1. [email protected] : admin : jashim sarkar
  2. [email protected] : admin_naim :
  3. [email protected] : admin_pial :
  4. [email protected] : admin : admin
  5. [email protected] : Rumana Jaman : Rumana Jaman
  6. [email protected] : Saidul Islam : Saidul Islam
আম্ফানের দাপটে উড়ে যাবে করোনা! - |ভিন্নবার্তা

আম্ফানের দাপটে উড়ে যাবে করোনা!

vinnabarta.com
  • প্রকাশ : মঙ্গলবার, ১৯ মে, ২০২০, ১০:২৬ pm

প্রাণঘাতি মহামারী করোনাভাইরাসের দাপটে বিপর্যস্ত পুরো দুনিয়ার মানুষ। এরই মধ্যে নতুন বিপদ এসে হাজির। বাংলাদেশ- ভারতের মানুষকে ভয় দেখাচ্ছে মারাত্মক এক ঘূর্ণিঝড়। প্রবল শক্তি সঞ্চয় করে বাংলাদেশের বুকে আছড়ে পড়ার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছে সুপার সাইক্লোন ‘আম্ফান’।

এই ঝড় কি শুধুই লোকালয় তছনছ করবে, নাকি করোনাভাইরাসকেও উড়িয়ে নিতে পারবে? নাকি ভাইরাস আরও শক্তিশালী হয়ে স্পাইকে শান দেবে?

ভারতের ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট ফর বায়ো মেডিক্যাল জেনোমেটিক্স-এর কর্মকর্তা বিজ্ঞানী পার্থপ্রতিম মজুমদার জানালেন, ‘ঘূর্ণিঝড়ের সঙ্গে কভিড-১৯ ভাইরাসের সরাসরি সম্পর্ক নিয়ে এখনো কোনোই বিজ্ঞানসম্মত প্রমাণ তাদের কাছে নেই। সম্পূর্ণ নতুন এই ভাইরাসকে চিনে নিতে আরো সময় লাগবে। তাই ঝড় হোক বা গরম পড়ুক, ভাইরাসের দাপট কমার কোনো নিশ্চিত আশা আপাতত নেই।

পার্থপ্রতিম আরো জানালেন, ‘কভিড-১৯ ভাইরাসটি অত্যন্ত ছোঁয়াচে। শরীরে ভাইরাসের উপস্থিতি জানা না থাকলে অন্যের সঙ্গে কথা বললে বা কাছাকাছি থাকলে সংক্রমণের ঝুঁকি অনেক বেড়ে যায়।

কভিড-১৯ মূলত ড্রপলেট, অর্থাৎ হাঁচি, কাশির বা কথা বলার সময় এক জনের থেকে অন্যের শরীরে চলে যাওয়ার ঝুঁকি খুব বেশি। তাই ঘূর্ণিঝড়ের জন্য একসঙ্গে অনেক মানুষকে যদি কোনো নির্দিষ্ট শেল্টারে রাখা হয় এবং তাদের মধ্যে যদি কোনো একজন সংক্রমিত মানুষ থাকেন, তার থেকে রোগ ছড়িয়ে পড়ার একটা ঝুঁকি থেকেই যায়।’

বৃষ্টি কিংবা তাপমাত্রার বাড়া-কমায় কভিড-১৯ ভাইরাসকে আটকানো যায় না বলে জানালেন মহালির ইসার (আইআইএসইআর)-এর হিউম্যান প্যাথোজেনিক ভাইরাসের সংক্রমণজনিত অসুখের গবেষক ইন্দ্রনীল বন্দ্যোপাধ্যায়। বললেন, ‘কভিড-১৯ ভাইরাস ড্রপলেট ইনফেকশনের মাধ্যমে ছড়ায়। তাই মানুষে মানুষে দূরত্ব বজায় রেখে এবং সাধারণ স্বাস্থ্যবিধি মেনে না চললে রোগ ছড়িয়ে পড়ার ঝুঁকি থেকেই যায়। ঝড়বৃষ্টি হলেই যে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ বেড়ে যাবে তা নয়। কিন্তু এই সময় শারীরিক দূরত্ব বজায় রাখা ও ভিড় এড়িয়ে চলার নিয়ম মানতেই হবে।

ঝড়ের জন্য অনেক মানুষকে নির্দিষ্ট জায়গায় সরিয়ে আনা হলে উদ্ধারকারীদের এই ব্যাপারটার উপর গুরুত্ব দিতে হবে বলে জানালেন তিনি। বললেন, ‘কভিড-১৯ ভাইরাস অত্যন্ত ছোঁয়াচে, ঝড়বৃষ্টি বা কোনো প্রাকৃতিক দুর্যোগ হলে এর সংক্রমণ ক্ষমতা কোনো ভাবেই কমবে না।

তাই দুর্যোগের মোকাবেলা করার সময় কভিড-১৯ মহামারির কথা মাথায় রেখেই করা উচিত। ঘূর্ণিঝড় উদ্ধারকেন্দ্রে প্রত্যেককে যথাযথ মাস্ক পরে থাকতে হবে। অসুস্থ মানুষদের জন্য আলাদা ব্যবস্থা রাখা উচিত। নইলে করোনার প্রকোপ আরও বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা থাকবে।

আরো পড়ুন

মাসিক আর্কাইভ

© All rights reserved © 2021 vinnabarta.com
Customized By Design Host BD