1. admin-1@vinnabarta.com : admin : admin
  2. admin-2@vinnabarta.com : Rumana Jaman : Rumana Jaman
  3. admin-3@vinnabarta.com : Saidul Islam : Saidul Islam
  4. bddesignhost@gmail.com : admin : jashim sarkar
  5. newspost2@vinnabarta.com : ebrahim-News :
  6. vinnabarta@gmail.com : admin_naim :
  7. admin_pial@vinnabarta.com : admin_pial :

এবার অন্যভাবে পালিত হবে ১৫ আগস্ট

ভিন্নবার্তা প্রতিবেদক
  • প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, ২১ জুলাই, ২০২০ ১০:২৭ pm

মহামারী করোনাভাইরাসের কারণে এবার ভিন্ন পরিসরে পালিত হবে ১৫ আগস্ট জাতীয় শোক দিবস। দিবসটি পালনে আওয়ামী লীগ সভাপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন এবং বিভিন্ন নির্দেশনা দিয়েছেন।

দলটির সাধারণ সম্পাদক ও সড়ক পরিবহন মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের দলীয় নেতাকর্মীদের প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা তুলে ধরে বলেন, ১৫ আগস্ট জাতীয় শোক দিবসে আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বাংলাদেশ টেলিভিশন এবং বেতারের মাধ্যমে জাতির উদ্দেশ্যে একটি ভাষণ দিতে পারেন, সেটাই বোধহয় সবচেয়ে ভালো হবে।

এদিকে করোনা পরিস্থিতির কারণে ১৫ আগস্ট ও ২১ শে আগস্টের কর্মসূচিতে আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনাকে সশরীরে উপস্থিত না হওয়ার জন্য অনুরোধ করেছেন কেন্দ্রীয় নেতারা। প্রস্তাবটি দলীয় সভাপতিকে অবহিত করার জন্য সাধারণ সম্পাদককে অনুরোধও করেছেন তারা।

মঙ্গলবার (২১ জুলাই) বিকেলে আওয়ামী লীগ সভাপতির রাজনৈতিক কার্যালয়ে জাতীয় শোক দিবসের কর্মসূচি নির্ধারণের এক যৌথ সভায় নিজ বাসভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সে সংযুক্ত হয়ে এই মতামত দেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক।

ওবায়দুল কাদের বলেন, মুজিববর্ষে ভাবগাম্ভীর্য ও তাৎপর্যপূর্ণভাবে আওয়ামী লীগের কর্মসূচি করার পরিকল্পনা ছিল। ১৫ আগস্ট স্মরণে সেই পরিকল্পনা দুর্ভাগ্যজনকভাবে সেভাবে আমরা করতে পারবো না। আমি কিছুক্ষণ আগে নেত্রী সঙ্গে এই বিষয়ে আলাপ করেছি। নেত্রী বলেছেন, ১৫ আগস্টের যে প্রোগ্রাম রয়েছে যেমন- জাতীয় পতাকা উত্তোলন, দলীয় পতাকা উত্তোলন এসব বিষয় থাকবে। পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ বঙ্গবন্ধু ভবনে। টুঙ্গিপাড়ায়ও আমাদের একটি প্রতিনিধি দল যাবে। এটা নেত্রী বলেছেন এবং ৩২ নম্বরে আমরা সীমিত আকারে শ্রদ্ধা নিবেদন করব শৃঙ্খলা ও স্বাস্থ্যবিধি মেনে। তিনি বলেছেন, খেয়াল রাখতে হবে যাতে করে কোনো ধরনের জনসমাগম কোথাও যেন না হয়।

এছাড়াও সারাদেশ মসজিদে দোয়া ও মিলাদ মাহফিল করতে হবে, মন্দির গির্জা প্যাগোডায় বিশেষ প্রার্থনা সভা কর্মসূচি থাকবে। এদিন আমাদের যে ভার্চুয়াল আলোচনা সভা হওয়ার কথা, সে ব্যাপারে নেত্রী সম্মত হয়েছেন।

আওয়ামী লীগ সভাপতির নির্দেশনা তুলে ধরে সাধারণ সম্পাদক বলেন, নেত্রী বলেছেন এখন অনেক মানুষ ভাসমান। অনেকে ফুটপাতে খোলা আকাশের নিচে বাস করে, যারা ফ্লাইওভার রেলস্টেশন, টার্মিনালে বসবাস এই ভাসমান মানুষগুলোকে এদের মাঝে বঙ্গবন্ধুর শাহাদাত বার্ষিকী উপলক্ষে খাবার বিতরণ ও ত্রাণ বিতরণ করতে হবে। বিশেষ করে বন্যা কবলিত এলাকায় আজকে যারা বানভাসি মানুষ, পানিবন্দি হয়ে আছে, যারা ঘরবাড়ি হারিয়ে অনেকে রাস্তায় আশ্রয় নিয়েছে, এদের পাশে দাঁড়াতে তিনি বিশেষভাবে আওয়ামী লীগ নেতা-কর্মীদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।

