শিরোনাম

ওয়ালটনের তালিকাভূক্তি পুঁজিবাজারের গভীরতা বাড়াবে

দেশের পুঁজিবাজারে বুকবিল্ডিং পদ্ধতিতে তালিকাভূক্তির লক্ষ্যে সম্প্রতি বিডিং প্রক্রিয়া সম্পন্ন করেছে দেশের ইলেকট্রনিক্স পণ্য উৎপাদনকারি প্রতিষ্ঠান ওয়ালটন হাইটেক ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড। গত ০২ মার্চ (সোমবার) বিকেল ৫টা থেকে শুরু হয়ে কোম্পানিটির এই বিডিং চলে ০৫ মার্চ (বৃহস্পতিবার) বিকেল ৫টা পর্যন্ত। বিডিংয়ে কোম্পানিটির কাট-অফ প্রাইস নির্ধারণ করা হয়েছে ৩১৫ টাকা। নিলামের মাধ্যমে কোম্পানিটির এই কাট-অফ প্রাইস নির্ধারণ করেছে যোগ্য বিনিয়োগকারীরা।

এদিকে পুঁজিবাজারে আসতে ২০১৯ সালের ১৫ জানুয়ারি রোড শো সম্পন্ন করে ওয়ালটন হাইটেক ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড। রোড-শো তে যোগ্য বিনিয়োগকারী (ইলিজিবল ইনভেস্টর) হিসেবে মার্চেন্ট ব্যাংকার, পোর্টফোলিও ম্যানেজার, অ্যাসেট ম্যানেজার ও তাদের পরিচালিত মিউচ্যুয়াল ফান্ড, স্টক ডিলার, ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান, বীমা কোম্পানি, অলটারনেটিভ ইনভেস্টমেন্ট ফান্ড ও ফান্ডের ম্যানেজার এবং কমিশন অনুমোদিত বিনিয়োগকারীরা অংশগ্রহণ করে।

কোম্পানিটি আইপিওর মাধ্যমে পুঁজিবাজার থেকে ১০০ কোটি টাকা সংগ্রহ করবে। আর এই অর্থ কোম্পানির ব্যবসা সম্প্রসারণ, ব্যাংক ঋণ পরিশোধ ও আইপিওর ব্যয় মেটাতে কাজে লাগানো হবে।

সর্বশেষ ৫ অর্থবছরে কোম্পানিটির ভারিত গড় হিসাবে শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) ছিল ২৮ টাকা ৪২ পয়সা। আর ৩০ জুন, ২০১৯ তারিখে শেয়ার প্রতি নিট সম্পদ মূল্য (পুনর্মুল্যায়ন সঞ্চিতিসহ) ছিল ২৪৩ টাকা ১৬ পয়সা। আর পুনর্মুল্যায়ন সঞ্চিতি ছাড়া শেয়ার প্রতি নিট সম্পদ মূল্য ছিল ১৩৮ টাকা ৫৩ পয়সা। কোম্পানিটির ইস্যু ম্যানেজারের দায়িত্বে রয়েছে ‘এএএ ফাইন্যান্স অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট’ লিমিটেড।

ওয়ালটন দেশীয় ইলেকট্রনিক্স খাতের বড় কোম্পানি। কোম্পানিটি দেশের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে। পুঁজিবাজারে আসলে কোম্পানিটি দেশের অর্থনীতিতে আরও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে মনে করেন বাজার সংশ্লিষ্টরা।

তাদের মতে, ভালো মানের কোম্পানির আইপিও অনুমোদন হলে পুঁজিবাজারের গতি বৃদ্ধি পায়। বর্তমানে পুঁজিবাজারের নাজুক পরিস্থিতি বিরাজ করছে। এমন পরিস্থিতিতে আন্তর্জাতিক মানের দেশীয় ব্র্যান্ড ওয়ালটন হাইটেক ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড তালিকাভূক্ত হলে বাজারের গভীরতা বাড়বে।

ভিন্নবার্তা/এমএসআই

সংবাদ সম্পর্কে আপনার মতামত দিন
আরো পড়ুুন