1. jashimsarkar1980@gmail.com : admin : jashim sarkar
  2. naim@vinnabarta.com : admin_naim :
  3. admin_pial@vinnabarta.com : admin_pial :
  4. admin-1@vinnabarta.com : admin : admin
  5. admin-2@vinnabarta.com : Rumana Jaman : Rumana Jaman
  6. admin-3@vinnabarta.com : Saidul Islam : Saidul Islam
আমিরাতে মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনায় বাংলাদেশি মা ও মেয়ে নিহত - |ভিন্নবার্তা




আমিরাতে মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনায় বাংলাদেশি মা ও মেয়ে নিহত

ভিন্নবার্তা প্রতিবেদক
  • প্রকাশের সময় : শুক্রবার, ২১ জানুয়ারী, ২০২২ ১০:২৪ অপরাহ্ন

সংযুক্ত আরব আমিরাতের শারজায় মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনায় বাংলাদেশি অন্তঃসত্ত্বা নারী মুর্শিদা বেগম (৩৫) ও তার মেয়ে মাইথা হামিদ (১০) নিহত হয়েছে। নিহতের স্বামী ও আরও দুই শিশু গুরুতর আহত হয়েছে।

নিহতদের স্বজন ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত মঙ্গলবার রাতে হামিদ নুর হোছাইন তার চার মেয়ে, অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রীসহ গাড়ি নিয়ে বাসা থেকে বের হন। যাত্রাপথে শারজাহ কাদেসিয়া সিগন্যালে দাঁড়ানো অবস্থায় দ্রুতগামী একটি গাড়ি পেছন থেকে তাদের গাড়িটিকে ধাক্কা দেয়। এ সময় তাদের গাড়িটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে অন্য একটি গাড়ির ওপর পড়ে দুমড়েমুচড়ে যায়। ঘটনাস্থলেই প্রাণ হারায় মাইথা হামিদ। ঘটনাস্থল থেকে পুলিশ অন্যদের উদ্ধার করে হাসপাতালে স্থানান্তর করে। জরুরিভিত্তিতে মুর্শিদার অস্ত্রোপচার করা হলেও বাঁচানো যায়নি মা ও নবজাতককে।

পরপর চার কন্যাসন্তান। একটি ছেলের প্রত্যাশায় প্রহর গুনছিল সংযুক্ত আরব আমিরাত প্রবাসী কক্সবাজারের মুর্শিদা বেগম ও হামিদ নুর হোছাইন দম্পতি। কয়েকদিন দিন পরই তাদের ছেলে সন্তানের পৃথিবীর আলো দেখার কথা। আনন্দে ভাসছিল পুরো পরিবার। চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী ডেলিভারির তারিখ ছিল চলতি মাসের ২৩ তারিখ। কিন্তু এর আগেই তছনছ হয়ে গেল পুরো পরিবার। নবজাতকের মুখ দেখার আগেই পৃথিবীর মায়া ছাড়লেন মুর্শিদা বেগম।

জানা যায়, দুর্ঘটনায় নিহত নবজাতক ও মা-মেয়েকে গত বুধবার রাতে দেশটির আজমান শহরের একটি কবরস্থানে দাফন করা হয়েছে। হামিদ নুর হোছাইন ও রওদা হামিদ (৫) শারজাহ আল কাসেমি হাসপাতালে এবং বাকি দুই মেয়ে হাফসা হামিদ (৯) ও রেনাদ হামিদ (৩) রাস আল খাইমার একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। এ ঘটনায় জড়িত গাড়িচালককে আটক করেছে পুলিশ।

টেকনাফ সমিতির সাধারণ সম্পাদক ও বাংলাদেশ প্রেসক্লাব ইউএইর প্রচার সম্পাদক মোহাম্মদ শাহজাহান জানান, ১৯৬৬ সাল থেকে হামিদ নুর হোছাইনের পরিবার সংযুক্ত আরব আমিরাতের শারজাহ শহরে বসবাস করছে। তার পৈতৃক নিবাস কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলায়। মুর্শিদা বেগমের পৈতৃক নিবাস কক্সবাজারের মহেশখালী থানায়। মুর্শিদা-হামিদ দম্পতির জন্ম, বেড়ে ওঠা ও বৈবাহিক সম্পর্ক তৈরি হয় সংযুক্ত আরব আমিরাতে। মর্মান্তিক এ ঘটনায় প্রবাসী বাংলাদেশিদের মাঝে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
ভিন্নবার্তা ডটকম/এসএস



আরো




মাসিক আর্কাইভ