1. admin-1@vinnabarta.com : admin : admin
  2. admin-2@vinnabarta.com : Rumana Jaman : Rumana Jaman
  3. admin-3@vinnabarta.com : Saidul Islam : Saidul Islam
  4. bddesignhost@gmail.com : admin : jashim sarkar
  5. newspost2@vinnabarta.com : ebrahim-News :
  6. vinnabarta@gmail.com : admin_naim :
  7. admin_pial@vinnabarta.com : admin_pial :

অফিসের এসি, কার্পেটও নিয়ে যান আলোচিত সেই স্বাস্থ্য কর্মকর্তা

ভিন্নবার্তা প্রতিবেদক
  • প্রকাশের সময় : সোমবার, ১৭ মে, ২০২১ ৭:২৩ pm

সম্প্রতি আলোচনায় আসা দাউদকান্দি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের প্রাক্তন স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. শাহীনুর আলম সুমন অফিসের এসি, কার্পেট গাড়ির বাম্পার খুলে নিয়ে যান। এসব অনিময়মসহ তার ভাইরাল হওয়া ঘুষের ভিডিও বিষয়ে অনুসন্ধান করছে তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি।

তিতাস উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. সরফরাজ আহম্মেদকে প্রধান করে তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। কমিটিকে তিন কার্যদিবসের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে। সোমবার তদন্ত কমিটি কাজ শুরু করেছে।

সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেইসবুকে সাত মিনিট ৩৮ সেকেন্ডের ভিডিও ছড়িয়ে পড়ে, যেখানে ডা. সুমনকে পল্লী চিকিৎসকদের কাছ থেকে মাসোহারার টাকা নিতে দেখা যায়।

এরপর গত ২৬ এপ্রিল বিশেষ ভারপ্রাপ্ত (ওএসডি) করে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরে পাঠানো হয় ওই কর্মকর্তাকে। তিনি যাওয়ার সময় হাসপাতালের অফিস কক্ষের এসি, মেঝেতে বিছানো কার্পেট ও গাড়ির বাম্পার খুলে নিয়ে গেলেও সোমবার তদন্ত কমিটি কাজ শুরুর আগে তা অফিস কক্ষে ফেরত দিয়ে যান।

বিষয়টি নিশ্চিত করেন নতুন দায়িত্ব পাওয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. মো. শহীদুল ইসলাম।

এ ছাড়া ডা. শাহীনুর আলম সুমন উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা হিসাবে যোগদান করার পর থেকেই তার নামে বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগ উঠে। তিনি রোগীদের সঙ্গে দুর্ব্যবহার, অপ্রয়োজনীয় টেস্ট দিয়ে কমিশন গ্রহণ, চিকিৎসাপত্রে নির্দিষ্ট ওষুধ লিখতে বাধ্য করা, পল্লী চিকিৎসকদের চেম্বার পরিদর্শনের নামে হয়রানি, হাসপাতালে বহিবিভাগ ও আন্তবিভাগের অধিকাংশ পরীক্ষা তার নির্দেশিত ডায়গনিস্টিক সেন্টারে করাতে হতো।

অভিযোগ রয়েছে, যেসব ডায়গনিস্টিক মাসোহারা দেয় শুধু তাদের প্রতিনিধিরা হাসপাতালে প্রবেশ করতে পারে। একই অবস্থা ওষুধ কোম্পানির বিক্রয় প্রতিনিধিদের বেলায়ও। ডা. সুমনের এসব অনিয়মের বিষয় নিয়ে ফেইসবুকে আলোচনা চলছে।

তবে ডা. শাহীনুর আলম সুমন বলেন, আমি এখানে দায়িত্ব পালনকালে নিজ অর্থায়নে কার্পেট, এসিসহ কিছু মালামাল কিনেছিলাম। বদলিজনিত কারনে সেগুলো নিয়ে যাই। প্রতিষ্ঠানের স্বার্থে আজ মালামাল ফেরত দিয়ে গেলাম।

তদন্ত কমিটির প্রধান ডা. সরফরাজ আহম্মেদ বলেন, তদন্তের জন্য যা যা করা দরকার আমরা তাই করব। ভাইরাল হওয়া ঘুষের ভিডিও নিয়ে ইতোমধ্যে আমরা লিখিত কিছু বক্তব্য পেয়েছি।
ভিন্নবার্তা ডটকম/এন



আরো




মাসিক আর্কাইভ