1. admin-1@vinnabarta.com : admin : admin
  2. admin-2@vinnabarta.com : Rumana Jaman : Rumana Jaman
  3. admin-3@vinnabarta.com : Saidul Islam : Saidul Islam
  4. bddesignhost@gmail.com : admin : jashim sarkar
  5. newspost2@vinnabarta.com : ebrahim-News :
  6. vinnabarta@gmail.com : admin_naim :
  7. admin_pial@vinnabarta.com : admin_pial :
শিরোনাম :
পাঁচ বছরেও নীতিমালা হয়নি

অবৈধ বিজ্ঞাপন বাণিজ্য বন্ধ হচ্ছে না

ভিন্নবার্তা প্রতিবেদক
  • প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, ১৮ আগস্ট, ২০২০ ৬:০০ pm

পাঁচ বছরেও রাজধানীর বিজ্ঞাপন নীতিমালা বাস্তবায়ন করতে পারেনি ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন। ফলে রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে অবৈধ বিজ্ঞাপন বাণিজ্য বন্ধ হচ্ছে না। এ বিষয়ে কার্যকর ব্যবস্থা নেয়ার দাবি জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, রাজধানীর যত্রতত্র যে যেভাবে পারছে অবৈধভাবে বিলবোর্ড বা ব্যনার ও লিখনির মাধ্যেমে তাদের বিজ্ঞাপন প্রচার করছে। এসব বিজ্ঞাপন বন্ধে পাঁচ বছর আগে একটি নীতিমালা করার উদ্যোগ নিয়েছিল দুই সিটি কর্পোরেশন। কিন্তু এ নীতিমালা এখনো আলোর মুখ দেখেনি। তবে নীতিমালা বাস্তবায়ন না হলেও তখন নগরীর সৌন্দর্যহানিকর সব বিলবোর্ড উচ্ছেদ করেছিল দুই সিটি।

তখন বলেছিল, নীতিমালা তৈরি করে এ খাতে শৃঙ্খলা নিশ্চিত করা হবে। কিন্তু গত পাঁচ বছরেও সেই নীতিমালা বাস্তবায়ন না করে বরং কর্পোরেশন নিজেই অবৈধ বিজ্ঞাপন বাণিজ্যের সুযোগ করে দিচ্ছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। ফলে রাজধানীজুড়ে অবৈধ বিজ্ঞাপন বাণিজ্য চলছেই।

অভিযোগ রয়েছে, বিজ্ঞাপন নীতিমালা চূড়ান্ত না হলেও সৌন্দর্যবর্ধনের বিনিময়ে বিজ্ঞাপন প্রচার করা যাবে এমন ৪৫টি স্থান ও সড়ক নির্ধারণ করে দিয়েছে ডিএনসিসি কর্তৃপক্ষ। উন্মুক্ত দরপত্রের মাধ্যমে চারটি বিজ্ঞাপনী প্রতিষ্ঠানকে (অ্যাড ফার্ম) সার্ক ফোয়ারা, বিজয় সরণি থেকে খেজুরবাগান, মহাখালী উড়ালসেতু, বনানীর কামাল আতাতুর্ক অ্যাভিনিউ থেকে গুলশান-২ নম্বর পর্যন্ত সড়কের সৌন্দর্যবর্ধন করে বিজ্ঞাপন প্রদর্শনের অনুমতি দেওয়া হয়েছে। প্রতিটি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গেই পাঁচ বছরের চুক্তি করেছে ডিএনসিসি। তারা ফোয়ারার চারপাশে চারটি ডিজিটাল ডিসপ্লে বোর্ড বসিয়েছে। এগুলোতে এখন নিয়মিত বিজ্ঞাপন প্রদর্শন করা হচ্ছে।

সরেজমিনে রাজধানীর ভিবিন্ন স্থান ঘুরে দেখা গেছে, অবৈধ বিজ্ঞাপনে সয়লাব। সেখানেই চোখ যায় সেখানেই নানা ধরনের বিজ্ঞাপন প্রদর্শন করা হচ্ছে। যে মেনে পারলে ইচ্ছেমতো বিজ্ঞাপন প্রচার করছে। বিষেশ করে ফ্লাইওভার ও উড়াল সড়কের রেলিংয়ে সবচেয়ে বেশি বিজ্ঞাপন প্রচার করা হচ্ছে।

এতে প্রকৃত বিজ্ঞাপন ব্যবসায়ীরা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। এদিকে বিলবোর্ড ব্যবসায়ীরা এই অবস্থানকে স্ববিরোধী আখ্যা দিয়ে বলেছেন, এর মাধ্যমে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীরা আরও বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। এতে বিলবোর্ড ব্যবসা চলে যাবে প্রভাবশালীদের দখলে।
এদিকে, মহাখালী উড়ালসেতুর ওপরে ও নিচে সৌন্দর্যবর্ধনের কাজ করেছে ইউনিকম মিডিয়া লিমিটেড নামে একটি অ্যাড ফার্ম। উড়ালসেতুর প্রতিটি পিলার কৃত্রিম ঘাসে মোড়া হয়েছে, উড়ালসেতুর নিচের অংশগুলো বাগানের মতো সাজানো হয়েছে এবং সেতুর ওপরে প্রতিটি ২০ ফুট লম্বা মোট ১২৮টি ফ্লাওয়ার বেড স্থাপন করা হয়েছে। বিনিময়ে উড়ালসেতুর ১৫টি পিলারের দুপাশে ৩০টি ডিজিটাল ডিসপ্লে বোর্ড বসানো হয়েছে। এগুলোতে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন প্রচার করা হচ্ছে। তবে নীতিমানা না হওয়ার সুযোগ কাজে লাগিয়ে যে যার মত করে বিভিন্ন স্থানে বিজ্ঞাপন প্রচার করছে।

এতে প্রকৃত বিজ্ঞাপন ব্যবসায়ীরা ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে। এ বিষয়ে দ্রæত এটি নীতিমালা জরুরী হয়ে পড়ছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। ডিএনসিসির বিউটিফিকেশন সেলের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা এক কর্মকর্তা বলেন, সৌন্দর্যবর্ধনের মাধ্যমে বিজ্ঞাপন প্রদর্শন আর ডিজিটাল বিলবোর্ডের মাধ্যমে বিজ্ঞাপন প্রদর্শন ভিন্ন বিষয়। বিশেষজ্ঞদের মাধ্যমে গঠিত পৃথক কমিটি যাচাই-বাছাই করে নির্দিষ্ট কিছু জায়গায় সৌন্দর্যবর্ধনের মাধ্যমে শর্ত সাপেক্ষে বিজ্ঞাপন প্রদর্শনের অনুমতি দিয়েছে। নীতিমালা কবে চূড়ান্ত হবে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ইতিমধ্যে নীতিমালার একটি খসড়া মেয়রের কাছে দেয়া হয়েছে। তারপর এটি করপোরেশনের বোর্ড সভায় যাবে। বোর্ড পাস করলে মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হবে বলে তিনি জানান।

ভিন্নবার্তা/এমএসআই



আরো




আর্কাইভ ক্যালেন্ডার

শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
 
১০
১১১২১৩১৪১৫১৬১৭
১৮১৯২০২১২২২৩২৪
২৫২৬২৭২৮২৯৩০৩১

মাসিক আর্কাইভ