1. [email protected] : admin : jashim sarkar
  2. [email protected] : admin_naim :
  3. [email protected] : admin_pial :
  4. [email protected] : admin : admin
  5. [email protected] : Rumana Jaman : Rumana Jaman
  6. [email protected] : Saidul Islam : Saidul Islam
করোনাকালেও ভালো আছেন কাতার চ্যারিটির অধীনে থাকা ৩৫০০ এতিম শিশু - |ভিন্নবার্তা

করোনাকালেও ভালো আছেন কাতার চ্যারিটির অধীনে থাকা ৩৫০০ এতিম শিশু

vinnabarta.com
  • প্রকাশ : মঙ্গলবার, ১ সেপ্টেম্বর, ২০২০, ১১:৪৯ pm

মহামারী করোনা ভাইরাস সংক্রমণের প্রেক্ষিতে বাংলাদেশে সব শ্রেণী পেশার মানুষ মারাত্মক আর্থিক ঝুঁকির মধ্যে পরেছে। দীর্ঘ লকডাউনের কারণে ব্যবসা-বাণিজ্যে ধস নেমেছে, অনেকে চাকরি হারিয়েছেন, কাজের সুযোগ কমে যাওয়ায় দিন মজুরদের সংসার চালানো পর্যন্ত কঠিন হয়ে পরেছে। অসহায় কিংবা অভাবী পরিবারগুলোতে এর মারাত্মক প্রভাব পরেছে।

তবে এক্ষেত্রে ব্যতিক্রম কাতার চ্যারিটির তত্ত্বাবধায়নে থাকা সাড়ে ৩ হাজারেরও বেশি অসহায় ও এতিম শিশু এবং এদের পরিবার। করোনা সংক্রমণের মধ্যেও এদের ভরণ পোষণ কিংবা মৌলিক চাহিদা পূরণে কোন সমস্যাই হয়নি। স্বাভাবিক সময়ের মতো প্রত্যেক শিশুর কিংবা তাদের অভিভাবকের ব্যাংক একাউন্টে মাসিক হারে প্রয়োজনীয় অর্থ পাঠিয়ে দিয়েছে কাতার চ্যারিটি। একইসাথে করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতেও নানাভাবে উৎসাহিত করা হয়েছে। করোনা সংক্রমিত হয়ে মারাত্মক অসুস্থ হওয়া কিংবা মারা যাওয়ার মতো কোন ঘটনাও এখনো ঘটেনি।

ঢাকার ধামরাইয়ের কালামপুরে আজ্জাজ সেন্টারের পরিচালক মো: মঞ্জুরুল হক জানান, ৮০০ এতিম শিশুর ভরণ পোষণের দায়িত্ব পালন করে থাকেন তারা। করোনাকালেও কোন ছন্দপতন ঘটেনি, সবাই সুস্থ আছেন। স্বাভাবিক সময়ের মতোই এতিম ও অসহায় শিশুদের দেখভাল করেছেন তারা। প্রয়োজনীয় সকল সাপোর্ট দেওয়া হয়েছে।

রংপুরে খোবাইব বিন আদী সোসাল ওয়েলফেয়ার সেন্টারের পরিচালক হায়দার আলী বলেন, ৪১৭ জন এতিম শিশুর দেখভালের দায়িত্বে রয়েছেন তিনি। গত মার্চ থেকে পরিবারের কাছে রয়েছেন শিশুরা। তবে স্বাভাবিক সময়ের মতোই তারা এতিমদের তত্ত্বাবধায়ন করার চেষ্টা করছেন। শুধু তাই নয়, গত দুই ঈদে এতিমদের পরিবারের মাঝে প্রয়োজনীয় খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে। করোনা উপলক্ষেও বিশেষ ত্রাণ সামগ্রী দেওয়া হয়েছে।

হায়দার আলী আরো বলেন, করোনা সংক্রমণ থেকে বাঁচতেও শিশুদের প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দিয়েছেন তারা। ঘরের বাইরে যেতে নিষেধ করা হয়েছে, মাস্ক পরতে বলা হয়েছে, মাঠে গিয়ে খেলাধুলা না করতে বলা হয়েছে, পড়াশোনায় মনোযোগ দিতে বলা হয়ছে। অভিভভাবকদেরও প্রয়োজনীয় সতর্কতামূলক পদক্ষেপ নিতে উৎসাহিত করা হয়েছে।

কাতার চ্যারিটির বাংলাদেশ অফিসের সোসাল ওয়েল ফেয়ার ডিপার্টমেন্টের পরিচালক ড. আব্দুল কাদির বলেন, সারাদেশে সাড়ে ৩ হাজার এতিম ও অসহায় শিশুর তত্ত্বাবধায়ন করছে কাতার চ্যারিটি। করোনা মহামারির মধ্যেও স্বাভাবিকভাবে এই কার্যক্রম পরিচালিত হয়েছে। আল্লাহর রহমতে, দেশজুড়ে করোনা সংক্রমণ সত্ত্বেও এতিম ও অসহায় শিশুরা এখনো নিরাপদে আছে, কোন দুর্ঘটনার খবরও তারা পাননি।
ভিন্নবার্তা ডটকম/এসএস

আরো পড়ুন

মাসিক আর্কাইভ

© All rights reserved © 2021 vinnabarta.com
Customized By Design Host BD