1. [email protected] : admin : jashim sarkar
  2. [email protected] : admin_naim :
  3. [email protected] : admin_pial :
  4. [email protected] : admin : admin
  5. [email protected] : Rumana Jaman : Rumana Jaman
  6. [email protected] : Saidul Islam : Saidul Islam
অবৈধ সম্পদ মামলা: খালেদ ও শামীম রিমান্ডে |ভিন্নবার্তা

অবৈধ সম্পদ মামলা: খালেদ ও শামীম রিমান্ডে

vinnabarta.com
  • প্রকাশ : রবিবার, ২৭ অক্টোবর, ২০১৯, ০৩:০৬ অপরাহ্ন

অবৈধ সম্পদ অর্জনের মামলায় ঢাকা মহানগর যুবলীগ দক্ষিণের সাংগঠনিক সম্পাদক (বহিষ্কৃত) খালেদ মাহমুদ ভূঁইয়া ও জি কে বিল্ডার্সের স্বত্বাধিকারী কথিত যুবলীগ নেতা এস এম গোলাম কিবরিয়া শামীমের সাত দিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেছে আদালত।

রবিবার (২৫ অক্টোবর) ঢাকার সিনিয়র স্পেশাল জজ আদালতের ভারপ্রাপ্ত বিচারক মো. আল মামুন শুনানি শেষে এই রিমান্ডর আদেশ দেন।

গত ২২ অক্টোবর দুদক আসামিদের গ্রেপ্তার দেখানোসহ ১০ দিন করে ২০ দিনের রিমান্ড আবেদন করেন। ওইদিন বিচারক ২৭ অক্টোবর আসামিদের উপস্থিতিতে শুনানির দিন ঠিক করেন।

রবিবার শুনানিকালে আসামিদের কারাগার থেকে আদালতে হাজির করা হয়। বিচারক প্রথমে আসামিদের স্ব স্ব মামলায় গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন মঞ্জুর করেন। এরপর রিমান্ড আবেদনের শুনানি অনুষ্ঠিত হয়।

শুনানিতে আসামি খালেদের পক্ষে অ্যাডভোকেট সৈয়দ শাহ আলম এবং জিকে শামীমের পক্ষে অ্যাডভোকেট মিজানুর রহমান মোল্লা রিমান্ড বাতিল করে জামিন আবেদনের ওপর শুনানি করেন।

অন্যদিকে দুদকের পক্ষে স্পেশাল পাবলিক প্রসিকিউটর মোশারফ হোসেন কাজল রিমান্ডের পক্ষে এবং জামিনের বিরোধিতা করে শুনানি করেন।

উভয় পক্ষের শুনানি শেষে বিচারক প্রত্যেক আসামির সাত দিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

এর আগে গত ২১ অক্টোবর এস এম গোলাম কিবরিয়া শামীম ও তার মা আয়েশা আক্তারের বিরুদ্ধে ২৯৭ কোটি আট লাখ ৯৯ হাজার টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে দুদকের উপ-পরিচালক মো. সালাহউদ্দিন বাদী এই মামলা করেন।

অন্যদিকে খালেদ মাহমুদ ভূঁইয়ার বিরুদ্ধে পাঁচ কোটি ৫৮ লাখ ১৫ হাজার ৮৫৯ টাকার অবৈধ সম্পদের অর্জনের অভিযোগে উ-পপরিচালক জাহাঙ্গীর আলম বাদী হয়ে এ মামলা করেন।

মামলাগুলোয় আদালত যথাক্রমে আগামী ১৯ নভেম্বর এবং ১৮ নভেম্বর প্রতিবেদন দাখিলের ধার্য তারিখ ঠিক করেছে আদালত।

শামীমের মামলায় বলা হয়, ২০১৮-২০১৯ করবর্ষ পর্যন্ত আসামি শামীম ৫০ কোটি টাকার স্থাবর সম্পদের মালিক হয়েছেন। এর মধ্যে আয়কর নথিতে ৪০ কোটি ২১ লাখ ৪০ হাজার ৭৪৪ টাকার তথ্য উল্লেখ করলেও ওই টাকার বৈধ উৎস পায়নি দুদক। এ ছাড়া তার বাসা থেকে উদ্ধারকৃত নগদ এক কোটি ৮১ লাখ ২৮ হাজার টাকা ও সাত লাখ ৪৭ হাজার টাকার বিদেশি মুদ্রা, শামীম ও তার মা আয়েশা আক্তারের নামে ১৬৫ কোটি ২৭ লাখ ৬৫ হাজার টাকার এফডিআর, মায়ের নামে আরো ৪৩ কোটি ৫৭ লাখ ৪০ হাজার টাকার ব্যবসার অংশীদার এবং জি কে বি এন্ড কোম্পানির শেয়ার, গাড়ি ও এফডিআর বাবদ ৩৬ কোটি ৩৫ লাখ ১৮ হাজার ৭১৯ টাকার অস্থাবর সম্পদের বৈধ উৎসও পায়নি দুদক।

অন্যদিকে খালেদ মাহমুদ ভূঁইয়ার মামলায় বলা হয়, এই আসামি চার কোটি ৫০ লাখ টাকার স্থাবর সম্পদ ও ৯০ লাখ ১৬ হাজার ৭০৯ টাকার অস্থাবর সম্পদের বৈধ উৎস পাওয়া যায়নি। এ ছাড়া গত ১৮ সেপ্টেম্বর র‌্যাবের অভিযানে তার গুলশানের বাসা থেকে ১৭ লাখ ৯৯ হাজার ১৫০ টাকার বিভিন্ন দেশের মুদ্রা উদ্ধার করা হয়। যার কোনো উৎস দেখাতে পারেননি খালেদ। তাই তার বিরুদ্ধে মোট পাঁচ কোটি ৫৮ লাখ ১৫ হাজার ৮৫৯ টাকার অবৈধ সম্পদের অভিযোগ করা হয়েছে।

প্রসঙ্গত, খালেদ গত ১৮ সেপ্টেম্বর এবং গত ২০ সেপ্টেম্বর জিকে শামীম ক্যাসিনোবিরোধী অভিযোনে গ্রেপ্তার হন। এরপর দুজনকেই অস্ত্র, মানিলন্ডরিং ও মাদক মামলায় বিভিন্ন দফায় রিমান্ড শেষে গত ১৩ অক্টোবর কারাগারে পাঠানো হয়।

আইআই/শিরোনাম বিডি

আরো পড়ুন

মাসিক আর্কাইভ

© All rights reserved © 2021 vinnabarta.com
Customized By Design Host BD