1. [email protected] : admin : jashim sarkar
  2. [email protected] : admin_naim :
  3. [email protected] : admin_pial :
  4. [email protected] : admin : admin
  5. [email protected] : Rumana Jaman : Rumana Jaman
  6. [email protected] : Saidul Islam : Saidul Islam
এসআই লিয়াকতের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির মামলা - |ভিন্নবার্তা

এসআই লিয়াকতের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির মামলা

vinnabarta.com
  • প্রকাশ : বুধবার, ২৬ আগস্ট, ২০২০, ০৫:০০ pm

সাবেক সেনাকর্মকর্তা মেজর সিনহা মো. রাশেদ খান হত্যা মামলার আসামি সাবেক পুলিশ কর্মকর্তা লিয়াকত আলীর বিরুদ্ধে ‘ক্রসফায়ারের ভয় দেখিয়ে’ টাকা আদায়ের অভিযোগে একটি মামলা হয়েছে।

বুধবার চট্টগ্রামের মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আবু সালেম মো. নোমানের আদালতে নালিশি অভিযোগটি করেন জসিম উদ্দীন নামে এক ব্যবসায়ী।

এতে ক্রসফায়ারের ভয় দেখিয়ে দুই লাখ টাকা চাঁদা আদায়, মিথ্যে মামলায় ফাঁসিয়ে দেয়া, হত্যাচেষ্টা ও নির্যাতনের অভিযোগ আনা হয়েছে।

এতে লিয়াকত এবং আরও ৯ পুলিশ সদস্যসহ ১৩ জনকে আসামি করা হয়েছে। এর মধ্যে লিয়াকত, অন্য দুই পুলিশ সদস্যসহ সাতজনের বিরুদ্ধে অভিযোগ তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

বাদীর আইনজীবী জুয়েল দাশ বলেন, ১৩ জনের বিরুদ্ধে নালিশি অভিযোগ করেছি। আদালত অভিযোগকারীর জবানবন্দি গ্রহণ করেছেন। অভিযোগটি তদন্ত করতে চট্টগ্রাম নগর পুলিশের (সিএমপি) গোয়েন্দা বিভাগের (ডিবি) উপকমিশনারকে (উত্তর) নির্দেশ দিয়েছেন।

২০১৪ সালের ১৪ জুন এ ঘটনা ঘটে বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়।

যে সাতজনের বিরুদ্ধে অভিযোগ তদন্তের নির্দেশ দেয়া হয়েছে, তাদের মধ্যে লিয়াকত ছাড়া অন্যরা হলেন- কুমিল্লার দাউদকান্দি থানার তৎকালীন দুই এসআই নজরুল ও হান্নান, বাদীর ব্যবসায়িক প্রতিদ্বন্দ্বী এসএম সাহাবুদ্দীন, বিষ্ণুপদ পালিত, কাজল কান্তি বৈদ্য ও জিয়াউর রহমান।

অন্য যে ছয়জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়, তারা হলেন- ডিবির সেই সময়ের এসআই সন্তোষ কুমার, এসআই কামরুল, সেই সময়ে সদরঘাট থানার এসআই তালাত মাহমুদ, ওসি প্রণব চৌধুরী, দাউদকান্দি থানার মর্জিনা বেগম (বর্তমানে উখিয়া থানার ওসি) এবং গোয়েন্দা পুলিশের সেই সময়ের অতিরিক্ত উপকমিশনার বাবুল আক্তার।

অভিযোগকারী জসিম উদ্দীন নগরীর পতেঙ্গা চরপাড়া মোড় এলাকার মৃত নেকবর আলী সিকদারের ছেলে। নগরীর সাগরিকা বিসিক এলাকায় তার সূচনা এন্টারপ্রাইজ নামে একটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান আছে।

জসিম উদ্দীন বলেন, আমরা প্রতিষ্ঠানে চুরি ও লুটতরাজের ঘটনায় একটি মামলা করেছিলাম। সেই মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা (আইও) ছিলেন লিয়াকত আলী। ওই মামলার তদন্তের জন্য আমার কাছ থেকে এসআই লিয়াকত ৫০ হাজার টাকা নিয়েছিল।

তিনি বলেন, মামলাটির জন্য ২০১৪ সালের ১৪ জুন সকালে আমাকে ডিবি অফিসে ডাকা হয়। সেখানে গেলে আপস করার প্রস্তাব দেয়। রাজি না হওয়ায় উল্টো পাঁচ লাখ টাকা দাবি করে। তাতেও রাজি না হওয়ায় আটকে রেখে শারীরিক নির্যাতন করে।

এর পর পতেঙ্গা থানায় নিয়ে আমাকে আটক রেখে জানিয়ে তিনি বলেন, দাউদকান্দি থানার একটি নারী নির্যাতন মামলার ভুয়া ওয়ারেন্ট দেখিয়ে আটকে রাখা হয়। আমার ব্যবসায়ী প্রতিদ্বন্দ্বী সাহাবুদ্দীনের খালাত বোন সেই মামলার বাদী।

তিনি জানান, পতেঙ্গা থানার ওসি যাচাই করে জানতে পারেন যে ওই মামলায় আমার নামে কোনো ওয়ারেন্ট নেই। তারপর তিনি আমাকে ছেড়ে দেন। বিকাল ৪টায় থানার কম্পাউন্ড থেকেই এসআই লিয়াকত আমাকে আবার আটক করে। তখন বলে পাঁচ লাখ টাকা না দিলে ক্রসফায়ারে দেবে।

প্রাণভয়ে দুই লাখ টাকা দেন দাবি করে জসিম বলেন, টাকা দেয়ার পরও আমাকে ছাড়েনি। সদরঘাট থানায় সাহাবুদ্দীন একটি চাঁদাবাজির মামলা করে। সেটিতে আমাকে গ্রেফতার দেখিয়ে সদরঘাট থানায় নিয়ে যাওয়া হয়।

‘সেখানে আটকে রেখে নির্যাতন করে পর দিন আদালতে হাজির করা হয়। এর পর একদিন রিমান্ডেও নেয়। ১৯ দিন জেল খেটে জামিনে বের হই।’

জসিম উদ্দীন জানান, নিজের ব্যবসায়িক প্রতিদ্বন্দ্বীদের বিরুদ্ধে তার করা চুরির মামলাটিতে ডিবি চূড়ান্ত প্রতিবেদন দিলে তিনি নারাজি আবেদন করেন।

এর পরিপ্রেক্ষিতে আদালতের নির্দেশে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি) তদন্ত শেষে প্রতিবেদন দেয়। পরে চার আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগও গঠন করা হয়।

সেই চারজনকে বুধবার করা নালিশি অভিযোগে আসামি করেছেন জসিম উদ্দীন।

ভিন্নবার্তা/এসআর

আরো পড়ুন

মাসিক আর্কাইভ

© All rights reserved © 2021 vinnabarta.com
Customized By Design Host BD