাবে অবাধ তথ্য প্রবাহ নিশ্চিত করতে হবে।

১৫. ত্রাণবিষয়ক দুর্নীতির সঙ্গে জড়িত জনপ্রতিনিধি—যাদের সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে, তাদের আইনগতভাবে কঠোর ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দিতে হবে।

আরো পড়ুন

মাসিক আর্কাইভ

© All rights reserved © 2021 vinnabarta.com
Customized By Design Host BD