শিরোনাম

খবর নেই দক্ষিণ সিটির
অবৈধ ট্রাকস্ট্যান্ড ও বাঁশের আড়ৎ উচ্ছেদের পর ফের বড় পরিসরে দখল

সফিকুল ইসলাম

ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের খালি জায়গা দখল করে প্রভাবশালীরা নানা কার্যক্রম চালাচ্ছে দীর্ঘদিন ধরে। এধনের জায়গাগুলো চিহ্নিত করে ইতিমধ্যে উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করছে দুই সিটি করপোরেশন। কিন্তু উচ্ছেদের কয়েকদিন পর এসব জায়গা ফের দখলে চলে যাচ্ছে। সম্প্রতি ডিএসসিসির ২৬ শতাংশ জায়গায় থাকা অবৈধভাবে ট্রাকস্ট্যান্ড ও বাঁশের আড়ৎ দখলমুক্ত করার পর এভাবে ফের বড় পরিসরে দখল করেছে প্রভাবশালীরা। এ বিষয়ে কিছুই জানে না ডিএসসিসি।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, গাবতলী-সদরঘাট বেড়িবাঁধ সড়কের কালুনগর খালের স্লুইস গেট এলাকায় ডিএসসিসি ২৬ শতাংশ জায়গা দখল করে অবৈধভাবে ট্রাকস্ট্যান্ড গড়ে তুলেছিল দখলদাররা। পাশাপাশি সরকারি জায়গায় অবৈধভাবে বাঁশের আড়ৎ তৈরি করে ব্যবসা করে আসছিলো প্রভাবশালীরা।

সম্প্রতি এসব দখলদারদের বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনা করেছে ডিএসসিসি। এসময় ২৬ শতাংশ জায়গা দখলমুক্ত করা হয়। এতে একজনকে জরিমানা হয়। কিন্তু অভিযানের বেশিদিন না যেতেই আবারও দখল হয়েছে জায়গাটি। জরিমানা গোনা বাঁশের আড়ৎ আগের তুলনায় বেশি জায়গা নিয়ে ব্যবসা পরিচালনা করছে।

সরেজমিনে দেখা গেছে, গাবতলী-সদরঘাট বেড়িবাঁধ সড়কের কালুনগর খালের স্লুইস গেট এলাকায় অবৈধ ট্রাকস্ট্যান্ড ও বাঁশের আড়ত আরো বড় পরিসরে দখল করে ট্রাক পার্কিং ও বাঁশ বেচাকেনা চলছে। এতে ওই সড়কে সৃষ্টি হচ্ছে যানজট। এ বিষয়ে কোন ধরনের ব্যবস্থা নিচ্ছে না ডিএসসিসি।

ডিএসসিরি নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট এ এইচ ইরফান উদ্দিন আহমেদ সেদিন ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে জায়গাটি দখলমুক্ত করেছিলেন। এ বিষয়ে ইরফান উদ্দিন আহমেদ বলেন, আমরা মেয়রের নির্দেশে কর্পোরেশনের দখলকৃত সব জায়গা দখলমুক্ত করার উদ্যোগ নিয়েছি। এ বিষয়ে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। এখন যদি কেউ দখলমুক্ত করা জায়গা ফের দখল করে তাহলে আমরা এ বিষয়ে ব্যবস্থা গ্রহণ করব। আর যারা দখল করছে তাদের আইনের আওতায় এনে শাস্তির ব্যবস্থা করা হবে।

ডিএসসিরি ৫৫ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর নূরে আলম বলেন, দখলমুক্ত জায়গা যারা ফের দখল করছে তারা সন্ত্রাসী। তাদের কোন ধরনের ছাড় দেয়া হবে না। তবে তিনি বলেন, দখলমুক্ত জায়গায় আমি প্রায় পরিদর্শনে যাই। আমি গেলে পড়ে ট্রাক সরায় দেয়। আবার রাত্রে রাত্রে এসে ট্রাক পার্কিশ করে। করপোরেশনের ২৬ শতাংশ জায়গাকে গাড়ি পার্কিং এর জন্য টেন্ডারের মাধ্যমে ভাড়া দেওয়ার প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, ডিএসসিসি থেকে একটা টেন্ডারের ব্যবস্থা করা হচ্ছে। টেন্ডারের ব্যবস্থা করালে আর কেউ এ জায়গা দখল করতে পারবে না। এ বিষয়ে মেয়র সাহেবের সঙ্গে কথা বলে দ্রুত টেন্ডারের ব্যবস্থা করা হচ্ছে বলেও তিনি জানান।

ভিন্নবার্তা/এমএসআই

সংবাদ সম্পর্কে আপনার মতামত দিন
আরো পড়ুুন