তিনি বলেন, ১৫ আগস্ট আমাদের ইতিহাসের সবচেয়ে কলঙ্কজনক সবচেয়ে রক্তাক্ত ঘটনা এবং পৃথিবীর ইতিহাসে যত রাজনৈতিক হত্যাকাণ্ড হয়েছে সব রাজনৈতিক হত্যাকাণ্ড ম্লান করে দিয়ে সবগুলোকে পিছিয়ে দিয়ে এটি ছিল কলঙ্কজনক হত্যাকাণ্ড। যেখানে অবলা নারী ও শিশু অন্তঃসত্ত্বা নারী হত্যাযজ্ঞের শিকার হয়েছে। ১৫ আগস্টের হত্যাকাণ্ড এবং ২১ আগস্ট; একই সূত্রে গাঁথা। ১৫ আগস্ট যে হত্যাকাণ্ড এই হত্যাকাণ্ডের সাথে ২১ আগস্টের হত্যাকাণ্ডের সংযোগ রয়েছে।১৫ আগস্ট প্রাইম টার্গেট ছিলেন জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু। আর ২১ একুশে আগস্ট হত্যাকাণ্ডের প্রাইম টার্গেট ছিলেন আমাদের নেত্রী জননেত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনা।

১৫ আগস্ট ও ২১ শে আগস্টের কর্মসূচিতে শেখ হাসিনাকে সশরীরে উপস্থিত না হওয়ার কথা তুলে ধরে কাদের বলেন, এখনো তার জীবন নিরাপদ, এটা আমরা ভাবতে পারি না। কারণ আজকে বাংলাদেশে এই করোনা সংকট, বন্যা পীড়িত মানুষের পাশে দাঁড়ানো সময়। তিনি এই দুঃসময় দুর্যোগের কালেও সবকিছু ঠান্ডা মাথায় মোকাবিলা করে যাচ্ছেন। এক দিকে জীবন অন্যদিকে জীবিকা দুটো দিকেই সমন্বয় করে লক্ষ্য রেখে নেত্রীকে আজকে মুক্তির পথে চলতে হচ্ছে। তার জীবনও নিরাপদ নয়। কাজেই আপনারা যে প্রস্তাব দিয়েছেন আমি তার সঙ্গে আলাপ করব।

তিনি আরো বলেন, আপনাদের প্রদত্ত প্রস্তাব নেত্রীকে জানাবো। নেত্রীর ভার্চুয়াল মিটিংও বিশাল সভায় পরিণত হবে, এটা আমাদের ভুললে চলবে না। শেখ হাসিনা বক্তব্য রাখবেন, এই খবর যখন শুনবে তখন আর কেউ ঘরে বসে থাকবে না। সবাই চলে আসবে। কাজেই নেত্রী টেলিভিশন এবং বেতারের মাধ্যমে জাতির উদ্দেশ্যে একটা ভাষণ দিতে পারেন, সেটাই বোধহয় সবচেয়ে ভালো।

এছাড়াও ১৫ আগস্ট জাতীয় শোক দিবসে যে ক্রোড়পত্র পত্রপত্রিকায় বের হয় তা নতুন আঙ্গিকে প্রকাশ করার জন্য এ দিকটার দিকে খেয়াল রাখার জন্য দলের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক ও তথ্যমন্ত্রী হাছান মাহমুদকে আহ্বান জানান তিনি।

আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য বেগম মতিয়া চৌধুরীর সভাপতিত্বে সভায় আরো বক্তব্য রাখেন, সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য অ্যাডভোকেট জাহাঙ্গীর কবির নানক, আব্দুর রহমান। এছাড়া উপস্থিত ছিলেন যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক ও তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ, সাংগঠনিক সম্পাদক বিএম মোজাম্মেল হক, এস এম কামাল হোসেন, মির্জা আজম, মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক সম্পাদক মৃণাল কান্তি দাস, দফতর সম্পাদক ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়া, বন ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক দেলোয়ার হোসনে, উপ দফতর সম্পাদক সায়েম খান, কার্যনির্বাহী সদস্য আনোয়ার হোসেন, শাহাবুদ্দিন ফরাজী, আনিসুর রহমানসহ ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণ আওয়ামী লীগ সভাপতি-সাধারণ সম্পাদক ও সহযোগী সংগঠনের নেতারা। সভা পরিচালনা করেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক আ. ফ. ম বাহাউদ্দিন নাছিম।



আরো




আর্কাইভ ক্যালেন্ডার

শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
 
১০১১১২
১৩১৪১৫১৬১৭১৮১৯
২০২১২২২৩২৪২৫২৬
২৭২৮২৯৩০৩১  

মাসিক আর্কাইভ