1. admin-1@vinnabarta.com : admin : admin
  2. admin-2@vinnabarta.com : Rumana Jaman : Rumana Jaman
  3. admin-3@vinnabarta.com : Saidul Islam : Saidul Islam
  4. bddesignhost@gmail.com : admin : jashim sarkar
  5. newspost2@vinnabarta.com : ebrahim-News :
  6. vinnabarta@gmail.com : admin_naim :
  7. admin_pial@vinnabarta.com : admin_pial :
শিরোনাম :
ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনার কবলে কুড়িগ্রাম-২ আসনের এমপি, আহত ৩ কৃষকের মুখে হাসি না ফুটলে দেশের উন্নয়ন সম্ভব নয় : প্রধানমন্ত্রী ঈদযাত্রায় গণপরিবহণ সংকট, ট্রাক-পিকআপে বাড়ি ফিরছে মানুষ ঈদযাত্রায় বেশি ভাড়া নিলেই ব্যবস্থা নেবে পুলিশ : আইজিপি সদরঘাটে নিরাপত্তা জোরদার, যাত্রীদের তল্লাশিতে কোস্ট গার্ড মেট্রো ট্রেন শুধু ঈদের দিন বন্ধ থাকবে যমুনা সেতু মহাসড়কে বেড়েছে গাড়ির চাপ, ২৪ ঘণ্টায় টোল আদায় ৩ কোটি টাকা ঈদযাত্রা নির্বিঘ্ন করতে পাবলিক পরিবহনে পর্যাপ্ত তেল দেওয়া হচ্ছে: শেখ রবিউল আলম ঈদ ঘিরে ঢাকায় নিরাপত্তা জোরদার, সন্দেহজনক চলাচলে সতর্ক থাকার আহ্বান ঘরমুখো মানুষের স্রোত, নির্ধারিত সময়ে ছাড়ছে ট্রেন

ইরফান সেলিমের বাসায় মিললো ড্রোন!

ভিন্নবার্তা প্রতিবেদক
  • প্রকাশের সময় : সোমবার, ২৬ অক্টোবর, ২০২০ ১০:৫৬ pm

হাজী সেলিমের পুত্র ইরফান সেলিমের রুমে পাওয়া গেছে ড্রোন। সোমবার র‌্যাবের অভিযানে ৯ তলা এ বাড়িতে অভিযানে এছাড়াও পাওয়া গেছে নানা ডিভাইসসহ অত্যাধুনিক যন্ত্রপাতি।

এ রুমের একপাশে থাকতেন হাজী সেলিমের ছেলে ইরফান সেলিম। ওখানে মিলেছে হ্যান্ডকাপও। তৃতীয় রুমের বিছানার ম্যাট্রেস উঠানোর পরই দেখা যায় গুলিভর্তি একটি বিদেশী অবৈধ পিস্তল আর বিভিন্ন পরিচয়পত্র। আছে দেশী-বিদেশী নানা ব্রান্ডের মাদকদ্রব্যও।

র‌্যাব কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ইরফান সেলিমের ৪তলার বেডরুমে একটি মদের খোলা বোতল এবং একটি বক্সে আরও বেশ কয়েকটি বিদেশী মদের বোতল পাওয়া গেছে। তাকে মদ্যপ অবস্থায় আটক করা হয়।

চকবাজারের ২৬ দেবিদাস ঘাট হাজী সেলিমের রাজকীয় ভবন ‘চান সরদার দাদা বাড়ি।

সোমবার দুপুর সাড়ে ১২টায় ৯ তলা এ বাড়িতে অভিযানে ঢুকেন র‌্যাবের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সারোয়ার আলমের নেতৃত্বে র‌্যাবের গোয়েন্দা ইউনিট, র‌্যাব-৩ ও র‌্যাব-১০ এর সদস্যরা। ভেতরে ঢুকতেই র‌্যাব কর্মকর্তাদের যেন পিলে চমকানো অবস্থা। লেনে আওয়ামী লীগের সংসদ সদস্যের এ বাড়ি যেন বাড়ি নয়, রাজপ্রাসাদে অভিযান।

বাড়ির নিচতলায় হাজী সেলিমের বাবা-মায়ের ছবি টানানো। নিচতলায় সিড়ির পাশেই ফিঙ্গারপ্রিন্ট ডিভাইস বসানো। এখানে ফিঙ্গারের ছাপ দেয়া ছাড়া কাউকে ভেতরে প্রবেশ করতে দেয়া হতো না। বাড়ির চতুর্থ তলায় একটি কক্ষে ঢুকে দেখা যায় এ যেন ইলেক্ট্রনিক ডিভাইসের শো-রুম।

অভিযানে অংশগ্রহণকারী একজন র‌্যাব কর্মকর্তা জানান, ৪তলার ইরফানের কক্ষটি ভেতর থেকে লক করা ছিল। বাড়ির কেয়ারটেকারকে সঙ্গে নিয়ে সেই রুমে যান অভিযানকারীরা। কেয়ারটেকারের ডাকে দরজা খুলেন ইরফান। এসময় তিনি ঢলতে ছিলেন। র‌্যাবের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও কর্মকর্তাদের দেখে ইরফান বলতে থাকেন- হু আর ইউ? অ্যাম আই এ ক্রিমিনাল? উইল ইউ অ্যারেস্ট মি?।

র‌্যাবের একটি সূত্র জানায়, র‌্যাবের অভিযানের আগেই বাড়ির আশপাশের মোড়ে মোড়ে ইরফান সেলিমের লোক দাঁড়ানো ছিল।
র‌্যাবের ধারণা, ওয়াকিটকি দিয়ে পুরো এলাকা নজরদারি করছিল। ওই বাড়ি থেকে একটি ওয়ারলেস নেটওয়ার্ক স্টেশন উদ্ধার করা হয়েছে। যেখান থেকে ৩৮টি উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন ওয়াকিটকি পাওয়া গেছে। যেগুলো সাধারণত আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা ব্যবহার করেন।

র‌্যাবের ধারণা এই ওয়ার্লেস নেটওয়ার্কের মাধ্যমে চাঁদাবাজি সন্ত্রাস ও জিম্মি করাসহ নানা অবৈধকাজে তার ক্যাডার বাহিনীর মাধ্যমে তারা এই ওয়াকিটকিগুলো ব্যবহার করতো। এমনকি এই ভবনের পার্শ্ববর্তি একটি ভবনে একটি টর্চার সেলের সন্ধান পাওয়া গেছে।

যেখানে বিভিন্ন ব্যবসায়ী ও প্রতিপক্ষকে চাঁদাবাজির উদ্দেশ্যে জিম্মি করে টর্চার করা হতো বলে ধারণা করছে র‌্যাব। ওয়াকিটকি নেটওয়ার্কের মাধ্যমে পুরনো ঢাকার ঘিঞ্জি এলাকার ৫ কিলোমিটার পর্যন্ত তারা এই নেটওয়ার্ক বিস্তৃত করতে পারতো। এই নেটওয়ার্কের মাধ্যমে তারা চাঁদাবাজি করতো। বাড়িটি শক্তিশালী সিসিক্যামেরাভুক্ত থাকার পরও তারা ওয়ার্লেস নেটওয়ার্ক ব্যবহার করতো।

র‌্যাব কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, বাড়ির ভিতরে একটা কন্ট্রোল সিস্টেম ছিল। এরফান সেলিমের বেডরুমটি রীতিমতো কন্ট্রোল রুম হিসাবে ব্যবহার হতো। সেখান থেকেই সে সবকিছু নিয়ন্ত্রণ করতো। অভিযানের আগে থেকেই ওই বাড়ির আশপাশের এলাকা র‌্যাব ঘেরাও করে রাখে। গণমাধ্যম কর্মী ছাড়া অন্য কাউকে ঢুকতে দেয়া হয়নি।

র‌্যাবের আইন ও গণমাধ্যম শাখার প্রধান লেফটেন্যান্ট কর্নেল আশিক বিল্লাহ জানান,লাইসেন্সবিহীন একটি বিদেশী অস্ত্র, সঙ্গে ৫-৬ লিটার বিদেশী মদ এবং তার দেহরক্ষী মোঃ জাহিদের কাছ থেকে একটি বিদেশী অস্ত্র এবং ৪০০ পিস ইয়াবা আমরা জব্দ করতে সক্ষম হই।

র‌্যাবের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সারোয়ার আলম ইরফান সেলিমকে অবৈধ ওয়াকিটকি রাখা এবং ব্যবহারের জন্য ৬ মাসের কারাদণ্ড দেন। পাশাপাশি বিদেশী মদ সেবন করার জন্য ৬ মাসের কারাদণ্ড প্রদান করেছেন। অর্থাৎ অভিযুক্ত প্রত্যেককে এক বছর এক বছর করে কারাদণ্ড দেয়া হয়েছে। ভ্রাম্যমাণ আদালতের এই দণ্ডের পাশাপাশি দুজনের বিরুদ্ধে অস্ত্র ও মাদক আইনে দুটি মামলা দায়ের করা হবে। ইরফান সেলিম নোয়াখালীর একজন সংসদ সদস্যের মেয়ের জামাই।

ভিন্নবার্তা/এমএসআই



আরো




আর্কাইভ ক্যালেন্ডার

শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
 
১০১১১২১৩
১৪১৫১৬১৭১৮১৯২০
২১২২২৩২৪২৫২৬২৭
২৮২৯৩০৩১  

মাসিক আর্কাইভ